প্রবাসীদের জন্য পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেকঃ কীভাবে জানবেন পাসপোর্ট কবে হাতে পাবেন?

প্রবাসীদের জন্য পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেকঃ পাসপোর্ট কবে হাতে পাবেন

পাসপোর্ট প্রবাসীদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি। নতুন পাসপোর্ট, রিনিউ, বা রিইস্যুর জন্য আবেদন করার পর অনেক প্রবাসী উৎকণ্ঠার সাথে অপেক্ষা করেন পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার জন্য। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—আবেদনের কতদিন পর পাসপোর্ট হাতে পাওয়া সম্ভব? অনেকে দূতাবাসে ফোন করে জানতে চান, কিন্তু প্রায়ই শুনতে পান, “এক সপ্তাহ পর আসবে,” বা “দুই সপ্তাহ পর আসবে।” এমনকি দুই-তিন মাস, এমনকি চার-পাঁচ মাসও চলে যায়, তবু পাসপোর্টের খোঁজ পাওয়া যায় না। তাহলে কীভাবে জানবেন আপনার পাসপোর্টের স্ট্যাটাস?

এই নিবন্ধে পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করার প্রক্রিয়া, বিভিন্ন স্ট্যাটাসের অর্থ, এবং পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার সম্ভাব্য সময়সীমা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। এই নিবন্ধটি এমনভাবে লেখা হয়েছে যাতে প্রবাসীরা সহজেই তথ্য বুঝতে পারেন এবং তাদের উৎকণ্ঠা দূর করতে পারেন।

(১) এক নজরে পাসপোর্ট আবেদনের প্রক্রিয়া

পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার পর এটি হাতে পাওয়ার আগে বেশ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এই ধাপগুলোর মধ্যে রয়েছে আবেদন জমা দেওয়া, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, প্রিন্টিং, শিপিং, এবং সংগ্রহ। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি কিছুটা জটিল এবং সময়সাপেক্ষ হতে পারে। বিশেষ করে, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের পাসপোর্টের জন্য দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। সাধারণত এই প্রক্রিয়ায় ২-৫ মাস সময় লাগতে পারে। তবে, বিভিন্ন কারণে এটি আরও বেশি সময় নিতে পারে।

পাসপোর্ট আবেদনের ধাপগুলোঃ

পাসপোর্ট আবেদনের প্রক্রিয়াটি নিম্নলিখিত ধাপগুলোর মধ্য দিয়ে যায়-

  1. আবেদন জমা: আবেদনকারী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পাসপোর্ট অফিস বা দূতাবাসে আবেদন জমা দেন।
  2. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স: আবেদনটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) পুলিশের কাছে পাঠানো হয়।
  3. প্রিন্টিং: পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর পাসপোর্ট প্রিন্ট করা হয়।
  4. শিপিং: পাসপোর্ট আগারগাঁও পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে দূতাবাস বা সংগ্রহ কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
  5. ইস্যু এবং সংগ্রহ: পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য প্রস্তুত হয় এবং আবেদনকারী এটি গ্রহণ করেন।

এই ধাপগুলোর প্রতিটি স্ট্যাটাস অনলাইনে চেক করা যায়। পরবর্তী অংশে এই বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে।

(২) কীভাবে পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করবেন?

পাসপোর্টের স্ট্যাটাস জানতে হলে আবেদনকারীকে তাঁর আবেদনের সময় প্রাপ্ত রিসিপ্ট বা এনরোলমেন্ট নম্বর ব্যবহার করতে হবে। এই নম্বরটি পাসপোর্ট অফিস বা দূতাবাস থেকে প্রদান করা হয়।

নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে স্ট্যাটাস চেক করা যায়-

  1. অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ: বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.passport.gov.bd) এ গিয়ে “Check Status” অপশনে ক্লিক করুন।
  2. তথ্য প্রদান: আবেদনের সময় প্রাপ্ত এনরোলমেন্ট নম্বর এবং জন্ম তারিখ ইনপুট করুন।
  3. স্ট্যাটাস দেখুন: সঠিক তথ্য প্রদানের পর স্ক্রিনে পাসপোর্টের বর্তমান স্ট্যাটাস দেখা যাবে।

এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক এবং প্রবাসীদের জন্য খুবই সুবিধাজনক। তবে, সার্ভার সমস্যা বা ইন্টারনেট সংযোগের কারণে কখনো কখনো স্ট্যাটাস চেক করতে সমস্যা হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

(৩) পাসপোর্ট স্ট্যাটাসের বিভিন্ন ধাপ এবং তাদের অর্থ

পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করার সময় বিভিন্ন ধরনের স্ট্যাটাস দেখা যায়, যা আবেদনের অগ্রগতি নির্দেশ করে। এই স্ট্যাটাসগুলোর অর্থ নিম্নরূপ-

১. পেন্ডিং ফাইনাল অ্যাপ্রুভাল (Pending Final Approval)

এই স্ট্যাটাস মানে আবেদনটি এখনও পাসপোর্ট অধিদপ্তর বা দূতাবাসে গ্রহণ করা হয়নি। এটি প্রাথমিক পর্যায়, যেখানে আবেদনটি যাচাই-বাছাইয়ের অপেক্ষায় থাকে। এই ধাপে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

২. পেন্ডিং এসবি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (Pending SB Police Clearance)

আবেদন গ্রহণের পর এটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য পাঠানো হয়। এই পর্যায়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) পুলিশ আবেদনকারীর পটভূমি তদন্ত করে। এই প্রক্রিয়াটি সাধারণত ১-২ মাস সময় নেয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সময় নিতে পারে।

৩. পেন্ডিং ইন প্রিন্ট (Pending in Print)

এই স্ট্যাটাস নির্দেশ করে যে পাসপোর্টটি প্রিন্টিংয়ের জন্য সারিবদ্ধ রয়েছে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন হওয়ার পর পাসপোর্ট অধিদপ্তর এটি প্রিন্ট করার জন্য প্রস্তুত করে। এই ধাপে ১-২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

৪. পাসপোর্ট শিপড (Passport Shipped)

প্রিন্টিং সম্পন্ন হলে পাসপোর্ট আগারগাঁও পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা সংগ্রহ কেন্দ্রে পাঠানো হয়। এই স্ট্যাটাস দেখায় যে পাসপোর্ট শিপিং প্রক্রিয়ায় রয়েছে। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে এটি ১-৪ সপ্তাহ সময় নিতে পারে।

৫. পাসপোর্ট রেডি ফর ইস্যু (Passport Ready for Issuance)

এই স্ট্যাটাস ইঙ্গিত দেয় যে পাসপোর্টটি দূতাবাস বা সংগ্রহ কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে এবং এটি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত। এই পর্যায়ে পাসপোর্টটি সাধারণত ১-৭ দিনের মধ্যে সংগ্রহ করা যায়। তবে, বান্ডেল হিসেবে পাসপোর্ট পাঠানোর কারণে কখনো কখনো এটি একটু দেরি হতে পারে।

৬. পাসপোর্ট রেডি ফর কালেক্ট (Passport Ready for Collect)

এই স্ট্যাটাসটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি মানে পাসপোর্টটি সংগ্রহের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এই সময় আবেদনকারীর মোবাইলে একটি মেসেজ আসে, যেখানে জানানো হয় যে পাসপোর্টটি সংগ্রহ করা যাবে। অনেক সময় ইমেইলেও এই মেসেজ পাঠানো হয়। এই স্ট্যাটাস দেখার পর আবেদনকারী যেকোনো সময় দূতাবাসে গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারেন।

(৪) প্রবাসে পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার সময়সীমা

প্রবাসীদের পাসপোর্ট হাতে পেতে সাধারণত ২-৫ মাস সময় লাগে। তবে, এই সময় বিভিন্ন কারণে পরিবর্তিত হতে পারে। নিচে কিছু সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ করা হলো-

