সদ্যজাত বাছুর গরুর জ্বরের বারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

সদ্যজাত বাছুর গরুর জ্বর সাধারণত সংকর জাতের বাছুর গরুতে হয়। আমাদের দেশের সংকর জাতের বাছুর গরুর জন্মের কয়েক দিন পর হতে অত্যাধিক জ্বর হয়। ফলে বাছুর গরু অত্যধিক ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
রোগের কারণ-
- আবহাওয়া জনিত কারণে।
- বাচ্চার শরীরে বিদেশী জাতের ব্লাডের পরিমাণ ৭৫% এর বেশি থাকলে এ রোগ হয়।
রোগের লক্ষণ-
- শ্বাস-কষ্ট হয়।
- খাবারের প্রতি অরুচি হয়।
- বাছুর সবসময় ঠাণ্ডা স্থান পছন্দ করে।
- জ্বর অত্যাধিক ১০৪-১০৬ ডিগ্রী পর্যন্ত হয়।
- ঘন ঘন নিশ্বাস নেয়।
চিকিৎসা-
➤ অসুস্থ বাছুর গরুকে ঠাণ্ডা স্থানে রাখতে হবে।
➤ বাছুরকে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্যালাইনে পানি খাওয়াতে হবে। ইলাইট ২০ গ্রাম (অরবিটেক) বা ওরালাইট ২৫ গ্রাম (অপসোনিন) অথবা গুকোলাইট ২০ গ্রাম (ACME) বা রেনালাইট ২৫ গ্রাম (Renata)
ব্যবহারের নিয়ম: ১ গ্রাম ১ লিটার পানির সঙ্গে খাওয়াতে হবে।
➤ উপরোক্ত পদ্ধতিতে বাচ্চার জ্বর না কমলে। ভেটেমাইসিন-৫০ ১০ মি.লি. (অপসোনিন) বা ইঞ্জেকশন রেনামাইসিন-৫০ ১০ মি.লি. (Renata) বা ইঞ্জেকশন অক্সিটেট ১০ মি.লি. (ACI) অথবা ইঞ্জেকশন ক্লোরসন ১০ মি.লি. (Techno)
ব্যবহারের নিয়ম: ৩-৪ মি.লি. ইঞ্জেকশন মাংসপেশীতে দিনে একবার করে পর পর ৫-৭ দিন দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা-
- গরুকে প্রজনন করানোর সময় কখনোই ১০০% বা ৭৫% সিমেন ব্যবহার করা যাবে না।
- বাছুর গরুকে ঠাণ্ডা পরিবেশে লালন-পালন করে এ রোগের হাত হতে রক্ষা পাওয়া যায়।
অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।




