আখিরাত শব্দের অর্থ, কী, কাকে বলে? আখিরাতে বিশ্বাসের গুরুত্ব

আখিরাত শব্দের অর্থ, কি, কাকে বলে এবং আখিরাতে বিশ্বাসের গুরুত্ব

(১) আখিরাত শব্দের অর্থ কী?

আখিরাত শব্দের অর্থ- পরকাল।

(২) আখিরাত কাকে বলে?

মানুষের মৃত্যুর পরবর্তী জীবনকে আখিরাত বলা হয়।

মানবজীবনের দুটি পর্যায় রয়েছে। ইহকাল ও পরকাল। ইহকাল হলো দুনিয়ার জীবন। আর মৃত্যুর পরে মানুষের যে নতুন জীবন শুরু হয় তার নাম পরকাল বা আখিরাত।

(৩) আখিরাত কী?

আখিরাত অনন্তকালের জীবন। এ জীবনের শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই। এটি মানুষের চিরস্থায়ী আবাস। আখিরাতে মানুষের দুনিয়ার কাজকর্মের হিসাব নেওয়া হবে। অতঃপর ভালো কাজের পুরস্কার স্বরূপ জান্নাত এবং মন্দ কাজের জন্য জাহান্নামের শাস্তি দেওয়া হবে।

(৪) আখিরাতে বিশ্বাসের গুরুত্ব

আখিরাত ইমানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইসলামি জীবনদর্শনে আখিরাতে বিশ্বাস স্থাপন অপরিহার্য। এ বিশ্বাসের গুরুত্বও অপরিসীম। আখিরাতে বিশ্বাস ছাড়া মুমিন ও মুত্তাকি হওয়া যায় না।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,

“আর তারা (মুত্তাকিগণ) আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে।”

(সূরা আল-বাকারা, আয়াত ৪)

তাওহিদ ও রিসালাতে বিশ্বাসের পাশাপাশি আখিরাতেও বিশ্বাস করা অত্যাবশ্যক। আখিরাতে বিশ্বাস না করলে কেউ মুমিন বা মুসলিম হতে পারে না।

পরকালীন জীবনের সফলতা ও জান্নাত লাভ করার জন্যও আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। আখিরাতে বিশ্বাস না করলে মানুষ সত্যপথ থেকে দূরে সরে যায়, পথভ্রষ্ট হয়ে পড়ে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,

“আর কেউ আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসুলগণ এবং আখিরাত দিবসের প্রতি অবিশ্বাস করলে সে তো ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়ে পড়বে।”

(সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৩৬)

আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে পাপ থেকে বিরত রাখে এবং পুণ্য কাজ করতে উৎসাহ যোগায়। কেননা আখিরাতে বিশ্বাসী ব্যক্তি জানে যে, পরকালে তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে, দুনিয়ার সব কাজকর্মের হিসাব দিতে হবে। ফলে বিশ্বাসী ব্যক্তি দুনিয়াতে সৎকাজে উৎসাহিত হয় এবং অসৎকাজ থেকে বিরত থাকে। এভাবে মানুষ অসৎচরিত্র বর্জন করে সৎচরিত্রবান হয়ে ওঠে।

অপরদিকে আখিরাতে যে অবিশ্বাস করে সে সুযোগ পেলেই পাপাচার ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। কেননা সে পরকালীন জবাবদিহিতে বিশ্বাসী নয়। এভাবে আখিরাতের প্রতি অবিশ্বাস মানবসমাজে অত্যাচার ও পাপাচার বৃদ্ধি করে।

আখিরাতে বিশ্বাসী মানুষ কখনো পাপাচার ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হতে পারে না।

অন্যদিকে, আখিরাতে বিশ্বাস মানবজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি মানবজীবনকে কলুষমুক্ত, পবিত্র ও সুন্দর করে তোলে।

অতএব, আমরা আখিরাতের প্রতি দৃঢ় ইমান আনব এবং আখিরাতে মুক্তির জন্য সৎ ও সুন্দর কাজ করব এবং ইসলামের বিধি-বিধান অনুসরণ করে জীবন-যাপন করব।