  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে দেরি: পটভূমি তদন্তে সময় বেশি লাগলে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হতে পারে।
  • প্রিন্টিংয়ের সিরিয়াল: পাসপোর্ট প্রিন্টিংয়ের জন্য সিরিয়ালে অপেক্ষা করতে হতে পারে।
  • শিপিংয়ের সময়: আন্তর্জাতিক কুরিয়ারের মাধ্যমে পাসপোর্ট পাঠানোর কারণে শিপিংয়ে সময় লাগতে পারে।
  • দূতাবাসের প্রক্রিয়া: দূতাবাসে পাসপোর্ট পৌঁছানোর পর এটি অনলাইনে অ্যাকটিভ করতে কিছু সময় লাগতে পারে।

অনেক সময় আবেদনের সময় দেওয়া ডেলিভারি তারিখের সাথে প্রকৃত সময় মিলে না। এটি পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সার্ভার বা প্রক্রিয়ার ধরনের উপর নির্ভর করে। তবে, “Passport Ready for Collect” স্ট্যাটাস দেখার পর সাধারণত ১-৭ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যায়।

(৫) পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় কী করবেন?

পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখুন-

  1. মেসেজের জন্য অপেক্ষা করুন: “Passport Ready for Collect” মেসেজ না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এই মেসেজ মোবাইল বা ইমেইলে আসবে।
  2. দূতাবাসে যোগাযোগ: যদি “Passport Ready for Issuance” স্ট্যাটাস এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে এবং কোনো মেসেজ না আসে, তাহলে দূতাবাসে ফোন করে জানতে পারেন।
  3. সঠিক সময়ে যান: মেসেজ পাওয়ার আগে দূতাবাসে গেলে পাসপোর্ট না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই মেসেজ পাওয়ার পরই যাওয়া ভালো।
  4. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিন: পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় এনরোলমেন্ট রিসিপ্ট এবং পরিচয়পত্র সঙ্গে নিতে ভুলবেন না।

(৬) প্রবাসীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ

প্রবাসীদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট প্রক্রিয়াটি কিছুটা দীর্ঘ হতে পারে। এর কারণ হলো আন্তর্জাতিক শিপিং এবং দূতাবাসের প্রক্রিয়া। নিচে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো-

  • ধৈর্য ধরুন: পাসপোর্ট প্রক্রিয়ায় দেরি হওয়া স্বাভাবিক। তাই উৎকণ্ঠা না করে স্ট্যাটাস নিয়মিত চেক করুন।
  • অনলাইন চেক করুন: দূতাবাসে বারবার ফোন করার পরিবর্তে অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করুন। এটি সময় বাঁচায়।
  • সঠিক তথ্য দিন: আবেদনের সময় সঠিক মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল ঠিকানা প্রদান করুন, যাতে মেসেজ পেতে কোনো সমস্যা না হয়।
  • দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ: যদি স্ট্যাটাস দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে দূতাবাসে যোগাযোগ করুন এবং এনরোলমেন্ট নম্বর উল্লেখ করে বিস্তারিত জানান।

(৭) কেন পাসপোর্ট প্রক্রিয়ায় দেরি হয়?

পাসপোর্ট প্রক্রিয়ায় দেরি হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে-

  • আবেদনের সংখ্যা: প্রচুর সংখ্যক আবেদন জমা পড়লে প্রক্রিয়াটি ধীর হয়ে যায়। এটাই মূল কারণ, আরি কিছুই না।
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে সময়: পটভূমি তদন্তে জটিলতা থাকলে সময় বেশি লাগতে পারে।
  • লজিস্টিক সমস্যা: আন্তর্জাতিক কুরিয়ার বা দূতাবাসের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ায় দেরি হতে পারে।
  • প্রযুক্তিগত সমস্যা: সার্ভার বা অনলাইন সিস্টেমে সমস্যা থাকলে স্ট্যাটাস আপডেট হতে দেরি হতে পারে।

