নেপিয়ার ঘাস চাষ পদ্ধতি

informationbangla.com default featured image compressed

দুধ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রথমেই জাতের উন্নয়ন আবশ্যক। তারপরই আসে খাদ্যের ভূমিকা। খাদ্যের মধ্যে কাঁচা ঘাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাঁচা ঘাসের কোনো বিকল্প নেই।

বাংলাদেশ জনসংখ্যায় খুবই ঘন বসতিপূর্ণ। জমির পরিমাণ অল্প। তাই যেখানে মানুষের খাদ্য উৎপাদনেই নাভিশ্বাস উঠছে, সেখানে গবাদির জন্য খাদ্য উৎপাদন অনেকটা চ্যালেঞ্জের মুখে। তবুও যদি কৃষকভাইরা দেখেন যে ঘাস উৎপাদনের ফলে তাঁদের গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়ছে এবং এর লভ্যাংশ দ্বারা অন্যান্য খরচ মেটানো সম্ভব, তাহলে তাঁরা গবাদিপশু পালনের দিকে ঝুঁকে পড়বেন। আর কাঁচা ঘাস সহজ প্রাপ্য হলে গাভী পালনও সহজতর হবে। তাই আধুনিক পদ্ধতিতে ঘাস চাষ করতে হবে। সেজন্য দরকার ব্যাপকভাবে উচ্চ উৎপাদশীল ঘাস চাষ।

(১) নেপিয়ার ঘাসের পুষ্টিগুণ

  • ৮-১২% প্রোটিন।
  • ২৬-২৮% ফাইবার।
  • ৫৫-৫৮% মোট হজমযোগ্য পুষ্টি থাকে।

(২) নেপিয়ার ঘাস এর পরিচিতি

নেপিয়ার ঘাস

আমরা আজকে এমনই একটি ঘাস চাষ নিয়ে আলোচনা করবো যার উৎপাদন যথেষ্ট পরিমাণে বেশি।বাংলাদেশের প্রায় সকল এলাকায় এ ঘাস জন্মানো সম্ভব এবং তা থেকে প্রায় সারা বছরই গবাদির কাঁচা ঘাসের চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে। এই ঘাসটির নাম নেপিয়ার।

  • নেপিয়ার এক প্রকার স্থায়ী ঘাস। দেখতে আখের মত, লম্বা ৬.৫-১৩.০ ফুট বা তার চেয়েও বেশি হয়ে থাকে।
  • এই ঘাস দ্রুত বধর্নশীল, সহজে জন্মে, পুষ্টিকর, সহজপাচ্য ও খরা সহিষ্ণু।
  • একবার রোপন করলে ৩/৪ বছর পর্যন্ত এর ফলন পাওয়া যায়।
  • শীতকালের ২/৩ মাস ছাড়া প্রায় সারা বছরই এর উৎপাদন অব্যাহত থাকে।
  • এই ঘাস আবাদের জন্য উঁচু ও ঢালু জমি যেমন বাড়ির পার্শ্বে উঁচু অনাবাদি জমি, পুকুরের পাড়, রাস্তার ধার ও বেড়ীবাঁধ সবচেয়ে উত্তম।
  • ডোবা, জলভূমি কিংবা প্লাবিত হয় এমন অঞ্চলে এই ঘাস আবাদ করা যায় না।

(৩) ঘাস চাষের জন্য কেমন জমি প্রয়োজন?

পানি নিষ্কাশনের জন্য ভাল ব্যবস্থা আছে অর্থাৎ যেখানে বৃষ্টি বা বর্ষার পানি জমে থাকে না এরূপ জমি নেপিয়ার চাষের জন্য উত্তম। প্রায় সব ধরনের মাটিতেই এ ঘাস রোপন করা যায়, তবে বেলে-দোআঁশ মাটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী।

(৪) নেপিয়ার ঘাস চাষের সঠিক সময়

  • নেপিয়ার ঘাস সারা বৎসরই রোপন করা যায়। সাধারণতঃ বর্ষা মৌসুমেই রোপন করা ভাল।
  • বর্ষার প্রারম্ভে এই ঘাসের কাটিং বা চারা রোপন করা হয়।
  • বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রথম বৃষ্টির পর জমিতে চারা বা কাটিং লাগালে প্রথম বছরেই ৩/৪ বার পর্যন্ত ঘাস কাটা যেতে পারে।
  • চারা বা কাটিং লাগানোর পর যদি রৌদ্র হয় বা মাটিতে রস কম থাকে তাহলে চারার গোড়ায় পানি সেচ দিতে হবে।

