স্বাভাবিক সংখ্যা কাকে বলে? স্বাভাবিক সংখ্যার উৎপত্তি

আজ আমরা স্বাভাবিক সংখ্যা নিয়ে আলোচনা করব। স্বাভাবিক সংখ্যা কাকে বলে এবং এর উৎপত্তি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব।
(১) স্বাভাবিক সংখ্যা কাকে বলে?
শূন্য থেকে বড় সকল পূর্ণ সংখ্যাকে স্বাভাবিক সংখ্যা বা ধনাত্মক অখণ্ড সংখ্যা বলে। অন্যভাবে বলতে গেলে সকল গণনার যোগ্য সংখ্যা কে স্বাভাবিক সংখ্যা বলে। যেমনঃ 1,2,3,4…N
স্বাভাবিক সংখ্যার ক্ষুদ্রতম মান 1 এবং এর সেট কে N দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
(২) স্বাভাবিক সংখ্যার উৎপত্তি
প্রাচীনকালে গণনা কার্য এবং হিসাব নিকাশ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্বাভাবিক সংখ্যার উৎপত্তি হয়। যেমনঃ ৫টি কমলা কোন প্রতিযোগিতায় ১ম, ২য় স্থান এরকম হিসাব নিকাশের জন্য স্বাভাবিক সংখ্যার উৎপত্তি হয়।
অর্থ্যাৎ, মানুষ যখন প্রথমবারের মতো গণনা শুরু করেছিল— একটা, দুইটা, তিনটা… সেখান থেকেই স্বাভাবিক সংখ্যার উৎপত্তি।
প্রাচীনকালে মানুষ শিকার, গৃহপালিত পশু, ফসল বা জিনিসপত্রের সংখ্যা গণনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। তখন তারা আঙুল, পাথর, কাঠির দাগ, কিংবা গিঁট দিয়ে জিনিসপত্রের হিসাব রাখত। এভাবেই “এক”, “দুই”, “তিন” ইত্যাদি ধারনা জন্ম নেয়। মানুষ যখন বুঝল একই রকম জিনিসকে আলাদা আলাদাভাবে গণনা করা যায়, তখন “সংখ্যা” বা “Number” ধারণার উদ্ভব হলো। এটাই স্বাভাবিক সংখ্যার জন্ম।
ব্যাবিলনীয়, মিশরীয়, ভারতীয় ও গ্রিকরা স্বাভাবিক সংখ্যা ব্যবহার করত গাণিতিক হিসাব, কর আদায়, জমির পরিমাপ ইত্যাদিতে। ভারতীয় গণিতবিদেরা (যেমন পিঙ্গল, আর্যভট্ট) সংখ্যার ধারা ব্যাখ্যা করেন। শূন্য আবিষ্কারের আগে গণিত পুরোপুরি স্বাভাবিক সংখ্যার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। তাই স্বাভাবিক সংখ্যাকে গণিতের আদি সংখ্যা বলা হয়।
অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।