(৫) সৎকর্মশীল ও নৈতিকজীবন গঠনে আখিরাত বা পরকালে বিশ্বাসের গুরুত্ব

আখিরাত হলো পরকাল। মৃত্যুর পরবর্তী জীবনকে আখিরাত বলা হয়। আখিরাত হলো মানুষের অনন্ত জীবন। এটি চিরস্থায়ী। পক্ষান্তরে দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী। বস্তুত দুনিয়ার জীবন হলো আখিরাতের প্রস্তুতি গ্রহণের ক্ষেত্র।

বলা হয়,

“দুনিয়া হলো আখিরাতের শস্যক্ষেত্র।”

(প্রবাদ)

মানুষ শস্যক্ষেত্রে যেরূপ চাষাবাদ করে, বীজ বপন করে, যেভাবে পরিচর্যা করে; ঠিক সেরূপই ফল লাভ করে। যদি কোনো ব্যক্তি তার শস্যক্ষেত্রের পরিচর্যা না করে তবে সে ভালো ফসল লাভ করে না। তদ্রূপ দুনিয়ার কাজকর্মের প্রতিদান আখিরাতে দেওয়া হবে। দুনিয়াতে ভালো কাজ করলে আখিরাতে মানুষ পুরস্কৃত হবে। আর মন্দ কাজ করলে শাস্তি ভোগ করবে।

কবর, হাশর, মিযান, সিরাত, জান্নাত-জাহান্নাম ইত্যাদি আখিরাত জীবনের এক একটি পর্যায়। ইসলামি বিশ্বাস মোতাবেক, যে ব্যক্তি ইমান আনে, সৎকর্ম করে সে আখিরাতে শান্তিময় জীবন লাভ করবে। কবর থেকে শুরু করে আখিরাতের প্রতিটি পর্যায়ে সে সুখ, শান্তি ও সফলতা লাভ করবে। অন্যদিকে দুনিয়াতে যে ব্যক্তি অবাধ্য হবে, পাপাচার করবে সে আখিরাতের সকল পর্যায়ে কষ্ট ভোগ করবে। তার স্থান হবে জাহান্নাম।

মানবজীবন গঠনের জন্য আখিরাতে বিশ্বাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে জীবন পরিচালনায় নীতি ও আদর্শের অনুসরণ করতে বাধ্য করে। যে ব্যক্তি আখিরাতে বিশ্বাস করে সে প্রত্যহ তার প্রতিটি কাজের হিসাব নিজেই নিয়ে থাকে। এভাবে দৈনন্দিন আত্মসমালোচনার মাধ্যমে মানুষ তার ভুল-ত্রুটি শোধরিয়ে নিয়ে সৎচরিত্রবান হিসেবে গড়ে ওঠে।

আখিরাতে পুণ্যবানকে জান্নাতে প্রবিষ্ট করানো হবে। জান্নাত হলো চিরশান্তির স্থান। জান্নাত লাভের আশা মানুষকে দুনিয়ার জীবনে সৎকর্মশীল করে তোলে। মানুষ জান্নাত ও তার নিয়ামত প্রাপ্তির আশায় নেক আমল করে, ভালো কাজ করতে উৎসাহিত হয়। কেননা আল্লাহ তায়ালার প্রতি বিশ্বাস, ভালোবাসা ও সৎকর্ম ব্যতীত জান্নাত লাভ করা যায় না।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,

“নিশ্চয়ই যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত যার নিম্নদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত। এটাই মহাসাফল্য।”

(সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ১১)

এভাবেই পরকালীন জীবনে জান্নাত লাভের আশা মানুষকে সৎকর্মশীল হতে সাহায্য করে।

জাহান্নাম অতি কষ্টের স্থান। এতে রয়েছে সাপ, বিচ্ছু ও আগুনের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। দুনিয়ার জীবনের পাপী, অবাধ্য ও মন্দ আচরণের লোকদের পরকালে জাহান্নামে শাস্তি দেওয়া হবে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,

“অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করে এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দেয় জাহান্নামই হবে তার আবাস।”

(সূরা আন-নাযিআত, আয়াত ৩৭-৩৯)

