জীবন বীমা কি? জীবন বীমার প্রকারভেদ

জীবন বীমা কি, জীবন বীমার প্রকারভেদ

বীমা এমন একটি বিষয় যা অর্থের বিনিময়ে জীবন, সম্পদ বা মালামালের সম্ভাব্য পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির ন্যায় সঙ্গত ও নির্দিষ্ট ঝুঁকির স্থানান্তর। মূলত এটি অনিশ্চিত ক্ষয়ক্ষতি এড়ানোর জন্য ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার একটি অংশ। জীবন সুরক্ষা হলো বীমার অন্যতম ট্রেডিশনাল রূপ। বীমার একটি উপায় হচ্ছে জীবন বীমা। কিন্তু অনেকে জীবন বীমা সম্পর্কে জানেনা। তাই যারা জানে না তাদের জন্যই আজ আমার লেখা।

চলুন তাহলে জীবন বীমা ও জীবন বীমার প্রকারভেদ সম্পর্কে জেনে নিই-

(১) জীবন বীমা কি/কাকে বলে?

জীবন বীমা কি, জীবন বীমা কাকে বলে

জীবন বীমা কি: জীবন বীমা এমন এক ধরনের চুক্তি যা একজন বিমা গ্রহীতা ও বীমা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যে সম্পাদিত হয়। এখানে বীমা প্রতিষ্ঠান নিশ্চয়তা প্রদান করে যে, বীমা গ্রহীতার মৃত্যু হলে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বীমাগ্রহীতার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হবে। এ চুক্তির শর্তানুযায়ী কখনো কোন ধরনের মারাত্মক অসুস্থ হলেও বীমা গ্রহীতা অর্থ পেয়ে থাকে। আর বীমা গ্রহীতা এককালীন বা নির্দিষ্ট সময় পরপর বীমা কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করে থাকে।

জীবন বীমা কাকে বলে: এক কথায়, জীবন বীমা এমন এক ধরনের চুক্তি যেখানে এককালীন অর্থ বা নির্দিষ্ট সময় পরপর কিস্তিতে পরিশোধের প্রতিদানে বীমাগ্রহীতার মৃত্যুতে বা নির্দিষ্ট বছরসমূহের শেষে বীমাকারী বৃত্তি বা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধের দায়িত্ব গ্রহণ করে।

(২) জীবন বীমার বিবর্তনের ইতিহাস

  • জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ১৮৯৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ১৮১৯ সালে The Oriental Life Assurances Company গঠিত হয়।
  • ১৯৭২ ডাক জীবনবীমা চালু হয়।
  • ১৯৭৪ সালে ALICO বাংলাদেশে কাজ শুরু করে।
  • ১৮২৪ সালে Alliance Insurance Company গঠিত হয়।

(৩) জীবনবীমার প্রকারভেদ

জীবনবীমার প্রকারভেদ সমূহ

৫ টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে জীবনবীমাকে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-

  1. মেয়াদের ভিত্তিতে
  2. প্রিমিয়াম পরিশোধের পদ্ধতির ভিত্তিতে
  3. মুনাফার অংশগ্রহণের ভিত্তিতে
  4. বীমাগ্রহীতার সংখ্যার ভিত্তিতে
  5. বীমাদাবি পরিশোধের পদ্ধতির ভিত্তিতে

ক) মেয়াদের ভিত্তিতে জীবনবীমার প্রকারভেদ

মেয়াদের ভিত্তিতে জীবন বীমা ৩ প্রকার। যথা-

  1. মেয়াদী বীমাপত্র
  2. আজীবন বিমাপত্র
  3. সাময়িক বীমাপত্র

মেয়াদী বীমাপত্র: যে বীমাপত্রের মাধ্যমে এ অর্থে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় যে, বিমাগ্রহীতা নির্দিষ্ট বয়সে পদার্পণ করলে বীমাপত্রে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অর্থ প্রদান করা হবে। অথবা উক্ত সময়ের পূর্বে বিমাগ্রহীতার মৃত্যু হলে তার উত্তরাধিকারী বা মনোনীত ব্যক্তি বীমা পত্রে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পাবে। এ বীমাপত্রকে মেয়াদী বীমাপত্র বলা হয়।

