“আজওয়া খেজুর খেলে বিষ কাজ করে না” হাদিসে সঠিক ব্যাখ্যা কি?

আজওয়া খেজুর খেলে বিষ কাজ করে না হাদিসে সঠিক ব্যাখ্যা কি

🛑 আজওয়া খেজুর খেলে কি সত্যিই বিষ কাজ করে না? নাস্তিকদের ভুল ধারণা ও হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ!

আজকে আমরা এমন একটি বিষয় নিয়ে কথা বলব, যা নিয়ে আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর আলোচনা হয়, তর্ক হয়, আর অনেক মুসলিম ভাই-বোনকে বিব্রত করা হয়। বিষয়টি হলো— আজওয়া খেজুর নিয়ে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বিখ্যাত হাদিস।

হাদিসটি খুবই সরল, কিন্তু কিছু মানুষ সেটাকে ভুলভাবে বুঝে অথবা উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভুল বুঝিয়ে ইসলামের ওপর আঘাত হানতে চায়। তাদের মূল অভিযোগটা হলো, যদি সত্যি সত্যি আজওয়া খেজুর খেলে বিষ কাজ না করে, তাহলে তারা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়: “আরে বাবা! খেজুর খাওয়ার পর বিষ খেয়ে দেখাও তো দেখি! যদি না মরো, তবেই মানবো!”

এই ধরনের কথা শুনে আমাদের মন খারাপ হয়। কারণ তারা ইসলামকে বোঝার চেষ্টা করে না, বরং হাসি-তামাশা করার সুযোগ খোঁজে। তাদের এই ধরনের চিন্তাভাবনা থেকেই বোঝা যায় যে, তাদের মগজে চিন্তাশীলতার অভাব এবং ধর্মীয় বিষয় বোঝার ক্ষেত্রে বিরাট ভুল রয়েছে।

আসুন, আমরা খুব সহজ ভাষায় ধাপে ধাপে জেনে নেই— ইসলাম এই বিষয়ে কী বলে, এবং আসল সত্যটা কী।

১. আজওয়া খেজুর বিষয়ে নবীজির (সা.) মূল বক্তব্য কী ছিল?

আজওয়া খেজুর হলো মদিনার একটি বিশেষ ধরনের খেজুর, যা অত্যন্ত উৎকৃষ্ট ও বরকতময়। এই খেজুর নিয়ে নবীজি (সা.) যে কথাটি বলেছেন, তা অসংখ্য সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।

আমরা প্রথমে কিছু বিশুদ্ধ হাদিস জেনে নেই-

ক. বিষ ও জাদু থেকে সুরক্ষা

  • সহিহ বুখারি, হাদিসঃ ৫৪৪৫, ও সহিহ মুসলিম, হাদিসঃ ৫২৩৪: সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি প্রত্যেকদিন সকালবেলায় সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন কোন বিষ ও যাদু তার ক্ষতি করবে না।”

এই হাদিসটি একদম স্পষ্ট। নবীজি (সা.) আজওয়া খেজুরের একটি বিশেষ উপকারিতার কথা বলেছেন।

খ. আরোগ্য বা শেফা দানকারী

  • সহিহ মুসলিম, হাদিসঃ ৫২৩৬: ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “মাদীনার উঁচু ভূমির ‘আজওয়াহ্‌ খেজুরে শিফা (রোগমুক্তি) রয়েছে। কিংবা তিনি বলেছেন, এগুলো প্রতি সকালে খাবারে বিষমুক্ত ঔষধের কাজ করে।”
  • সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিসঃ ৩৪৫৩: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “‘আজওয়া’ হলো জান্নাতের খেজুর এবং তা উন্মাদনার প্রতিষেধক।”
  • জামে আত তিরমিজি, হাদিসঃ ২০৬৬: আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আজওয়া হচ্ছে জান্নাতের খেজুরবিশেষ এবং এর মধ্যে বিষের প্রতিষেধক রয়েছে।”

এই হাদিসগুলো গভীরভাবে লক্ষ্য করুন। প্রথম হাদিসটি সুরক্ষা দিলেও, পরের হাদিসগুলোতে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে আজওয়া খেজুরে “শিফা” (রোগমুক্তি) আছে এবং এটি “বিষমুক্ত ঔষধের কাজ করে”

২. নাস্তিকদের “বিষ” আর হাদিসের “বিষ” কি এক?

