১২টি ছাগলের বিভিন্ন জাতের নাম ও পরিচতি

(12টি) ছাগলের বিভিন্ন জাতের নামঃ [দক্ষিণ এশিয়ার] ছাগলের জাত সমূহের পরিচতি।

বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন জাতের ছাগল পাওয়া যায়। বৈচিত্রে, আকৃতিতে ও আচরণে তাদের বিভিন্নতা লক্ষণযোগ্য। প্রজননের মাধ্যমে চাহিদা অনুপাত এবং প্রয়োজনানুসারে শঙ্কর জাতীয় ছাগল তৈরি করা যায়। নিম্নে ১২টি ছাগলের বিভিন্ন জাতের নামঃ বিটল্, অ্যাংগোরা, সোনালি গোয়েন্‌সি, সানেন্, টোগেনবার্গ, ব্রিটিশ টোগেবার্গ, এল্‌পাইন্, অ্যাংলো নোবিয়ান, বারবারি, ছাগল তিব্বতী, বাংলাদেশি কালো ছাগল, উন্নত জাতের শঙ্কর বা ক্রস ইত্যাদি বিভিন্ন জাতের ছাগলের বিবরণ দেওয়া হলো-

১. বিটল্ ছাগলের জাত

বিটল্ ছাগলের জাত
বিটল্ ছাগলের জাত

পশ্চিম ভারতে এবং পাকিস্তানে বিটল্‌ জাতীয় ছাগল পাওয়া যায়। এরা কালো, সাদা, বাদামি বা যে-কোনো একাধিক রঙের সংমিশ্রণ যুক্ত হতে পারে। নাক ও মুখের গড়ন যমুনা পাড়ির মতো ঝুলন্ত নয়। এদের শিং পেছনের দিকে বাঁকা। ছাগীর দাড়ি নেই কিন্তু পাঠা বা পুরুষ ছাগলের দাড়ি আছে। যমুনা পাড়ির মতো আকারে বড় হয়। দৈনিক দুধের পরিমাণ ৩-৪ লিটার।

২. অ্যাংগোরা ছাগলের জাত

অ্যাংগোরা ছাগলের জাত
অ্যাংগোরা ছাগলের জাত

নাইজেরিয়ায় অ্যাংগোরা ছাগলের উৎপত্তিস্থল। এ জাতীয় ছাগলের দেহ লম্বা ও সাদা লোমে আবৃত। এ লোমকে বলা হয় ‘মোহের বা মরক্কো ফাইবার’। লোম উৎপাদন ছাড়াও এ ছাগলের মাংস মোটামুটি সুস্বাদু। এ জন্য এ ছাগল মাংস উৎপাদনেও ব্যবহার করা হয়। দুধ উৎপাদন কম। গড়পড়তা শরীরের ওজন ৪০-৫০ কেজি। এরা গরম আবহাওয়া সহ্য করতে পারে না।

৩. সোনালি গোয়েন্‌সি ছাগলের জাত

সোনালি গোয়েন্‌সি ছাগলের জাত
সোনালি গোয়েন্‌সি ছাগলের জাত

উৎপত্তিস্থল গোয়েন্‌সির নামানুসারে এ ছাগলের নামকরণ করা হয়েছে। ব্রিটিশ গোট সোসাইটি ১৭৯০ সালে একটি স্বতন্ত্রখাত হিসেবে এ ছাগলকে তালিকাভুক্ত করে। ১৯৭৪ সালে ব্রিটিশ সানেন্ পাঠা সোনালি গোয়েন্‌সি পাঠীর সাথে প্রজনন করে এ শঙ্কর জাতের ছাগল উৎপাদন করেন। এ শঙ্কর ছাগলের কান সোজা, শরীরের লোম ছোট ছোট ও সোনালি রঙের। গোয়েন্‌সি ছাগলের লোম বড় ও কোঁকড়ানো। এদের মাংস সুস্বাদু এবং দুধের উৎপাদন সন্তোষজনক।