আজীবন বিমাপত্র: যে বীমা চুক্তির মাধ্যমে বিমাগ্রহীতা কে তার মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত টাকা পরিশোধ করতে হয় এবং বীমাকারী বীমাগ্রহীতার মৃত্যুর পর তার উত্তরাধিকারী বা মনোনীত ব্যক্তিকে বীমাপত্রে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাকে আজীবণ বীমাপত্র বলে।

সাময়িক বীমাপত্র: এ বীমার মেয়াদ সাধারণত ২ মাস থেকে ৭ পর্যন্ত হতে দেখা যায়। এ সময়ের আগে বীমাকৃত ব্যাক্তি মারা গেলে বীমাদাবির অর্থ পরিশোধ করা হয়। আর বীমাকৃত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মারা না গেলে বীমাদাবি পায়না।

খ) প্রিমিয়াম পরিশোধের পদ্ধতির ভিত্তিতে জীবনবীমার প্রকারভেদ

প্রিমিয়াম পরিশোধের পদ্ধতির ভিত্তিতে জীবন বীমা দুই প্রকার। যথা-

  1. একক কিস্তি বীমাপত্র
  2. সমকিস্তি বীমাপত্র

গ) মুনাফায় অংশগ্রহণের ভিত্তিতে জীবনবীমার প্রকারভেদ

মুনাফায় অংশগ্রহণের ভিত্তিতে জীবন বীমা ২ প্রকার। এগুলো হলো-

  1. একক জীবন বীমাপত্র
  2. বহু জীবন বীমাপত্র

ঘ) বীমাগ্রহীতার সংখ্যার ভিত্তিতে জীবনবীমার প্রকারভেদ

বীমাদাবি পরিশোধের পদ্ধতির ভিত্তিতে জীবন বীমা ২ প্রকার। যথা-

  1. এককজীবন বীমাপত্র
  2. বহুজীবন বীমাপত্র

ঘ) বীমাদাবি পরিশোধের পদ্ধতির ভিত্তিতে জীবনবীমার প্রকারভেদ

বীমাদাবি পরিশোধের পদ্ধতির ভিত্তিতে জীবন বীমা ২ প্রকার। যথা-

  1. এককালীন বীমাপত্র
  2. বৃত্তি বীমাপত্র

(৪) প্রিমিয়াম কি?

প্রিমিয়াম কি

প্রিমিয়াম: বীমাকারী বীমাগ্রহীতাকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে বীমা গ্রহীতার কাছ থেকে, বিভিন্ন কিস্তিতে যে অর্থ গ্রহণ করে তাকে, প্রিমিয়াম বলা হয়।

প্রিমিয়াম নির্ধারণের পদ্ধতি ৩ প্রকার। যথা-

  1. সর্বাধিক প্রাচীন পদ্ধতি অর্থাৎ নিরূপণ পদ্ধতি।
  2. মৃত্যু সম্ভাবনার হার এর উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়। মৃত্যু সম্ভাবনার হার বাড়লে প্রিমিয়ামও বাড়ে অর্থাৎ স্বাভাবিক প্রেমিয়াম পরিকল্পনা।
  3. সুষম পরিকল্পনা অর্থাৎ প্রতি বছরে একই পরিমাণ প্রিমিয়াম দিতে হবে।

(৫) বীমার বোনাস কি?

বীমার বোনাস কি: বীমা কোম্পানির মূল্যায়নের পর উদ্বৃত্ত প্রকাশিত হলে তার একটা অংশ মুনাফা যুক্ত বীমাপত্রের মালিকদের মধ্যে বন্টন করে দেয়া হয়। এ ব্যবস্থাকে বোনাস বলা হয়।

(৬) বার্ষিক বৃত্তি (Annuity) কি?