(৮) শেষকথা

প্রবাসীদের জন্য পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করা এবং পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার প্রক্রিয়াটি কিছুটা সময়সাপেক্ষ হলেও, সঠিক তথ্য এবং ধৈর্য থাকলে এটি সহজ হয়ে যায়। অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করে আপনি আপনার পাসপোর্টের অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে পারেন। “Passport Ready for Collect” মেসেজ পাওয়ার পর দ্রুত দূতাবাসে যোগাযোগ করুন এবং পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন। এই নিবন্ধটি আপনার পাসপোর্ট সম্পর্কিত উৎকণ্ঠা দূর করতে এবং প্রক্রিয়াটি সহজ করতে সহায়ক হবে বলে আশা করি।

এই তথ্য যদি আপনার জন্য উপকারী হয়, তাহলে এটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে কমেন্টে জানান, আমরা সাহায্য করার চেষ্টা করব। সবাই ভালো থাকুন!

অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

দলিল বড় নাকি রেকর্ড খতিয়ান বড়, জমির মালিকানা নির্ধারণে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ

দলিল বড় নাকি রেকর্ড খতিয়ান বড়? জমির মালিকানা নির্ধারণে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ

আলোচ্য বিষয়: দলিল বড় নাকি রেকর্ড খতিয়ান বড়? জমির মালিকানা নির্ধারণে দলিল ও খতিয়ানের গুরুত্ব, আইনি দিক, এবং জমি কেনার সময় কী কী যাচাই করবেন তা বিস্তারিত জানুন। এই ব্লগে পাবেন বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী জমির মালিকানা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। Read
নামজারি কি, জমি খারিজ না করলে কি হয়, নামজারি বাতিল হরে করণীয়

নামজারি কি? জমি খারিজ না করলে কি হয়? নামজারি বাতিল হরে করণীয়

আলোচ্য বিষয়: (১) নামজারি কি? (২) নামজারি কত প্রকার ও কি কি? (৩) জমি খারিজ না করলে কি হয়? (৪) একই মৌজাতে অনেক পরিমাণে বা বেশি দামের জমি হলে সেগুলো একত্রে নামজারি করতে কি বেশি টাকা লাগবে? (৫) নামজারি অনুমোদন হচ্ছেনা কি করবো? নামজারি বাতিল হয়ে গেছে এখন কি করবো? Read
ই-পাসপোর্ট আবেদন করতে কোন কোন কাগজপত্র লাগে

ই-পাসপোর্ট আবেদন করতে কোন কোন কাগজপত্র লাগে?

আলোচ্য বিষয়: (১) ই-পাসপোর্ট আবেদন করতেযে সকল কাগজপত্র লাগে (২) পেমেন্ট সংক্রান্ত সতর্কতা (৩) গুরুত্বপূর্ণ টিপস Read
লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ডিলিট করার প্রক্রিয়া ২০২৫

লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ডিলিট করার প্রক্রিয়া ২০২৫

আলোচ্য বিষয়: (১) কেন লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ডিলিট করতে হয়? (২) লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স কী? (৩) লার্নার লাইসেন্স ডিলিট করার জন্য অনলাইন অপশন আছে কি? (৪) বিআরটিএ-তে লার্নার লাইসেন্স ডিলিট করার প্রক্রিয়া (৫) ঢাকায় এবং ঢাকার বাইরে প্রক্রিয়ার পার্থক্য (৬) লার্নার লাইসেন্স ডিলিট করতে কত সময় লাগে? (৭) লার্নার লাইসেন্স ডিলিট করার জন্য কোনো ফি লাগে কি? (৮) লার্নার লাইসেন্স তৈরির সময় ভুল এড়ানোর উপায় (৯) বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (১০) উপসংহার Read
informationbangla.com default featured image compressed

কিভাবে ড্রাইভিং পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করবেন?