(৫) নেপিয়ার ঘাস এর জমিচাষ ও রোপন পদ্ধতিঃ

১। সমতল জমিতে ৪/৫টি চাষ ও মই দিয়ে জমি আগাছামুক্ত করে কাটিং বা চারা লাগাতে হবে।

২। এই ঘাস আখের কাটিং-এর মত কাটিং অর্থাৎ কান্ডের দুই মাথায় কমপক্ষে দু’টি বা তিনটি গিট রেখে কাটতে হবে।

৩। এক সারি হতে অন্য সারির দূরত্ব ৩৬ ইঞ্চি এবং এক চারা হতে অন্য চারার দূরত্ব ১৮ ইঞ্চি।

৪। কাটিং ৬-৮ ইঞ্চি গভীরে রোপন করা উচিত।

৫। একটি গিট মাটির নীচে, মধ্যের গিট মাটির সমানে রেখে চারা বা কাটিং অনুমানিক ৪৫০ কৌণিকভাবে লাগাতে হয়।

৬। সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম বৃষ্টির পর অথবা ভাদ্র মাসের শেষ ভাগে যখন বৃষ্টিপাত কম থাকে তখন নেপিয়ার ঘাস লাগানো উত্তম।

৭। অতি বৃষ্টিতে কাটিং লাগালে তা পচে যাবার সম্ভাবনা থাকে।

৮। মোথা লাগালে অনুরূপভাবে জমি তৈরি করে নির্দিষ্ট দূরত্বে গর্ত করে গর্তের মধ্যে একটি করে চারা লাগাতে হবে। সম্ভব হলে প্রতি গর্তে কিছু পচা গোবর বা মুরগীর বিষ্ঠা দেয়া উত্তম।

৯। রাস্তা, পুকুরের বাঁধ বা পাহাড়ের ঢালু জমিতে নেপিয়ার চাষ করতে হলে প্রথমে ঢালের আগাছা কোদাল বা কাচি দ্বারা কেটে পরিষ্কার করতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট দুরত্বে কোদাল দিয়ে ছোট ছোট গর্ত করে প্রতি গর্তে গোবর বা মুরগীর বিষ্ঠা এবং টিএসপি সার দিয়ে চারা লাগাতে হবে।

১০। চারা লাগিয়ে চার পাশ ভাল করে মাটি দিয়ে চেপে দিতে হবে যাতে চারার শিকড় মাটির সাথে লেগে থাকে।

(৬) নেপিয়ার ঘাস এর সার ও পানি সেচ পদ্ধতি

১। উন্নত জাতের ঘাসের ফলন বেশি পেতে হলে জমিতে প্রয়োজন অনুসারে সার দিতে হয়। জমির গুণাগুণের উপর নির্ভর করে সার ও পানি সেচ দিতে হবে।

২। বাংলাদেশে বর্ষার সময় ৫/৭ মাস পানি সেচের প্রয়োজন হয় না, শুধু খরার সময় পানির সেচের প্রয়োজন হয়।

৩। পচা গোবর ও ফার্মজাত আবর্জনা, পচানো ঘাস হেক্টর প্রতি প্রায় ৩০০০/৪০০০ কেজি জমি চাষের সময় ভালভাবে ছিটিয়ে দিলে মাটিতে পুরোপুরি মিশে যায়।

৪। বেশি ফলন পেতে হলে এর সাথে হেক্টর প্রতি ২২৫ কেজি ইউরিয়া, ১৫০ কেজি টিএসপি এবং ৭৫ কেজি মিউরেট অব পটাশ প্রয়োগ করতে হবে।

৫। চারা রোপনের পর জমিতে চারা লেগে গেলে অর্থাৎ রোপনের প্রায় ১০/১২ দিন পর হেক্টর প্রতি ৮০ কেজি ইউরিয়া সার দিলে ভাল হয়।