বার্ষিক বৃত্তি (Annuity) কি

বার্ষিক বৃত্তি: নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর পরিশোধ করাকে বার্ষিক বৃত্তি বলা হয়।

বার্ষিক বৃত্তি বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন-

সাধারণ বার্ষিক বৃত্তি: যে বার্ষিক বৃত্তির মাধ্যমে ভাতাভোগী নির্দিষ্ট হারে সারা জীবন ধরে ভাতা পেয়ে থাকে তাকে সাধারণ বার্ষিক বৃত্তি বলে।

তাৎক্ষণিক বৃত্তি: যে ব্যবস্থায় বীমা কোম্পানিকে চুক্তি অনুযায়ী অর্থ প্রদানের পরপরই ভাতা প্রদান কার্যকরী হয়,তাকে তাৎক্ষণিক বৃত্তি বলে।

প্রতিশ্রুতি বৃত্তি: বৃত্তি গ্রহীতা বৃত্তি চুক্তিতে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যাপ্ত ভাতা প্রাপ্তি বিষয়টি নিশ্চিত করে চুক্তি সম্পাদন করতে পারে। একে প্রতিশ্রুতি ভিত্তি বলা হয়।

একক জীবন বৃত্তি: যেকোনো ধরনের ভিত্তি চুক্তিতে ভাতাভোগীর সংখ্যা সকল অবস্থায়়় একজন হলে তাকে একক জীবন বৃত্তি বলা হয়।

যৌথ জীবন বৃত্তি: যে বৃত্তি ব্যবস্থায় দুই বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথ জীবনকাল পর্যমত্ম ভাতা প্রদান করা হয় তাকে যৌথ জীবন বৃত্তি বলে।

সাময়িক বৃত্তি: এ ধরনের চুক্তিতে ভাতা প্রদানের একটা নির্দিষ্ট সময় বা মেয়াদের উল্লেখ থাকে।

(৭) সমর্পণ মূল্য কি?

সমর্পণ মূল্য কি

সমর্পণ মূল্য: বীমাপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে বীমাপত্র শেষ করলে যে মূল্য বা প্রতিদান চাওয়া হয়, তাকে সমর্পণ মূল্য বলে।

এর কয়েকটি বিষয় হলো-

  • বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ৮০% সমর্থন মূল্য দেওয়া হয়।
  • বীমার মেয়াদ নিম্নে দুই বছর না হলে সমর্পণ মূল্য দেওয়া হয় না।

Prof.M N Mishra এর মতে সমর্পণ মূল্য নির্ণয় এর বৃত্তি ২টি। যথা-

  • সঞ্চিতি বৃত্তিতে, সমর্পণ মূল্য = সমর্পণ মূল্য – সমর্পণ খরচ
  • সঞ্চয় ভিত্তিতে, সমর্পণ মূল্য = বীমা অর্থ + ভবিষ্যৎ খরচের জমাকৃত অংশ + ভবিষ্যৎ প্রদেয় বোনাস (পুঞ্জিভূত অর্থ + সমর্পণ খরচ)

তাহলে বন্ধুরা আজ এখানেই শেষ করছি। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

গুগল পে কী, এর সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ

গুগল পে কী? এর সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ

আলোচ্য বিষয়: (১) গুগল পে কী? (২) বাংলাদেশে গুগল পে-এর যাত্রা (৩) গুগল পে-এর সুবিধা (৪) গুগল পে-এর অসুবিধা (৫) গুগল পে কীভাবে ব্যবহার করবেন? (৬) গুগল পে-এর প্রভাব (৭) বাংলাদেশে গুগল পে-এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা Read
ব্যাংক ঋণ বিষয়ে ৪০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর

ব্যাংক ঋণ বিষয়ে ৪০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর

আলোচ্য বিষয়: বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত একটি সেবা হলো ঋণ (Loan)। ব্যক্তি হোক বা প্রতিষ্ঠান—প্রায় সবাই কোনো না কোনো সময়ে ঋণ গ্রহণ করে থাকেন। কিন্তু ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে নানা ধরনের প্রশ্ন থাকে: কীভাবে ঋণ পাওয়া যায়, কতটা জামানত লাগে, লোনের প্রকারভেদ কী, ঋণ পরিশোধ না করলে কী সমস্যা হয়, ব্যাংক কোন বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখে ইত্যাদি। এই ব্লগটিতে আমরা ব্যাংক লোন সম্পর্কিত ৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দেবো, যা ব্যাংক ঋণের প্রক্রিয়া, শর্তাবলী ও প্রকারভেদ নিয়ে আপনার সমস্ত বিভ্রান্তি দূর করবে। চলুন শুরু করা যাক। Read
হুন্ডি কি বৈধ, হুন্ডি ব্যবসা কি হালাল, হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো হয় কীভাবে