যেসব মানুষ ইসলামকে আক্রমণ করতে চায়, তারা এই ‘বিষ’ (Poison) মানে বুঝেছে এমন “বিষাক্ত বিষ” যা খেলে মানুষ সাথে সাথেই মারা যাবে (যেমন কীটনাশক বা সায়ানাইড)। আর এখানেই তাদের সবচেয়ে বড় ভুল।

ভাই ও বোনেরা, চিন্তা করুন-

ক. হাদিসের বিষ মানে রোগজীবাণুর বিষ (Toxin)

যখন নবীজি (সা.) আজওয়া খেজুরকে শিফা (রোগমুক্তি) বলেছেন এবং বলেছেন এটি “বিষমুক্ত ঔষধের কাজ করে”, তখন তিনি আসলে মানবদেহের ভেতরের দুর্বলতা, রোগজীবাণু বা টক্সিনের (ক্ষতিকর বর্জ্য) কথা বুঝিয়েছেন।

আমরা যখন অসুস্থ হই, তখন শরীর দুর্বল হয়। এটাই হলো রোগজীবাণুর বিষ। আজওয়া খেজুর খেলে আমাদের শরীরে এমন রোগ নিরাময়কারী গুণাগুণ তৈরি হয়, যা এই বিষাক্ত জীবাণুকে ধ্বংস করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে। এই কারণেই নবীজি (সা.) বলেছেন, এটি খেলে “রোগজীবাণুর বিষ আর কাজ করবে না।”

খ. বিষাক্ত বিষ পান করা ইসলামে চরম হারাম

নবীজি (সা.) কখনোই একজন মানুষকে নিজের হাতে বিষাক্ত বিষ পান করে আত্মহত্যা করার অনুমতি দিতে পারেন না। কারণ এটি ইসলামের মূল শিক্ষার পরিপন্থী।

  • আল-কুরআন, সুরা বাকারা ২:১৯৫: আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: “তোমরা নিজেদের জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিও না।”
  • সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিসঃ ৩৪৬০: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিষপান করে আত্মহত্যা করলো, সে অনন্তকালের জন্য জাহান্নামী হয়ে এই বিষ গলাধঃকরণ করতে থাকবে।”
  • জামে আত তিরমিজি, হাদিসঃ ২০৪৩: এখানেও বলা হয়েছে যে, যে লোক বিষপান করে আত্মহত্যা করবে, সে চিরকাল জাহান্নামে থাকবে এবং সর্বদা এই বিষ গলাধঃকরণ করতে থাকবে।

সোজা কথা: ইসলাম সরাসরি বলছে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করা হারাম এবং এর পরিণতি জাহান্নাম। এখন ভাবুন তো, যদি আজওয়া খেজুর বিষকে পুরোপুরি অকেজো করত, তাহলে বিষ খেয়ে যে ব্যক্তি মারা গেল, সে কেন জাহান্নামে গেল? নবীজির কথা কি তাহলে ভুল হলো? কখনোই না! কারণ নবীজি (সা.) বিষের মাধ্যমে আত্মহত্যা করতে নিষেধ করেছেন। তিনি শুধুমাত্র রোগের প্রতিষেধক হিসাবে আজওয়ার গুণাগুণ বুঝিয়েছেন।

সুতরাং, কেউ যদি নির্বোধের মতো বিষাক্ত বিষ খেয়ে আজওয়া খেজুর খায় এবং সে মারা যায়, তাহলে সেটা তার দোষ। কারণ সে ইসলামের মূল বিধান (আত্মহত্যা হারাম) লঙ্ঘন করেছে।

৩. যুক্তি ও ইতিহাসের নিরিখে উত্তর

আমরা একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে যুক্তিটা আরও পরিষ্কার করি।

উদাহরণ: ধরুন আপনি কারও দেশপ্রেমের ভাষণ শুনলেন। ভাষণ শুনে আপনার মনে এমন শক্তি উৎপন্ন হলো যে আপনি বললেন, “এই ভাষণ শুনলে আমাদের মনোবল এতটাই বেড়ে যায় যে, কোনো কিছুই আমাদের দমাতে পারবে না!”

এখন যদি কোনো নির্বোধ মানুষ এসে প্রশ্ন করে: “যদি এতই শক্তি আসে, তবে বিষ খান তো দেখি! আপনার সেই মনোবল আপনাকে বিষ থেকে বাঁচাতে পারে কিনা?”