৪. সানেন্ ছাগল ছাগলের জাত

সানেন্ ছাগল ছাগলের জাত
সানেন্ ছাগল ছাগলের জাত

সানেন্ জাতের ছাগলের উৎপত্তিস্থল সুইজারল্যান্ড। হল্যান্ডের সমতল ভূমিতে এ জাতের ছাগল প্রচুর পাওয়া যায়। পৃথিবীর যে-কোনো দেশের স্থানীয় আবহাওয়ার সাথে তারা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে। এদের অনেকের শিং আছে আবার কোনোটার শিং নেই। শরীর উজ্জ্বল সাদা ছোট ছোট লোমে আবৃত। যে ছাগলের চামড়া সাদা ও শরীর সাদা লোমে আবৃত তাদের শরীরে এক ধরনের ক্যান্সার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু যে ছাগলের চামড়া কালো এবং লোম সাদা তাদের শরীরে সাধারণত এ জাতীয় রোগ হয় না। এদের শরীরের তুলনায় পা ছোট এবং ওলান বড় ও সুগঠিত। দৈনিক ৩ থেকে ৫ লিটার পর্যন্ত দুধ দেয় বলে দুগ্ধ খামারের জন্যে অত্যন্ত উপযোগী। দুধের মধ্যে ‘বাটার ফ্যাট’ শতকরা ৪ ভাগ।

৫. টোগেনবার্গ ছাগলের জাত

টোগেনবার্গ ছাগলের জাত
টোগেনবার্গ ছাগলের জাত

সুইজারল্যান্ড ও আমেরিকায় এ জাতের ছাগল পাওয়া যায়। শরীরের রঙ হালকা বাদামি, কান খাড়া এবং শিং আছে। শরীরের লোম ছোট এবং খাড়া আবার কোনো কোনো ছাগলের লম্বা ও প্যাঁচানো লোম দেখা যায়। এ জাতের ছাগল গরম আবহাওয়া সহ্য করতে পারে। এরা আকারে বেশ বড় হয়। একটা পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ ছাগলের ওজন ৪৫ হতে ৫০ কেজি পর্যন্ত হয়। ছাগীর ওজন ২৭ হতে ৪০ কেজি পর্যন্ত হয়।

৬. ব্রিটিশ টোগেবার্গ ছাগলের জাত

ব্রিটিশ টোগেবার্গ ছাগলের জাত
ব্রিটিশ টোগেবার্গ ছাগলের জাত

মিশ্র শঙ্কর জাতের ছাগল ব্রিটিশ টোগেবার্গ। এদের শরীরের রং টোগেবার্গের মতো বাদামি কিন্তু পেট, পিঠ ও কানে সাদা রঙ আছে। এ ছাগলের পা লম্বা এবং শরীর আকারে বড়। পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ ছাগলের ওজন ৬০ হতে ৬৫ কে. জি. এবং ছাগী প্রায় ৫০ হতে ৭০ কেজি। তারা মাঠে চরে খেতে পছন্দ করে এবং পার্বত্য ও শুষ্ক স্থানের জন্যে উপযুক্ত ৷ ‘স্টল ফিডিং’-এ অভ্যস্ত নয় বলে খামারের জন্যে তেমন উপযুক্ত নয়।

৭. এল্‌পাইন্ ছাগলের জাত

এল্‌পাইন্ ছাগলের জাত
এল্‌পাইন্ ছাগলের জাত

আদিম কালে ইউরোপের আলপ্‌স পর্বতমালার পাদদেশে পাওয়া যেত এল্‌পাইন্‌ ছাগল। এরা গরম আবহাওয়া এবং সমতল ভূমি অঞ্চলে থাকতে পারে এবং যে-কোনো অবস্থার জন্য উপযোগী। এদের শরীরের রঙ কালো কিন্তু সাদা ডোরা কাটা দাগ অথবা সাদা, কালো, বাদামি ইত্যাদি মিশ্র রঙেরও হতে পারে। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ জাতের ছাগল খামারে প্রতিপালিত হচ্ছে। এদের শিং আছে এবং আকারে অত্যন্ত বড় হয়। দৈনিক ৪ হতে ৫ লিটার পর্যন্ত দুধ দেয়।