হুন্ডি কি? হুন্ডি কি বৈধ? হুন্ডি ব্যবসা কি হালাল? হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো হয় কীভাবে?

আলোচ্য বিষয়: (১) হুন্ডি কি (hundi ki)? (২) হুন্ডির একটি উদাহরণ (৩) হুন্ডি কাকে বলে? (৪) হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো হয় কীভাবে? (৫) হুন্ডি ব্যবসা কী? (৬) হুন্ডি কি বৈধ? (৭) হুন্ডি ব্যবসা কি হালাল? (৮) হুন্ডির ইতিহাস (৯) প্রবাসীরা কেন ব্যাংকে না পাঠয়ে হুন্ডিতে টাকা পাঠান? (১০) হুন্ডির প্রভাব (১১) হুন্ডি বন্ধে করণীয় (১২) উপসংহার Read
informationbangla.com default featured image compressed

ব্যাংক বিনিয়োগ সংক্রান্ত ৩০টিরও বেশি কমন প্রশ্নের উত্তর

বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের জন্য ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ ও সাশ্রয়ী। বিনিয়োগের মাধ্যমে সঞ্চয় বাড়ানো, ভবিষ্যতের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া—এসব কিছু এখন সহজলভ্য। 🔹 নারী উদ্যোক্তা সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর ১. কারা নারী উদ্যোক্তা বলে বিবেচিত হবে? যে নারী ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন, তাকেই নারী উদ্যোক্তা বলা হয়। তার ব্যবসায়িক মালিকানার কাগজপত্রে তিনি উদ্যোক্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত থাকতে হবে। ২. নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ কী? বিশেষ ২০০ কোটি টাকার তহবিল জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা ৫% SME ঋণ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দ প্রশিক্ষণ, ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ও আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি ক্লাস্টার ভিত্তিক পৃষ্ঠপোষকতা 🔹 প্রাইজবন্ড সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর ৩. প্রাইজবন্ড কী? প্রাইজবন্ড হলো সরকার ইস্যুকৃত একটি বন্ড, যার Read
informationbangla.com default featured image compressed

আধুনিক ব্যাংকিং বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ ৪৫টি প্রশ্ন ও তার উত্তর

আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা শুধু টাকা জমা ও উত্তোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই—এটি এখন একটি পূর্ণাঙ্গ আর্থিক সেবা খাত, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে ব্যাংকিং সেক্টরেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন; অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ, ডিজিটাল লেনদেন, কার্ড সার্ভিস, ই-কমার্স পেমেন্ট ইত্যাদি সুবিধা মানুষের আর্থিক লেনদেনকে সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করেছে। এই ব্লগ পোষ্টে আমরা আধুনিক ব্যাংকিং বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ ৪৪টি প্রশ্ন ও তাদের বিস্তারিত উত্তর উপস্থাপন করেছি, যা সাধারণ গ্রাহক থেকে শুরু করে ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য অত্যন্ত উপকারি হবে। ১. গ্রাহকের অধিকার ও ব্যাংকের দায়িত্ব কী? প্রতিটি ব্যাংক গ্রাহকের কাছে নির্দিষ্ট কিছু সেবা প্রদানের জন্য দায়বদ্ধ। একজন গ্রাহকের মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে- ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার অধিকার তথ্যের গোপনীয়তা নির্ভুল ও নিরপেক্ষ তথ্য পাওয়ার অধিকার অভিযোগ করার ও Read
নগদ একাউন্ট খোলার নিয়ম-পদ্ধতি