৬। প্রত্যেক কাটিং-এর পর দুই সারির মাঝের জমি ভালভাবে লাঙ্গল বা কোদাল দিয়ে মাটি আলগা করে হেক্টর প্রতি ৫০ কেজি ইউরিয়া সার দিলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।

৭। প্রথম কাটিং ৬০-৮০ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। বর্ষাকালে নেপিয়ারের উৎপাদন ভাল হয়।

৮। বৎসরে কমপক্ষে দু’বার (আষাঢ়-শ্রাবণ ও মাঘ-ফাল্গুন মাসে মাটি আলগা করে দিতে হবে।

৯। গ্রীষ্মকালে ১০-১২ দিন বিরতিতে এবং শীতকালে ১৫-২০ দিন বিরতিতে পানি সেচ দিলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায়।

(৭) নেপিয়ার ঘাস এর সাথে কোন সাথী ঘাস চাষ করা যায়?

নেপিয়ার ঘাসের সঙ্গে শুটি চাষ করলে একদিকে যেমন জমির উর্বরতা বাড়ে অন্যদিকে ঘাসের পুষ্টিমাণও বৃদ্ধি পায়। স্থায়ী শুটি যেমন সেন্ট্রোসীমা, পয়রো, সিরাট্রো ইত্যাদি এবং অস্থায়ী শুটি যেমন বারসীম, কাউপি, মাসকলাই ও খেসারী ইত্যাদির চাষ করা যেতে পারে। দুই সারি নেপিয়ারের মাঝে এই ঘাসের চাষ করতে হয়।

(৮) নেপিয়ার ঘাস কাটার নিয়ম ও ফলন

১। কাটিং বা মোথা লাগানোর ৬০-৭০ দিন পর প্রথমবার ঘাস সংগ্রহ করা যায়

২। প্রতি ৬-৮ সপ্তাহ পরপর জমি হতে ঘাস সংগ্রহ করা যায়।

৩। মাটির ৫-৬ ইঞ্চি উপর থেকে ঘাস কাটতে হয়।

৪। প্রথম কাটিং-এ ফলন একটু কম হলেও দ্বিতীয় কাটিং থেকে পরবর্তী ২/৩ বছর পর্যন্ত ফলন বাড়তে থাকে। এরপর আস্তে আস্তে কমতে থাকে।

৫। ৪-৪-১/২ বছর পর পুনরায় কাটিং বা মোথা লাগাতে হবে।

৬। বৎসরে প্রতি হেক্টরে ১৪০-১৮০ টনের মত ঘাস উৎপাদিত হয়।

৭। সাইলেজ করার ক্ষেত্রে ঘাসে ফুল ফোটার পূর্বে বা পর পরই কাটা ভাল। এতে খাদ্যমান বেশি থাকে।

(৯) নেপিয়ার ঘাস খাওয়ানোর নিয়ম

  • জমি থেকে ঘাস কাটার পর ঘাস যাতে শুকিয়ে না যায় সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • আস্ত ঘাস গবাদিকে খেতে দিলে অপচয় বেশি হয়। তাই মেশিন, দা অথবা কাঁচি দ্বারা ২-৩ ইঞ্চি লম্বা করে কেটে খাওয়ানো ভাল।
  • এই কাটা ঘাস খড়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে।

(১০) নেপিয়ার ঘাস কিভাবে সংরক্ষণ করা যায়?

নেপিয়ার ঘাস রৌদ্রে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা সুবিধাজনক নয়, তবে রাখা যেতে পারে। কাঁচা সবুজ ঘাস ছোট ছোট খন্ড বা টুকরা করে সাইলেজ আকারে সংরক্ষণ করাই উত্তম।

(১১) নেপিয়ার ঘাস চাষ ও ঘাস খাওয়ানোর সাবধানতা

  • নেপিয়ারের জমিতে ইউরিয়া সার প্রয়োগের পর অনেক দিন খরা হলে ইউরিয়া হতে নাইট্রেট বা নাইট্রাইট ঘাসের মধ্যে উৎপন্ন হতে পারে এবং পরবর্তীতে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ার পর দ্রুত বেড়ে ওঠা এই ঘাস কেটে খাওয়ানো ঝুকিপূর্ণ। এতে বিষক্রিয়া হতে পারে।
  • জমিতে সার ছিটাবার দুই সপ্তাহের মধ্যে ঘাস কাটা উচিত নয়।
  • সার ছিটাবার পরে দীর্ঘ দিন খরা থাকার পর হঠাৎ অধিক বৃষ্টিপাতের পর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া ঘাস কেটে খাওয়ানো উচিত নয়।
  • ঘাস কাটার একমাস পূর্বে সার ছিটানো যেতে পারে।