আলোচ্য বিষয়: আপনারা যারা ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য লার্নার কার্ড তৈরি করেছেন এবং দেখছেন যে আপনার পরীক্ষার তারিখ তিন বা চার মাস পরে নির্ধারিত হয়েছে, কিন্তু আপনার জরুরিভাবে পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স সংগ্রহ করা প্রয়োজন, কিভাবে ড্রাইভিং পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করবেন, তাদের জন্য এই ব্লগে আমরা বিস্তারিতভাবে দেখাবো কীভাবে বিআরটিএ (BRTA) পোর্টালের মাধ্যমে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করে তাড়াতাড়ি পরীক্ষা দেওয়া যায়। এই প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ, তবে কিছু নির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ করতে হবে। চলুন, ধাপগুলো জেনে নিই। Read
পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে করণীয় কী, লস্ট সার্কুলার

পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে করণীয় কী? লস্ট সার্কুলার

আলোচ্য বিষয়: (১) পাসপোর্ট হারানোর পর প্রাথমিক পদক্ষেপ (২) লস্ট সার্কুলার কী এবং কেন প্রয়োজন? (৩) লস্ট সার্কুলার পাওয়ার প্রক্রিয়া (৪) ভারত ভ্রমণের জন্য ভিসা আবেদন (৫) অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে লস্ট সার্কুলারের প্রয়োজনীয়তা (৬) পাসপোর্ট হারানোর পর নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন (৭) পাসপোর্ট হারানো এড়াতে সতর্কতা (৮) সাধারণ ভুল এবং তা এড়ানোর উপায় Read
পাসপোর্টে নাম ও বয়সের অমিল থাকলে ভিসা পেতে কী সমস্যা হয়

পাসপোর্টে নাম ও বয়সের অমিল থাকলে ভিসা পেতে কী সমস্যা হয়?

আলোচ্য বিষয়: (১) পাসপোর্টে নাম ও বয়সের অমিল কেন হয়? (২) ওয়ার্ক পারমিট ভিসার ক্ষেত্রে অমিলের প্রভাব (৩) টুরিস্ট ও স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে অমিলের সমস্যা (৪) ব্ল্যাকলিস্টিং এবং বায়োমেট্রিক তথ্য (৫) কীভাবে পাসপোর্টের নাম ও বয়সের অমিল সংশোধন করবেন? (৬) ভিসা আবেদনের সময় করণীয় (৭) একটি উদাহরণ Read
থানা থেকে সালিশের জন্য ডাকলে কী করবেন, বিস্তারিত গাইড

থানা থেকে সালিশের জন্য ডাকলে কী করবেন? বিস্তারিত গাইড

আলোচ্য বিষয়: (১) থানা থেকে সালিশের জন্য ডাকঃ এটা কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? (২) থানার ডাক এড়ানো কেন ভুল? (৩) ফোন কলের সত্যতা যাচাই করুন (৪) প্রস্তুতিঃ থানায় যাওয়ার আগে কী করবেন? (৫) থানায় যাওয়ার সময় কী মাথায় রাখবেন? (৬) সালিশের সময় কীভাবে কথা বলবেন? (৭) সাধারণ ভুল এবং কীভাবে এড়াবেন (৮) সালিশের সুবিধাঃ কেন থানায় সমাধান ভালো? (৯) কিছু সাধারণ মামলা এবং সমাধান (১০) উপসংহার Read
জমির কাজে কোন ভূমি অফিসে যাবেন, সকল প্রকার ভূমি অফিসের পরিচয়

জমির কাজে কোন ভূমি অফিসে যাবেন? বাংলাদেশের সকল প্রকার ভূমি অফিসের পরিচয়

আলোচ্য বিষয়: নিম্নে জমির কাজে কোন ভূমি অফিসে যাবেন? বাংলাদেশের ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগ কেন্দ্রিক সকল ভূমি অফিসের পরিচয় সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধারা হলো- Read
চেকের মামলায় জয়ের জন্য বাদীকে যে বিষয়গুলো প্রমাণ করতে হবে

চেকের মামলায় জয়ের জন্য বাদীকে যে বিষয়গুলো প্রমাণ করতে হবে

আলোচ্য বিষয়: এই নিবন্ধে, আমরা বিস্তারিতভাবে জানবো, চেকের মামলায় জয়ের জন্য বাদীকে কী কী প্রমাণ করতে হবে এবং কীভাবে এই প্রমাণগুলো তাকে শতভাগ বিজয় নিশ্চিত করতে পারে। Read