৮. অ্যাংলো নোবিয়ান ছাগলের জাত

অ্যাংলো নোবিয়ান ছাগলের জাত
অ্যাংলো নোবিয়ান ছাগলের জাত

এ্যাংলো নোবিয়ান ভারতের যমুনা পাড়ি ও মিশরের জেরিবাই জাতের ছাগল হতে উৎপন্ন শঙ্কর জাতের ছাগল। ব্রিটেনের উদ্ভাবিত নোবিয়ান্ ছাগল অত্যন্ত উন্নতমানের। চেহারা এবং দুগ্ধ উৎপাদনে ছাগলের জুড়ি নেই। বছরে একটি করে বাচ্চা হয়। দৈনিক দুধের পরিমাণ ৫ হতে ৬ লিটার। দুধে ‘বাটার ফ্যাট’ শতকরা ৪ হতে ৫ ভাগ। এ ‘বাটার ফ্যাট’ থাকার দরুন নোবিয়ান্ ছাগলকে জার্সি গাভীর সাথে তুলনা করা হয়। দুগ্ধ উৎপাদন অবস্থায় গাভীন না হলে একটানা দু বছর যাবৎ দুধ দিতে পারে। এদের শরীরের রং সাদা, কালো, লাল, বাদামি বা মিশ্র হতে পারে। রোম খুব ছোট সুবিন্যস্ত এবং সুন্দর। শিং আছে, কান দুটো যমুনাপাড়ীর মতো ঝুলন্ত। এরা চরে খেতে ভালোবাসে কিন্তু আবদ্ধ অবস্থায় ‘স্টল ফিডিং’- এর জন্যেও উপযোগী।

৯. বারবারি ছাগলের জাত

বারবারি ছাগলের জাত
বারবারি ছাগলের জাত

এদের উৎপত্তিস্থল মধ্য এবং পশ্চিম আফ্রিকা। ভারতের এটোয়া আগ্রা এবং মথুরা জেলাতে এ ছাগল পাওয়া যায়। বাংলাদেশে উত্তরাঞ্চলে এ ছাগল দেখা যায়। গাভীর মতো বারবারী ছাগল গোয়াল ঘরে বা স্টলে পালতে সহজ। এদের আকার মাঝারি। পুরুষ ছাগল পূর্ণ বয়সে ৪০-৫০ কেজি এবং স্ত্রী ছাগল ৩০-৩৫ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়। শরীরের রঙ সাদা বা হরিণের মতো বাদামি সাদা ও কালো রঙের চক্রাকার হতে পারে। পা ছোট ওলান বড় ও নিচের দিকে ঝুলন্ত। দৈনিক দুধের উৎপাদন ২ হতে ৩ লিটার। দুধে চর্বি জাতীয় পদার্থের পরিমাণ শতকরা ৪ ভাগ। বছরে দু বার ১ হতে ২টা করে বাচ্চা দেয়।

১০. তিব্বতী ছাগলের জাত

তিব্বতী ছাগলের জাত
তিব্বতী ছাগলের জাত

তিব্বতের পাহাড়ি অঞ্চলে এ ছাগল পাওয়া যায়। এ ছাগলের বৈশিষ্ট্য এই যে, এদের শরীরে ৪ ইঞ্চি হতে ৫ ইঞ্চি লম্বা সিল্কের মতো সুন্দর লোমে আবৃত থাকে। এর লোম থেকে বিখ্যাত ও ঐতিহ্যবাহী কাশ্মীরের পশমি শাল, সোয়েটার, কম্বল, কার্ডিগান, কার্পেট ইত্যাদি তৈরি হয়। এ ছাগলের দুধ উৎপাদন খুব কম এবং মাংসও তেমন সুস্বাদু নয়। এরা গরম আবহাওয়া সহ্য করতে পারে না।