জাহান্নামের শাস্তির ভয়ও মানুষকে অন্যায় ও পাপ থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করে। দুনিয়াতে আল্লাহ তায়ালার আদেশ না মানা, পার্থিব লোভ লালসার বশবর্তী হয়ে অন্যায় অনৈতিক কাজ করা ইত্যাদি জাহান্নামিদের কাজ। সুতরাং জাহান্নামের ভয়ে মানুষ এসব কাজ থেকে বেঁচে থাকে এবং আল্লাহ তায়ালার আনুগত্য করে।

আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে বড় বড় অন্যায় এবং অনৈতিক কাজের পাশাপাশি ছোট ছোট পাপ ও অসৎ কাজ থেকেও বিরত রাখে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,

“কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলেও তা সে দেখতে পাবে। আর কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও সে দেখবে।”

(সূরা আল-যিলযাল, আয়াত ৭-৮)

আল্লাহ তায়ালা পরকালে মানুষের সামান্যতম ভালো বা মন্দ কাজ সবই প্রদর্শন করবেন। অতঃপর এগুলোর পুরস্কার বা শাস্তি দেওয়া হবে। সুতরাং আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে ছোট-বড়, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব ধরনের অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং পাপমুক্ত, সৎকর্মশীল ও নৈতিক জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে।

আমরা আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করব এবং এ বিশ্বাসের আলোকে ইহকালে আমাদের জীবনকে পাপমুক্ত রাখব, সৎকর্মশীল হব এবং নৈতিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত হব।

অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

যাকাত শব্দের অর্থ, কী, কাকে বলে, যাকাত কেন দিতে হয় যাকাতের গুরুত্ব

যাকাত শব্দের অর্থ, কী, কাকে বলে, যাকাত কেন দিতে হয়? যাকাতের গুরুত্ব

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) যাকাত শব্দের অর্থ কী? (২) যাকাত কাকে বলে? (৩) যাকাত কি? (৪) যাকাত কেন দিতে হয়? (৫) যাকাতের গুরুত্ব Read
তায়াম্মুম কি ও কেন, তায়াম্মুমের ফরজ কয়টি, তায়াম্মুমের নিয়ম কি, তায়াম্মুম ভঙ্গের কারণ

তায়াম্মুমের ফরজ কয়টি? তায়াম্মুমের নিয়ম কি?

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) তায়াম্মুম কি ও কেন? (২) তায়াম্মুমের ফরজ কয়টি? (৩) তায়াম্মুমের নিয়ম কি? (৪) তায়াম্মুম ভঙ্গের কারণ Read
ওযুর সুন্নাত সমূহ কি কি

ওযুর সুন্নাত সমূহ কি কি?

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: হাদিস ও ইসলামী আলেমদের বর্ণনা অনুযায়ী ওযুর সুন্নাত সাধারণত ১৮টি বলে গণ্য করা হয়। নিচে সেই ১৮টি ওযুর সুন্নাত সমূহ কি কি, এগুলো বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো। Read
surah lahab bangla uccharon, সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ অর্থসহ

surah lahab bangla: সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) সূরা লাহাব সংক্ষিপ্ত পরিচিতি (২) তাব্বাত ইয়াদা সূরা বাংলা/tabbat yada surah bangla (৩) সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ/surah lahab bangla uchharon (৪) সূরা লাহাব বাংলা অনুবাদ সহ/সূরা লাহাব অর্থসহ (৫) সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ সহ ছবি HD (৬) surah lahab uccharon audio MP3 (৭) surah lahab in bangla video MP4 (৮) সূরা লাহাব এর শানে নুযুল (৯) সূরা লাহাব এর তাফসীর/ব্যাখ্যা (১০) সূরা লাহাব শিক্ষা Read
জুমার নামায ও জুমার খুতবার সুন্নাত, আদব ও মাসায়েল

জুমার নামায ও জুমার খুতবার সুন্নাত, আদব ও মাসায়েল

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) জুমার নামাযের সাধারন নিয়ম (২) জুমার নামাজ এর জামা’আত ওয়াজিব হওয়ার শর্তসমূহ (৩) জুমুআ সহীহ হওয়ার শর্তসমূহ (৪) জুমার খুতবার সুন্নাত, আদব ও মাসায়েল (৫) জুমার খুতবার সময় শ্রোতাদের করণীয় আমলসমূহ Read
শিয়া ও সুন্নিদের পার্থক্য কি

শিয়া ও সুন্নিদের পার্থক্য কি?