নগদ একাউন্ট খোলার নিয়ম/পদ্ধতি

আলোচ্য বিষয়: (১) নগদ মোবাইল ব্যাংকিং কি? (২) নগদ একাউন্ট খোলার নিয়ম/পদ্ধতি Read
নগদ একাউন্ট খোলার নিয়মঃ অনলাইনে, নিজে নিজে, ঘরে বসে, মোবাইল Apps দিয়ে, ধাপে ধাপে পদ্ধতির বর্ণনা

নগদ একাউন্ট খোলার নিয়মঃ অনলাইনে, নিজে নিজে, ঘরে বসে, মোবাইল Apps দিয়ে, ধাপে ধাপে পদ্ধতির বর্ণনা

আলোচ্য বিষয়: (১) নগদ কী? (২) নগদ একাউন্টের প্রকারভেদ (৩) নগদ একাউন্ট খোলার সুবিধা (৪) নগদ একাউন্ট খোলার পূর্বশর্ত (৫) নগদ একাউন্ট খোলার ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া (৬) পূর্বের *167# পদ্ধতি এবং বর্তমান পরিবর্তন (৭) নগদ একাউন্ট খোলার শর্তাবলী ও সতর্কতা (৮) নগদ একাউন্ট খোলার সময় সাধারণ সমস্যা ও সমাধান (৯) নগদ একাউন্টের লেনদেন সীমা (১০) নগদ একাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ানোর উপায় (১১) নগদ একাউন্ট খোলার সমাজে প্রভাব (১২) নগদ একাউন্ট খোলার জন্য ব্যবহারিক টিপস (১৩) শেষ কথা Read
informationbangla.com default featured image compressed

বৈদেশিক বা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়ে ৩৫টি সাধারণ প্রশ্নোত্তর

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক ব্যাংকিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। রপ্তানি-আমদানি বাণিজ্য, রেমিট্যান্স, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, আন্তর্জাতিক লেনদেনসহ নানা ক্ষেত্রে এটি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ব্লগ পোস্টে আমরা বৈদেশিক ব্যাংকিংয়ের জটিল বিষয়গুলোকে সহজ করে ব্যাখ্যা করবো। এখানে থাকছে ৩৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর যা আপনাকে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা দিতে সহায়ক হবে। ১. ERQ Account কী? ERQ (Export Retention Quota) Account হলো এমন একটি ব্যাংক হিসাব, যেখানে রপ্তানিকারকরা তাদের রপ্তানি আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ করতে পারেন। বাংলাদেশ ব্যাংক রপ্তানি আয়ের একটি নির্দিষ্ট শতকরা ভাগ এই হিসাবে রাখতে অনুমোদন দেয়, যা রপ্তানিকারক পরে নিজ প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন। ২. HS Code কী? HS Code বা Harmonized System Code হলো একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পণ্য শ্রেণিকরণ কোড, যা আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে Read
informationbangla.com default featured image compressed

পাসপোর্ট ছাড়াই ডুয়েল কারেন্সি ভিসা কার্ডঃ Tevau (তেভাও) ভার্চুয়াল কার্ড ২০২৫ নিয়মসমূহ

আলোচ্য বিষয়: (১) Tevau ভার্চুয়াল কার্ড কী? (২) কেন Tevau ভার্চুয়াল কার্ড বেছে নেবেন? (৩) Tevau ভার্চুয়াল কার্ড কীভাবে পাবেন? (৪) তেভাও কার্ডের ব্যবহার (৫) তেভাও কার্ডের সুবিধা (৬) তেভাও কার্ডের সীমাবদ্ধতা (৭) কীভাবে অফার পাবেন? (৮) তেভাও কার্ড বনাম অন্যান্য কার্ড (৯) নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায় (১০) উপসংহার Read
বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম-পদ্ধতি

বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম/পদ্ধতি

আলোচ্য বিষয়: (১) বিকাশ কি? (২) বিকাশ একাউন্ট থেকে কি কি সেবা পাওয়া যায়? (৩) বিকাশ একাউন্ট খোলার পদ্ধতি (৪) অ্যাপের সাহায্যে নিজে নিজে বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম Read