(১২) উপসংহার

নেপিয়ার উচ্চ ফলনশীল ঘাস। এই ঘাস চাষের মাধ্যেমে গবাদিপশুর কাঁচা ঘাসের চাহিদা মিটানো সম্ভবপর। কাঁচা ঘাস/সাইলেজের ব্যবহার যথাযথভাবে করতে পারলে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে যা দ্বারা ক্রমান্বয়ে দেশের দুধের চাহিদা মিটানো যাবে এবং এর ফলে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য আমদানির মাধ্যমে যে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে তা বহুল অংশে কমানো সম্ভব। বর্তমানে দুধের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে দুধ উৎপাদন বাড়লে কৃষকের যেমন আর্থিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পাবে তেমনি দেশের আর্থিক অবস্থারও উন্নতি ঘটবে।

অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি

গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি ও নিয়মনীতি (বিস্তারিত বর্ণনা)

আলোচ্য বিষয়: (১) গরু মোটাতাজাকরণ কী? (২) গরু মোটাতাজাকরণ এর গুরত্ব কী? (৩) গরু মোটাতাজাকরণ এর সঠিক সময় কখন? (৪) গ্রোথ হরমোনের ব্যবহার ছাড়া গরু মোটাতাজাকরণ করা যায় কি? (৫) গরু মোটাতাজাকরণ ট্যাবলেট বা গরু মোটাতাজাকরণ ইনজেকশন এর ব্যবহার করলে কি হয়? (৬) গরু মোটাতাজাকরণ এর বাসস্থানের কাঠামো কেমন হবে? (৭) গরু মোটাতাজাকরণ এর স্থান নির্বাচন কেমন হবে? (৮) গরু মোটাতাজাকরণ এর গরু নির্বাচন করবেন কিভাবে? (১০) পশু ক্রয় এর সময় কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে? (১১) মোটাজাতকরণের গরু কেনার পর প্রথম লক্ষণীয় বিষয় কি? (১২) মোটাতাজাকরণ গরুর কৃমি মুক্ত করবেন কিভাবে? (১৩) গরুর টিকা বা ভ্যাকসিন প্রদান (১৪) গরুর দৈহিক ওজন নির্ণয় (১৫) গরু মোটাতাজাকরণ এ রোগ প্রতিরোধ করণীয় কি? (১৬) মোটাতাজাকরণ গরু বাজারজাতকরণ Read
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল চেনার উপায় বা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের বৈশিষ্ট্য কি

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল চেনার উপায় বা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের বৈশিষ্ট্য কি?

আলোচ্য বিষয়: ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল চেনার উপায় বা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের বৈশিষ্ট্য কি? Read
ঘরোয়া পদ্ধতিতে ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরি করুনঃ ছাগলের কাশির সিরাপ, ছাগলের কাশির চিকিৎসা

ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরি করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে, ছাগলের কাশির সিরাপ, ছাগলের কাশির চিকিৎসা

আলোচ্য বিষয়: (১) ঘরোয়া ভাবে ছাগলের কাশির সিরাপ তৈরি (২) ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরির কাঁচামাল (৩) প্রস্তুতকৃত সিরাপ দ্বারা ছাগলের কাশির চিকিৎসা পদ্ধতি Read
informationbangla.com default featured image compressed

ছাগলের জ্বরের চিকিৎসা কিভাবে করবেন? ছাগলের জ্বরের লক্ষণ কি? ছাগলের জ্বরের ঔষধ

আলোচ্য বিষয়: আজকে আমরা আলোচনা করব ছাগলের জ্বরের চিকিৎসা বিষয়ে। ছাগলের জ্বরের ঔষধ ও ছাগলের জ্বরের লক্ষণ কি? ছাগলের জ্বর হলে কি করা উচিত বা প্রাথমিক চিকিৎসা কিভাবে করবেন? বিস্তারিত আলোচনা থাকবে আমাদের আজকের এই পোষ্টটিতে। Read
informationbangla.com default featured image compressed

