উপকূলীয় বনায়ন করার পদ্ধতি ও উপায়

উপকূলীয় বনায়ন

(১) উপকূলীয় বনায়নের ধারণা

বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলসমূহে লবণাক্ততা ও উপর্যুপরি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে প্রাকৃতিক বন রক্ষা ও সৃষ্টি হুমকীর মুখে পতিত হয়েছে। এসব উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশগত ভারসাম্য সারা দেশের পরিবেশের উপর নানা ভাবে প্রভাব বিস্তার করে থাকে।

এজন্য বিস্তৃর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা রোধী, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ে টিকে থাকতে পারে এমন বৃক্ষ প্রজাতি রোপণ এবং লবণাক্ততা সহ্যকারী ফসলের চাষ করে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী সৃষ্টি করা আবশ্যক।

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে মানুষ, পশু-পাখি ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা ছাড়াও উপকূলবাসী আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারবে।

(২) উপকূলীয় বনায়নের জন্য ব্যবহৃত গাছের বৈশিষ্ট্য

উপকূলীয় বনাঞ্চলকে লোনামাটির অঞ্চলও বলা হয়।

আমাদের বাংলাদেশের লোনা মাটির অঞ্চল বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, বরিশালের সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা ও তৎসংলগ্ন জেগে উঠা চরাঞ্চলসমূহ।

এসব অঞ্চলের প্রধান প্রধান বৃক্ষ প্রজাতিসমূহ – নারিকেল, আমড়া, খেজুর, বাবলা, কাজুবাদাম, শিরিষ, রেইনট্রি, তাল, তেঁতুল, সুপারি, জলপাই ইত্যাদি।

তবে উপকূলীয় অঞ্চলের উদ্ভিদ হিসাবে ঝাউ ও দেবদারু গাছও উল্লেখযোগ্য। এসব উদ্ভিদের মরুজ বৈশিষ্ট্য থাকায় লবণাক্ততা সহ্য করে উপকূলীয় আবহাওয়ার সাথে সহজে খাপখাইয়ে নিতে পারে।

উপকূলীয় অঞ্চলের অধিক লোনাযুক্ত মাটিতে সুন্দরি, গেওয়া, কেওড়া, কাঁকড়া, বাইন, গরান, গোলপাতা ইত্যাদি ভালো জন্মে। লবণাক্ততার সাথে খাপখাওয়াতে এসব উদ্ভিদের বিশেষ বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