চিন্তাশীল মানুষ instantly বুঝে যাবে যে তার প্রশ্নটা অযৌক্তিক। মনোবল বাড়ে মানে আত্মিক শক্তি বাড়ে, তার মানে এই নয় যে আপনি ফিজিক্যালি অমর হয়ে গেলেন বা আপনার শরীর বুলেটপ্রুফ হয়ে গেল!

ঠিক একইভাবে, নবী মুহাম্মদ (সা.) আজওয়া খেজুরের রোগ নিরাময়কারী (Healing) ও রোগ প্রতিরোধী (Immunity) গুণাগুণ বর্ণনা করেছেন। আর নাস্তিক বন্ধুরা বলছে, “মারাত্মক বিষ খেয়ে প্রমাণ দিন।” এটি খুবই হাস্যকর এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ।

ইতিহাসের কী বলে?

নবীজির সময় আরবের কাফেররা ছিল ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু। তারা সুযোগ পেলেই নবীজিকে মিথ্যা প্রমাণ করার চেষ্টা করত।

যদি হাদিসের মানে সত্যি সত্যিই হতো যে “বিষ খেলেও বাঁচা যায়,” তাহলে তারা কি চুপ থাকত? অবশ্যই না! তারা যেকোনো মুসলিমকে ধরে চ্যালেঞ্জ করত: “ওহে আব্দুল্লাহর পুত্র! তুমি বলেছ খেজুর খেলে বিষ কাজ করে না। এই নাও বিষ, খেয়ে প্রমাণ কর!”

কিন্তু ইতিহাসে এমন একটি ঘটনাও ঘটেনি। কারণ কাফের, মুশরিক বা তৎকালীন ইসলাম বিদ্বেষীরাও এই হাদিসের মর্মার্থ জানত—এটা হলো রোগের প্রতিষেধক এবং রোগ থেকে সুরক্ষার জন্য, আত্মহত্যার জন্য নয়।

৪. আজওয়া খেজুরের মূল উপকারিতা

আমরা এতগুলো বিশুদ্ধ হাদিস, কুরআনের আয়াত এবং যুক্তি হাতে রেখে দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি-

১. আজওয়া খেজুর খেলে রোগজীবাণুর বিষ শরীরে কোনো ক্ষতি করতে পারবে না তথা ধ্বংস হয়ে যায়— এটাই হাদিসে বুঝানো হয়েছে।

২. যেসকল মানুষ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় যে, “আজওয়া খেজুর খেলে বিষাক্ত বিষ কাজ করবে না”— তারা নিজেরাই ভুল ব্যাখ্যা করছে। এর পক্ষে কুরআন বা হাদিসের কোনো প্রমাণ নেই।

৩. বিষাক্ত বিষ সেবন করা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম (নিষিদ্ধ)। তাই মুসলিমদের বিষ খেতে বলা একটি ইসলামবিরোধী কাজ করতে বলা।

৪. যদি যুক্তির খাতিরে ধরেও নেই যে এখানে বিষাক্ত বিষের কথাই বলা হয়েছে, তাহলে এটা মোজেজা বা অলৌকিকতার মধ্যে পরবে। মোজেজা আল্লাহ যখন চান, তখনই ঘটে। কিন্তু আমাদের সাধারণ জীবন যাপন করতে হবে কারণ বা মাধ্যম (আসবাব) এর উপর নির্ভর করে। আর সেই কারণের হিসেবে বিষ পান করা হারাম।

৫. নবীজি (সা.) বিষপান করা রোগীকে কখনো বলেননি যে, তুমি আজওয়া খাও, বিষক্রিয়া নষ্ট হয়ে যাবে। তিনি এই খেজুরের উপকারিতা বর্ণনা করেছেন প্রতিদিনের সুস্থতার জন্য।

উপসংহার

প্রিয় পাঠক, ইসলাম একটি সম্পূর্ণ জীবনব্যবস্থা। এটি কখনোই আমাদের ধ্বংসের পথে ঠেলে দিতে বলে না। আজওয়া খেজুর একটি বরকতময়, পুষ্টিগুণসম্পন্ন ফল, যা আমাদের শরীরকে রোগজীবাণু ও দুর্বলতা থেকে সুরক্ষা দেয়— এটাই হলো হাদিসের মূল শিক্ষা।