গরু ও মহিষের গলাফুলা রোগঃ লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসা

আলোচ্য বিষয়: (১) গরুর গলাফুলা রোগ কী? (২) গরুর গলাফুলা রোগের কারণ (৩) গরুর গলাফুলা রোগের লক্ষণ (৪) গরুর গলাফুলা রোগের চিকিৎসা (৫) গরুর গলাফুলা রোগ প্রতিরোধের উপায় (৬) শেষ কথা Read
ছোঁয়াচে ছাগলের রোগ ঠোঁটের ক্ষত বা একথাইমা রোগ পরিচিতি, লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা

ছোঁয়াচে ছাগলের রোগ ঠোঁটের ক্ষত বা একথাইমা রোগ পরিচিতি, লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা

আলোচ্য বিষয়: (১) ছাগলের রোগ: ঠোঁটের ক্ষত বা একথাইমা রোগ কি? (২) ছাগলের রোগ: ঠোঁটের ক্ষত বা একথাইমা রোগের লক্ষণগুলো কি? (৩) ছাগলের রোগ: ঠোঁটের ক্ষত বা একথাইমা রোগ কীভাবে ছড়ায়? (৪) কীভাবে এটি প্রতিরোধ করা যায়? (৫) ছাগলের রোগ: ঠোঁটের ক্ষত বা একথাইমা রোগের চিকিৎসা কি? Read
গরুর খাবার রুচি কম, ৩টি গরুর মুখের রুচির ঔষধ, প্রাকৃতিকভাবে গরুর রুচি বৃদ্ধি করার উপায়

গরুর খাবার রুচি কম? ৩টি গরুর মুখের রুচির ঔষধ ও প্রাকৃতিকভাবে গরুর রুচি বৃদ্ধি করার উপায়

আলোচ্য বিষয়: (১) প্রাকৃতিকভাবে গরুর রুচি বৃদ্ধি করার উপায় (২) গরুর মুখের রুচির ঔষধ Read
informationbangla.com default featured image compressed

ছাগলের পিপিআর রোগের লক্ষণ, প্রতিকার, চিকিৎসা, টিকা ব্যবহার বিধি ও ভ্যাকসিন দেওয়ার নিয়ম

আলোচ্য বিষয়: ছাগলের পিপিআর রোগের পরিচয় ছাগলের পিপিআর রোগের কারণ ছাগলের পিপিআর রোগের লক্ষণ ছাগলের পিপিআর রোগের সংক্রমণের মাধ্যম ছাগলের পিপিআর রোগের প্রতিকার ছাগলের পিপিআর রোগের চিকিৎসা ছাগলের পিপিআর রোগের টিকা ব্যবহার বিধি ছাগলের পিপিআর রোগের ভ্যাকসিন দেওয়ার নিয়ম। Read
খামার রেজিস্ট্রেশন করবেন কিভাবে, খামার রেজিস্ট্রেশন এর সুবিধা কি

খামার রেজিস্ট্রেশন করবেন কিভাবে? খামার রেজিস্ট্রেশন এর সুবিধা কি? গরুর, ছাগলের, ভেড়ার খামার নিবন্ধন

আলোচ্য বিষয়: (১) খামার রেজিস্ট্রেশন এর সুবিধা কি? (২) আপনার ফার্ম বা খামার রেজিস্ট্রেশন কিভাবে করবেন? (৩) সরাসরি উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে গিয়ে কিভাবে আবেদন করবেন? (৪) অনলাইনে কিভাবে আবেদন করবেন? (৫) অনলাইনে বা সরাসরি আবেদন করার পর কি করতে হবে? (৬) ফার্ম রেজিস্ট্রেশন খরচ কত লাগবে? Read
ছাগলের এন্টারোটক্সিমিয়া রোগ সম্পর্কে জেনে রাখুন

ছাগলের এন্টারোটক্সিমিয়া রোগ সম্পর্কে জেনে রাখুন

আলোচ্য বিষয়: ছাগলের এন্টারোটক্সিমিয়া রোগের লক্ষণ ও কারণসমূহ- Read