  • উপকূলীয় বনায়নের জন্য বেশি এলাকা জুড়ে শিকড় বিস্তৃত থাকে এরকম গাছ নির্বাচন করতে হবে। এ জন্য উপকূলীয় বনে নারিকেল, সুপারি বা অন্যান্য একবীজপত্রী উদ্ভিদের পরিমাণ বেশি থাকা বাঞ্চনীয়। এদের শিকড় অনেক এলাকা জুড়ে থাকে বলে মাটির ক্ষয় রোধ করা সহজ হয়। তবে উপকূলীয় বাঁধের বনায়নের ক্ষেত্রে সড়কের পাশের মতো একাধিক স্তরে গাছ লাগাতে হবে। এতে মাটি ক্ষয় কম হবে।
  • অন্যান্য বাঁধের মতো উপকূলীয় বাঁধের ক্ষেত্রে যেখানে গাছ লাগানো হয় সে স্থান বেশ ঢালু হয়। তাই সারিবদ্ধভাবে গাছ লাগাতে হবে। প্রথম লাইন যেখান থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় লাইন তার বরাবর না হয়ে মধ্যবর্তী স্থান থেকে শুরু করা হয়। দূরে দূরে গাছ লাগানো হলেও প্রকৃত পক্ষে একটি চারা থেকে অন্য চারার দূরত্ব হবে ২ মিটার × ১ মিটার। এর ফলে মাটির ক্ষয়রোধ ক্ষমতা বাড়বে।
  • উপকূলীয় উদ্ভিদের মরুজ বৈশিষ্ট্য থাকে, যেমন পাতার কিউটিকল স্তর খুব পুরু হয়। এ কারণে এসব উদ্ভিদ খরা প্রতিরোধক হয়।
  • ঘূর্ণিঝড় সাইক্লোনের মতো দুর্যোগ মোকাবেলা করে টিকে থাকতে পারে। কারণ এসব উদ্ভিদের কাণ্ড বেশ লম্বা ও শক্ত হয় এবং শাখা-প্রশাখা কম হয়। যেমন- নারিকেল, গজারি, খেজুর, তাল, ঝাউ, আকাশমনি, বাবলা, দেবদারু প্রভৃতি।
  • উপকূলীয় বাঁধসমূহ দুর্যোগের সময় গরু-ছাগলের আশ্রয় কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার হয় কাজেই গাছ লাগানোর সময় গো-খাদ্য হিসাবে ব্যবহার হয় এরকম গাছও লাগাতে হয়। যেমন- ইপিল ইপিল, আকাশমনি, ধৈঞ্চা প্রভৃতি।
  • যে সব উদ্ভিদ জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে উপকূলীয় বনায়নের জন্য সে সব উদ্ভিদ লাগাতে হবে।
  •  উপকূলীয় বনায়নে শক্ত ও লম্বা কাণ্ড এবং ছোট পাতা ও ডালপালা কর্তন সহনীয় গাছ নির্বাচন করতে হবে। যেমন- শিশু, বাবলা, কড়ই, খেজুর, তাল ইত্যাদি উদ্ভিদ।

(৩) ঝাউ গাছ লাগানোর নিয়ম

ঝাউ গাছ লাগানোর নিয়ম

বর্ণনা: ঝাউ বৃহদাকার চিরসবুজ বৃক্ষ। উচ্চতা ১৫-১৮ মিটারের মতো হয়ে থাকে। বাকল বাদামি ও অমসৃণ। কাঠ খুব শক্ত তবে ফেটে যায়। মে মাসে ফুল হয়। ফল পাকতে এক বছর সময় লাগে। ঝাউ গাছ বনায়নের জন্য বেলেমাটি খুবই কার্যকরী।

প্রাপ্তিস্থান: প্রধানত উপকূলীয় এলাকা তবে দেশের বিভিন্ন স্থানেও ঝাউ গাছ জন্মে থাকে।

বীজ: মে-জুন মাসে-বীজ সংগ্রহ করা হয়।

চারা উত্তোলন: ফেব্রুয়ারি মাসে ঝাউয়ের চারা উত্তোলন করা হয়।

বীজ সংগ্রহ পদ্ধতি: ফল সরাসরি গাছ থেকে পাড়তে হয়। ডালের গোড়ার ফল ভালো পরিপক্ক হয় তাই এ ফল সংগ্রহ করা উত্তম। ২-৩ দিন রোদে শুকিয়ে লাঠি দিয়ে মাড়াই করে বীজ থেকে খোসা আলাদা করা হয়।

বীজ সংরক্ষণ: বীজ রোদে শুকিয়ে বায়ুরোধক পাত্রে ৫-৭ মাস সংরক্ষণ করা যায়।

বীজ বপন পদ্ধতি: জানুয়ারি- ফেব্রুয়ারি মাসে বীজতলায় অথবা পলিব্যাগে বীজ বপন করা হয়। বীজতলা ও পলিব্যাগে পরিশোধিত বালির সাথে মিশিয়ে বীজ বপন করা সুবিধাজনক। বীজ গজাতে ২৫-৩০ দিন সময় লাগে। চারা গজানোর আগেই ছায়া প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪০-৫০ দিন পর ছায়া প্রদানের ব্যবস্থা সরিয়ে ফেলতে হবে।