যারা এই সহজ কথাটা না বুঝে, নিজেদের অজ্ঞতা থেকে ইসলামকে চ্যালেঞ্জ করে, তাদের কথায় কান দেবেন না। আমরা সঠিক প্রমাণের ভিত্তিতেই দৃঢ়ভাবে বলতে পারি যে, নবীজি (সা.) আজওয়া খেজুরের রোগমুক্তকারী গুণাগুণই বুঝিয়েছেন, ক্ষতিকর বিষাক্ত বিষের প্রতিষেধক হিসাবে নিজে আত্মহত্যা করার অনুমতি দেননি। আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন। (আমিন)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

informationbangla.com default featured image compressed

নামায পড়ার নিয়মঃ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) নামায পড়ার নিয়ম ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা (২) মুক্তাদী-র জন্য মাসআলা মাসায়েল (৩) জামাতের নামাজ সম্পূর্ণ না পাওয়া বা নামাজ ছুটে গলে তার মাসআলা মাসায়েল (৪) ইমামের জন্য মাসআলা মাসায়েল (৫) নামাযে মনোযোগ সৃষ্টির জন্য যা যা করণীয় Read
কোরআন বলে আল্লাহ আদম হাওয়া থেকে সমগ্র মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ আর বিজ্ঞান

পবিত্র কোরআন বলে “আল্লাহ আদম হাওয়া থেকে সমগ্র মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ” আর বিজ্ঞান থেকে ডারউইন বলে “বানর থেকে বিবর্তনের মাধ্যমে মানুষ এসেছে” কোনটি সঠিক…?

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: মানুষ কি বানর থেকে এসেছে নাকি আদম-হাওয়ার সন্তান? বিজ্ঞান বনাম বিশ্বাস—আসুন সত্যটা জানি। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। বন্ধুরা, informationbangla.com এর আজকের ব্লগে আমরা এমন একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যা নিয়ে আমাদের অনেকের মনেই হাজারো প্রশ্ন ঘোরে। ছোটবেলা থেকেই পাঠ্যবই বা বিভিন্ন আলোচনায় আমরা দুই ধরণের কথা শুনে আসছি। একদিকে ধর্ম বা পবিত্র কোরআন বলছে, "মহান আল্লাহ তায়ালা হযরত আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ) থেকে সমগ্র মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন।" আবার অন্যদিকে বিজ্ঞানের বইতে ডারউইনের তত্ত্ব বা বিবর্তনবাদ নিয়ে পড়ানো হয়, যেখানে বলা হয়— "বানর বা শিম্পাঞ্জি জাতীয় প্রাণী থেকে পরিবর্তনের মাধ্যমে বা বিবর্তনের মাধ্যমে আজকের মানুষ এসেছে।" এখন প্রশ্ন হলো, কোনটা সঠিক? আমাদের বিশ্বাস কি ভুল? নাকি বিজ্ঞানের ওই তত্ত্বটি ভুল? চলুন, আজ খুব সহজ ভাষায়, লজিক বা Read
কুরআন অর্থ, কি, কাকে বলে পবিত্র কুরআনের সংক্ষিপ্ত পরিচয়

কুরআন অর্থ, কি, কাকে বলে? পবিত্র কুরআনের সংক্ষিপ্ত পরিচয়

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) কুরআন অর্থ কি? (২) কুরআন কি/কাকে বলে? (৩) আল কুরআন কোথায় সংরক্ষিত ছিল? (৪) সর্বপ্রথম আল কুরআন কোথায় কখন অবতীর্ণ হয়? (৫) কুরআনের সূরা কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি? (৬) কুরআনের আয়াত সংখ্যা কত? (৭) আল-কুরআনের নাম কি কি? (৮) আল-কুরআনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা (৯) আল-কুরআনের শিক্ষা (১০) কুরআন পাঠে তাজবিদের গুরুত্ব (১১) কুরআন তিলাওয়াতের আদব (১২) আল-কুরআন ও নৈতিক শিক্ষা Read
কিয়াস শব্দের অর্থ কি, কিয়াস কি, কিয়াস কাকে বলে, কিয়াসের-এর দলিল, উৎপত্তি, গুরুত্ব ও

কিয়াস শব্দের অর্থ কি? কিয়াস কি? কিয়াস কাকে বলে? কিয়াসের-এর দলিল, উৎপত্তি, গুরুত্ব ও নীতমালা