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) শিয়া ও সুন্নিদের পার্থক্য কি? (২) শিয়া ও সুন্নিদের মিল কি? (৩) তাহলে মোটা দাগে, শিয়া ও সুন্নিদের মাঝে মূল পার্থক্য কি থাকল? (৪) গুরুত্বপূর্ণ চারটি প্রশ্নের উত্তর প্রশ্ন: এই শিয়া সুন্নি বিভাজন কি ইসলাম ধর্ম নিজেই তৈরি করেছে? আরও স্পষ্ট করে বললে, আল্লাহ তায়ালা বা নবি মুহাম্মদ (সাঃ) কি নিজেই শিয়া সুন্নি বিভাজন তৈরি করে দিয়েছেন? প্রশ্ন: যদি শিয়া সুন্নি বিভাজন ইসলাম নিজে সৃষ্টি না করে থাকে, তাহলে কবে, কারা, কেন এটি সৃষ্টি করল? প্রশ্ন: ইসলামকে শিয়া ও সুন্নি এই সম্প্রদায়ে ভাগ করা, এটাকে কি ইসলাম সমর্থন করে? প্রশ্ন: ইসলামের সংজ্ঞা অনুযায়ী শিয়ারা কি মুসলিম? (৫) শেষ কথা Read
কাফের অর্থ কি, কাফের কাকে বলে, কাফের কারা, কাফের এর বৈশিষ্ট্যে সমূহ (সূরা বাকারা)

কাফের অর্থ কি? কাফের কাকে বলে? কাফের কারা? কাফের এর বৈশিষ্ট্যে সমূহ (সূরা বাকারা)

○ ইসলাম
অোলোচ্য বিষয়: (১) কাফের অর্থ কি? কাফের কাকে বলে? কাফের কারা? (২) কাফের এর বৈশিষ্ট্যে সমূহ Read
সূরা আল গাশিয়াহঃ অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ (informationbangla.com)

সূরা আল গাশিয়াহ: অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: সূরা আল-গাশিয়াহ কোরআনের গুরুত্বপূর্ণ সূরার একটি, যা মানুষের সর্বশেষ পরিণতি ও পার্থিব জীবনের হিসাব নিয়ে আলোচনা করে। এই পোস্টে আপনি পাবেন সূরা আল-গাশিয়াহ-এর বাংলা উচ্চারণসহ অর্থ, যাতে সহজে তা বোঝা যায়। Read
নামাযের ওয়াক্ত বা সময় কখন শুরু হয়, কোন নামায কত রাকাত পড়তে হয়

নামাযের ওয়াক্ত বা সময় কখন শুরু হয়? কোন নামায কত রাকাত পড়তে হয়?

আলোচ্য বিষয়: (১) ফজরের নামাযের ওয়াক্ত শুরুর সময় (২) জোহরের নামাযের ওয়াক্ত শুরুর সময় (৩) আসরের নামাযের ওয়াক্ত শুরুর সময় (৪) মাগরিবের নামাযের ওয়াক্ত শুরুর সময় (৫) ইশার নামাযের ওয়াক্ত শুরুর সময় Read
সূরা কাফিরুন, sura kafirun bangla, সূরা কাফিরুন বাংলা উচ্চারণ, kafirun sura

সূরা কাফিরুন বাংলা উচ্চারণ (sura kafirun bangla, kafirun sura)

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) sura kafirun bangla/surah al kafirun bangla/surah kafirun in bangla/kafirun surah bangla (২) সূরা কাফিরুন আরবি (৩) সূরা কাফিরুন বাংলা উচ্চারণ/সূরা আল কাফিরুন বাংলা উচ্চারণ (৪) সূরা কাফিরুন এর অর্থ/sura kafirun bangla meaning (৫) কাফিরুন সূরা বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ ছবি (৬) kafirun sura uccharon audio (৭) সুরা কাফিরুন বাংলা অর্থ সহ উচ্চারণ ভিডিও (৮) সূরা কাফিরুন এর ফজিলত (৯) সূরা আল কাফিরুন এর শানে নুযুল (১০) সূরা কাফিরুন এর ব্যাখ্যা/তাফসীর (১১) kafirun sura er sikkha Read