চারা বাছাই ও রোপণ পদ্ধতি: বীজতলায় অতিরিক্ত চারা গজালে কিছু চারা তুলে ফেলতে হয়। আগাছা বাছাই করতে হয়। পলিব্যাগে চারার শিকড় পলিব্যাগের বাইরে এলে কেটে দিতে হয়। ঝাউ গাছ দ্রুত বর্ধনশীল গাছ। ৬ মাস বয়সী বড় চারা রোপণ করা উত্তম। বালিয়াড়ি ও লোনা মাটিতে ঝাউ গাছ ভালো হয়। এ জন্য উপকূলীয় অঞ্চলের বনায়নের ঝাউ গাছ লাগানো হয়।

ব্যবহার: কোনাকৃতি বিশিষ্ট হওয়ায় সৌন্দর্যের জন্য সড়ক, মহাসড়কের পাশে রোপণ করা হয়। মাটিতে নাইট্রোজেন উৎপাদনের ক্ষমতা থাকায় এ গাছ উপকূলীয় অঞ্চলে বেশি লাগানো হয়। জ্বালানি হিসাবে এ কাঠ উৎকৃষ্ট। কাঠ খুব শক্ত তাই খুঁটি ও খড়িকাঠ হিসাবেও ব্যবহার হয়।

(৪) দেবদারু গাছের বৈশিষ্ট্য ও রোপন পদ্ধতি

দেবদারু গাছের বৈশিষ্ট্য ও রোপন পদ্ধতি

বর্ণনা: চির হরিৎ বৃক্ষ, কাণ্ড মোটা, সোজা ও অতি উঁচু হয়। সাধারণত শোভাবর্ধন হিসাবে রোপণ করা হয়ে থাকে। গাছ ৫০-৬০ মিটার লম্বা হয় এবং ৫০০-৬০০ বছর পর্যন্ত জীবিত থাকে। পাতাগুলো গাঢ় সবুজ, যৌগিক, দেখতে অনেকটা বর্শার মতো কিন্তু কিনারা ঢেউ খেলানো। সাধারণত অক্টোবর মাসে ফুল হয়, ফল পাকে দেরিতে। বাংলাদেশের সব অঞ্চলেই এ গাছ পাওয়া যায়।

বীজ সংগ্রহের সময় : জুলাই-আগস্ট।

বীজ সংগ্রহ পদ্ধতি: পাকা ফল কালো রঙের হয়। ফল পাকলে গাছ থেকে বা গাছ তলা থেকে সংগ্রহ করে বস্তায় রেখে পচিয়ে পানিতে ধুয়ে বীজ সংগ্রহ করতে হয়। দেবদারু বীজ সংরক্ষণ করা যায় না বলে সংগ্রহ করার সাথে সাথে তা বীজ তলায় বা পলিব্যাগে বপন করতে হয়।

বীজ বপন পদ্ধতি: প্রতি পলিব্যাগে ২টি করে বীজ বপন করতে হয়। প্রাথমিকভাবে ছায়ার ব্যবস্থা করতে হয়। বীজের অঙ্কুরোদগম হার শতকরা ৯০ ভাগ। ৭-১৫ দিনের মধ্যে অঙ্কুরোদগম সম্পন্ন হয়।

রোপণের সময় চারার বয়স: দেড় থেকে দুই বছর বয়সের চারা সড়কের পাশে, বাগানের ও উপকূলীয় অঞ্চলে জুন-জুলাই মাসে রোপণ করা উত্তম।

ব্যবহার: দেবদারু কাঠ হালকা ও নরম। টিনের ধারের ফ্রেম, পাটাতন, দেশলাই ও প্যাকিং বক্স তৈরিতে দেবদারু কাঠ ব্যবহার হয়। কাগজের মণ্ড তৈরিতেও দেবদারু কাঠ ব্যবহৃত হয়।

(৫) উপকূলীয় বনায়নের উপযোগিতা

উপকূলীয় বনায়নের মাধ্যমে সবুজ বেষ্টনী তৈরি ও তা সংরক্ষণ করা গেলে বহুবিধ উপকার সাধিত হবে।

উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা ভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন ও টর্নেডোর প্রকোপ থেকে উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষা করা।

জ্বালানি ও খাদ্যের চাহিদা মোটানো, অর্থ উপার্জন, ভূমিক্ষয় রোধ ইত্যাদি প্রয়োজনে উপকূলীয় বনায়ন সৃষ্টি ও তা রক্ষণাবেক্ষণ করা একান্ত অপরিহার্য।

উপকূলীয় বনাঞ্চলের উপযোগিতা সমূহ বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে নিম্নরূপ উপায়ে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।

ক) পরিবেশগত উপযোগিতা

  • এ বনাঞ্চলের বৃক্ষরাজি উপকূল অঞ্চলের ভূমিক্ষয় রোধ করে। ভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। ভূ-নিম্ন স্থ পানির স্তর বৃদ্ধি করে।
  • ভূমির লবণাক্ততা হ্রাস করে পরিবেশ জীবকুলের বাস উপযোগী করতে সাহায্য করে।
  • পরিবেশের অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় রাখে, উত্তাপ সৃষ্টি রোধ করে এবং বাতাস পরিশোধন করে।
  • উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী উপকূলীয় অঞ্চলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও সাইক্লোনের কবল থেকে মানুষ ও জীব জন্তুকে রক্ষা করে।
  •  ভূমিধ্বস, বালিয়াড়ি ও ঝড়রোধ করে এবং বৃষ্টিপাত হতে সহায়তা করে।
  • এ বনাঞ্চল মানুষ, পাখি, জীবজন্তু ও পোকামাকড়ের নিরাপদ আবাস তৈরি ও রক্ষা করে এবং খাদ্যের যোগান দেয়। ফলে অত্র এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় থাকে।
  • উপকূলীয় বনায়ন আমাদের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ সুন্দরবন ও এর জীবজন্তুকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পৃথিবী বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ বন হিসাবে খ্যাত এ সুন্দরবনকে রক্ষা করতে উপকূলীয় সাভানা বেষ্টনী সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই।

খ) নান্দনিক উপযোগিতা

উপকূলীয় বনায়নের ফলে যে নির্মল সবুজ বেষ্টনী তৈরি হয় তার নান্দনিক সৌন্দর্য অভূতপূর্ব। এ সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে দেশ-বিদেশের বহু ভ্রমণ বিলাসী মানুষের সমাগম ঘটে। হরেক রকম পশুপাখির আবাসস্থল তৈরি হয় যা পরিবেশের অসীম উপকার সাধন করে এবং নান্দনিকতায় নবতর সংযোজন ঘটায়।

গ) অর্থনৈতিক উপযোগিতা

  • উপকূলীয় বনাঞ্চলে বৃক্ষরাজির অর্থনৈতিক উপযোগিতা অপরিসীম। এ বনাঞ্চলে ভ্রমণকারী দেশ-বিদেশের পর্যটকদের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের পথ সম্প্রসারিত হয়। যার ফলে জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসে।
  • ফলজ উদ্ভিদ যেমন- নারিকেল, খেজুর, তাল, কলা, আম প্রভৃতি থেকে উৎপাদিত ফসল উপকূলীয় মানুষের খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে এবং অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটায়।
  • বনাঞ্চলে উৎপাদিত মধু ও মোম থেকে অর্থ উপার্জিত হয়। ফুল, ফল ও পল্লবগুচ্ছ থেকে খাদ্যশস্য, শাকসবজি, পাখির খাদ্য, পশুখাদ্য পাওয়া যায়।
  • উদ্ভিদরাজির কাণ্ড ও শাখা থেকে জ্বালানি কাঠ, খুঁটি, আসবাবপত্র, ঘরবাড়ি, যানবাহন, কৃষি উপকরণ, রেলওয়ে স্লিপার ইত্যাদি পাওয়া যায়।

অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

গোলাপ ও বেলি ফুল চাষ পদ্ধতি ও উপায়

গোলাপ ও বেলি ফুল চাষ পদ্ধতি

আলোচ্য বিষয়: (১) গোলাপ ফুল চাষ পদ্ধতি (২) বেলি ফুল চাষ পদ্ধতি Read
৫০+ গাভী-গরুর ঔষধ সমূহঃ গাভী-গরুর কোন রোগের কি ঔষধ, গবাদি পশুর চিকিৎসা

৫০+ গাভী/গরুর ঔষধ সমূহঃ গাভী/গরুর কোন রোগের কি ঔষধ? গবাদি পশুর চিকিৎসা

নিম্নে গরুর ঔষধ সমূহ সম্পর্কিত প্রশ্ন এবং তাদের উত্তর ধারাবাহিকভাবে সাজানো হলো। গরুর কোন রোগের কি ঔষধ, প্রতিটি উত্তরে ঔষধপত্র এবং প্রয়োগের নিয়ম সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ব্লগ পোস্টে গরু বা গাভীর বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি, চিকিৎসা পদ্ধতি, ঔষধের নাম ও ইনজেকশনের বিবরণ শুধুমাত্র শিক্ষামূলক ও প্রাথমিক দিকনির্দেশনার উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই তথ্যগুলো গবাদিপশু পালনকারীদের জন্য সহায়ক হলেও, যেকোনো ধরনের চিকিৎসা শুরু করার আগে অভিজ্ঞ পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ভুল চিকিৎসা বা মাত্রার অতিরিক্ত ওষুধ প্রয়োগ গরুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। লেখক বা ব্লগ কর্তৃপক্ষ এই পোস্টে দেওয়া তথ্যের ব্যবহারের ফলে কোনো ধরনের ক্ষতির দায়ভার বহন করবে না।আমাদের উদ্দেশ্য গরুর ঔষধ সমূহ, গরুর কোন রোগের কি ঔষধ, তা সম্পর্কে শুধু একটা প্রাথমিক ধারণা প্রদান করা। কোন চিকিৎসা প্রদান Read
২০টি ছাগলের ঘাস চাষ করতে কতটুকু জমি প্রয়োজন

২০টি ছাগলের ঘাস চাষ করতে কতটুকু জমি প্রয়োজন?

আলোচ্য বিষয়: আপনারা যারা ছাগলের খামার করতে ইচ্ছুক তারা অনেকেই বিরম্বনায় ভোগেন  যে ছাগল পালন করলে কতটুকু জমি নিয়ে ঘাস চাষ করলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘাস পাওয়া যাবে? ছাগলের জন্য ঘাস চাষ/ছাগলের ঘাস চাষ ও ঘাস ছাড়া ছাগল পালন। Read
আলুর পোকা দমন

আলুর পোকা দমন

আলোচ্য বিষয়: (১) কীটনাশক দ্বারা আলুর কাটুই পোকা দমন (২) কীটনাশক দ্বারা আলুর সুতলী পোকা দমন (৩) আলুর অন্যন্য পোকামাকড় ও রোগ দমন (৪) আলু চাষে কীটনাশক ব্যবহারে সতর্কতা Read
গরুর ছাগলের কৃমির ঔষধের নাম এবং গরুর ছাগলের কৃমি রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা

গরুর/ছাগলের কৃমির ঔষধের নাম এবং গরুর/ছাগলের কৃমি রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা