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) কিয়াস শব্দের অর্থ কি? কিয়াস কি? কিয়াস কাকে বলে? (২) কিয়াস শরীয়তের উৎস হবার ব্যাপারে দলিল (৩) কিয়াসের উৎপত্তি (৪) কিয়াসের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব (৫) কিয়াসের-এর নীতমালা Read
কুলক্ষণ ও সুলক্ষণ, রাশি ও গ্রহ-নক্ষত্র, হস্তরেখা, রত্ন ও পাথর, বস্তুর বিশেষ ক্ষমতা, রোগ সংক্রমণ

বস্তুর ক্ষমতা, রোগ সংক্রমণ, রাশি ও গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাব, হস্তরেখা বিচার, রত্ন ও পাথরের প্রভাব, তাবীজ ও ঝাড়-ফুঁক, নযর ও বাতাস লাগা, কুলক্ষণ ও সুলক্ষণ ইত্যাদি সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, আজকের এই পোষ্টটিতে আমরা বস্তুর ক্ষমতা, রোগ সংক্রমণ, রাশি ও গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাব, হস্তরেখা বিচার, রত্ন ও পাথরের প্রভাব, তাবীজ ও ঝাড়-ফুঁক, নযর ও বাতাস লাগা, কুলক্ষণ ও সুলক্ষণ ইত্যাদি সম্পর্কে ইসলাম কি বলে, তা সম্পর্কে আলোচনা করব, ইশাআল্লাহ। চলুন শুরু করা যাক- Read
রোজা ভঙ্গের কারণরোযা ভঙ্গের কারণ (6টি তালিকা) তে মোট (71টি কারণ) (1)

রোজা ভঙ্গের কারণ/রোযা ভঙ্গের কারণ (6টি তালিকা) তে মোট (71টি কারণ)

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: রোজা ভঙ্গের কারণ/রোযা ভঙ্গের কারণ এর ৬টি স্বতন্ত্র তালিকা তে মোট (৭১টি কারণ) উল্লেখ করা হয়েছে। Read
তায়াম্মুম কি ও কেন, তায়াম্মুমের ফরজ কয়টি, তায়াম্মুমের নিয়ম কি, তায়াম্মুম ভঙ্গের কারণ

তায়াম্মুমের ফরজ কয়টি? তায়াম্মুমের নিয়ম কি?

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) তায়াম্মুম কি ও কেন? (২) তায়াম্মুমের ফরজ কয়টি? (৩) তায়াম্মুমের নিয়ম কি? (৪) তায়াম্মুম ভঙ্গের কারণ Read
ঈদের তাকবীর কখন দিতে হয়, বাংলা উচ্চারণসহ নিয়ম বর্ণনা

ঈদের তাকবীর কখন দিতে হয়? বাংলা উচ্চারণসহ নিয়ম বর্ণনা

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) ঈদের তাকবীর কখন দিতে হয়? (২) ঈদের তাকবীর বাংলা উচ্চারণ (৩) দুই ঈদের তাকবীর দেওয়ার সময় কি একই? (৪) ঈদের তাকবীর পড়ার নিয়ম (৫) ঈদের তাকবীর দেওয়ার তাৎপর্য (৬) ঈদের তাকবীরের ইতিহাস Read
surah lahab bangla uccharon, সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ অর্থসহ

surah lahab bangla: সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) সূরা লাহাব সংক্ষিপ্ত পরিচিতি (২) তাব্বাত ইয়াদা সূরা বাংলা/tabbat yada surah bangla (৩) সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ/surah lahab bangla uchharon (৪) সূরা লাহাব বাংলা অনুবাদ সহ/সূরা লাহাব অর্থসহ (৫) সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ সহ ছবি HD (৬) surah lahab uccharon audio MP3 (৭) surah lahab in bangla video MP4 (৮) সূরা লাহাব এর শানে নুযুল (৯) সূরা লাহাব এর তাফসীর/ব্যাখ্যা (১০) সূরা লাহাব শিক্ষা Read
informationbangla.com default featured image compressed

ছাগল কোরবানির নিয়ম

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: নিম্নে ছাগল কোরবানির নিয়মসমূহ তুলে ধরা হলো- (১) যেভাবে ছাগল কুরবানি করতে হবে (২) ছাগলের যেসব ত্রুটি থাকলে কোরবানি দেওয়া যাবে না (৩) ছাগলের যেসব ত্রুটি থাকলেও সেই ছাগলকে কোরবানি দেওয়া যাবে Read