আলোচ্য বিষয়: (১) ‘গোলকৃমি’ দমনে গরুর/ছাগলের কৃমির ঔষধের নাম (২) ‘ফিতাকৃমি’ দমনে গরুর/ছাগলের কৃমির ঔষধের নাম (৩) ‘পাতাকৃমি’ দমনে গরুর/ছাগলের কৃমির ঔষধের নাম (৪) গরু-ছাগলের ‘ফ্যাসিওলিয়াসিস’ (Fascioliasis) কৃমি রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা (৫) গরু-ছাগলের ‘হ্যাম্পসোর’ (Humpsore) কৃমি রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা (৬) গরু-ছাগলের ‘মনিজিয়াসিস’ (Moniliasis) কৃমি রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা (৭) গরু-ছাগলের ‘এন্টেরিক সিস্টোসোমিয়াসিস’ (Enteric schistosomiasis) কৃমি রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা Read
৪টি সেরা উন্নত জাতের পরিচিতিঃ বাংলাদেশে কোন জাতের গাভীর খামার করবেন

৪টি সেরা উন্নত জাতের পরিচিতিঃ বাংলাদেশে কোন জাতের গাভীর খামার করবেন?

আলোচ্য বিষয়: এই পোস্টে আমরা বাংলাদেশের আবহাওয়া ও পরিবেশে পালনযোগ্য কয়েকটি পরিচিত উন্নত ক্রস জাতের গাভীর বৈশিষ্ট্য ও উৎপাদন ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করবো। Read
ছাগলের ভিটামিন ঔষধ

ছাগলের ভিটামিন ঔষধ

আলোচ্য বিষয়: (১) ৩টি ছাগলের ভিটামিন অভাব জনিত রোগ (২) ৭টি ছাগলের মিনারেল এর অভাব জনিত রোগ (৩) ছাগলকে কেন ভিটামিন ঔষধ খাওয়াতে হবে? (৪) ছাগলের ২টি ভিটামিন ঔষধ এর নাম (৫) ছাগলের ২টি ভিটামিন ইনজেকশনের নাম (৬) ছাগলের ভিটামিন ঔষধ সম্পর্কিত আরো কিছু প্রশ্নের উত্তর Read
informationbangla.com default featured image compressed

গরুকে কৃমির ঔষধ খাওয়ানোর বা ইনজেকশন দেওয়ার নিয়ম কি?

আলোচ্য বিষয়: (১) গরুকে কৃমির ঔষধ খাওয়ানোর নিয়মসমূহ (২) গরুর কৃমির ওষুধ এর ডোজ (৩) গরুকে কৃমির ঔষধ খাওয়ানোর আগে ও পরে করণীয় (৪) গাভী বাচ্চা প্রসবের পর কৃমির ঔষধ খাওয়ানোর নিয়ম (৫) শেষ কথা Read
কৃষি ও বাংলাদেশের জলবায়ু

কৃষি ও বাংলাদেশের জলবায়ু

আলোচ্য বিষয়: (১) আবহাওয়া ও জলবায়ু কাকে বলে? আবহাওয়ার উপাদানসমূহ (২) কৃষিকাজে আবহাওয়া ও জলবায়ুর গুরুত্ব (৩) বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু কেমন? (৪) মাটি, পানি ও জলবায়ুর ভিত্তিতে বাংলাদশের কৃষি পরিবেশ অঞ্চলসমূহ (৫) বাংলাদেশের বন্যা, খরা ও জলোচ্ছ্বাসপ্রবণ অঞ্চল Read
ছাগল ফার্ম এর জন্য কি কি ঘাস ও গাছ লাগাবেন

ছাগল ফার্ম এর জন্য কি কি ঘাস ও গাছ লাগাবেন?

আলোচ্য বিষয়: চলুন জেনে আসি সর্বোচ্চ ফল পেতে ছাগল ফার্ম এর জন্য কি কি ঘাস ও গাছ লাগাবেন? (১) নেপিয়ার সিওসিএনফোর ঘাস চাষ (২) পারা ঘাস চাষ (৩) ব্লাকবেরি গাছ চাষ (৪) গ্লিরিসিডিয়া গাছ চাষ (৫) মলাবারি/তুত গাছ চাষ (৬) হেজ লুসার্ন গাছ চাষ Read