১১. বাংলাদেশি কালো ছাগলের জাত

বাংলাদেশি কালো ছাগলের জাত
বাংলাদেশি কালো ছাগলের জাত

‘কালো ছাগল’ বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের সমগ্র পশ্চিম বাংলা আসাম ও মেঘালয়ে পাওয়া যায়। এদের নাম ‘কালো ছাগল’ হলেও সাদা, বাদামি অথবা কালো রঙের সাথে সংমিশ্রণ অবস্থায় দেখা যায়। এ জাতের ছাগলের মাংস অত্যন্ত সুস্বাদু। মাংসের জন্যে এদের কদর সর্বত্র। বছরে দু বার এবং একত্রে দুটো হতে সর্বাধিক ৬টা পর্যন্ত বাচ্চা প্রসব করার নমুনা আছে। এরা দ্রুত বংশবিস্তার ঘটাতে পারে।

আফ্রিকার বেটে বা ছোট জাতের ছাগলের মতো এরা অত্যধিক কষ্টসহিষ্ণু ও চঞ্চল। অত্যন্ত নিম্নমানের ঘাসপাতা, লতাগুল্ম, কাটাঝোপ, গাছের ছাল-শিকড় ইত্যাদি খেয়ে জীবন ধারণ করতে সক্ষম। সুষম খাদ্য দিলে এবং ব্যবস্থাপনা উন্নত হলে দৈনিক দেড় লিটার পর্যন্ত দুধ দিতে পারে। তবে একসাথে অধিক বাচ্চা জন্মগ্রহণ করার ফলে অনেক সময় দুধে টান পড়ে। ফলে বাচ্চা অপুষ্টিজনিত রোগে ভোগে এবং পরে মারা যায়।

এদের সোজা কান ও খাড়া বা বাঁকা শিং থাকে। এরা আকারে খুব ছোট। পূর্ণ বয়স্ক একটি পাঠার ওজন ২৫ থেকে ৩০ কেজি। পাঠীর ওজন ১৫ থেকে ২০ কেজি। কম প্রবিষ্ট থাকার ফলে উন্নতমানের পাকা চামড়া উৎপন্ন হয়। যে সমস্ত ছাগলের লোম বড় কোঁকড়ানো ও রুক্ষ তাদের চামড়ার গভীরে লোম প্রবিষ্ট থাকে। ফলে চামড়া পাকা করার পরে স্পনজী বা শোষক অবস্থা প্রাপ্ত হয়।

১২. উন্নত জাতের শঙ্কর (ক্রস) ছাগলের জাত

উন্নত জাতের শঙ্কর (ক্রস) ছাগলের জাত
উন্নত জাতের শঙ্কর (ক্রস) ছাগলের জাত

ছাগলের জাত সংরক্ষণ অথবা শঙ্কর জাত উৎপাদন করতে হলে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। উন্নত জাতের বা বিদেশি পাঠার সাথে মিলনের ফলে উৎপাদিত শঙ্কর ছাগল হলেই যে ছাগলের মান উন্নত হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। শঙ্কর ছাগল তৈরির পূর্বে একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে নিতে হবে। মাংস উৎপাদন ইত্যাদি প্রয়োজন বা উদ্দেশ্য সামনে রেখে প্রজননের জন্যে পাঠা নির্বাচন করতে হয়। অপরদিকে উৎপাদিত বাচ্চার মধ্যে কিছু সংখ্যক থাকে যারা নিম্নমানের। বাচ্চার শারীরিক চেহারা, আকার, লোমের প্রকৃতি, শারীরিক বৃদ্ধি সর্বোপরি দুধ উৎপাদন ও বাচ্চা উৎপাদনের সংখ্যা এবং হার ইত্যাদি পর্যালোচনা করে পুনঃপ্রজননের জন্যে ছাগী বাছাই করা হয়।

অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

গাভী পালন করার পদ্ধতি

গাভী পালন পদ্ধতি

আলোচ্য বিষয়: (১) গাভী পালন (২) গাভীর বাসস্থান (৩) গাভীর পরিচর্যা (৪) গাভীর খাদ্য (৫) গাভীর স্বাস্থ্যসম্মত লালন-পালন ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (৬) গাভীর বাছুর পালন (৭) গাভীর বাছুরের বাসস্থান (৮) গাভীর বাছুরের পরিচর্যা Read
ছাগলের টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার রোগের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়

ছাগলের টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার রোগের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়

আলোচ্য বিষয়: (১) ছাগলের টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার রোগের কারণ ও লক্ষণ (২) ছাগলের টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার রোগ প্রতিরোধের উপায়সমূহ Read
গরুর খাবার রুচি কম, ৩টি গরুর মুখের রুচির ঔষধ, প্রাকৃতিকভাবে গরুর রুচি বৃদ্ধি করার উপায়

গরুর খাবার রুচি কম? ৩টি গরুর মুখের রুচির ঔষধ ও প্রাকৃতিকভাবে গরুর রুচি বৃদ্ধি করার উপায়

আলোচ্য বিষয়: (১) প্রাকৃতিকভাবে গরুর রুচি বৃদ্ধি করার উপায় (২) গরুর মুখের রুচির ঔষধ Read
অপুষ্টিজনিত গরু-ছাগলের রোগ এবং ভিটামিনের অভাবজনিত গরু-ছাগলের রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও

অপুষ্টিজনিত গরু-ছাগলের রোগ এবং ভিটামিনের অভাবজনিত গরু-ছাগলের রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার

আলোচ্য বিষয়: (১) অপুষ্টিজনিত গরু-ছাগলের রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার (২) ভিটামিনের অভাবজনিত গরু-ছাগলের রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার Read
আদর্শ গরুর খামার ব্যবস্থাপনা

আদর্শ গরুর খামার ব্যবস্থাপনাঃ খামারের বর্জ্য, পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা, কম্পোস্ট ও কম্পোষ্টিং প্রক্রিয়া

আলোচ্য বিষয়: (১) আদর্শ গরুর খামারের পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা (২) গরুর খামারের পরিবেশ সুরক্ষায় খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (৩) গরুর খামারের কম্পোস্ট ও কম্পোষ্টিং প্রক্রিয়া ব্যবস্থাপনা Read
informationbangla.com default featured image compressed

৮টি জরুরি বিষয় যা গরুর খামার করে সফলতা পেতে মানতেই হবে

আলোচ্য বিষয়: গরুর খামার করে সফলতা পেতে হলে যে সকল বিষয় সবসময় মাথায় রেখে চলতে হবে, এমন ৮টি বিষয় হলো- Read
ছাগল পালনে সফল কত সময় লাগে কখন বুঝবেন আপনি ছাগল পালন করে সফল, ছাগল পালন করে কোটিপতি

ছাগল পালনে সফল কত সময় লাগে? কখন বুঝবেন আপনি ছাগল পালন করে সফল? ছাগল পালন করে কোটিপতি

আলোচ্য বিষয়: সফল ছাগল খামার বা ছাগল পালনে সফলতা। ছাগল পালনে সফল কত সময় লাগে? কখন বুঝবেন আপনি ছাগল পালন করে সফল? ছাগল পালন করে কোটিপতি। একটা ব্রিডিং ফার্ম এর সফলতার প্রথম পর্ব কোন সময়টাকে বলা হয়? এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রজনন প্রক্রিয়া কোনটাকে বলা হয়? Read
গর্ভবতী গাভীর যত্ন ও পরিচর্যা, গর্ভবতী গাভীর খাদ্য, গাভী গরুর খামারের ব্যবস্থাপনা

গর্ভবতী গাভীর যত্ন, পরিচর্যা, খাদ্য এবং গাভী গরুর খামারের ব্যবস্থাপনা

আলোচ্য বিষয়: (১) গর্ভবতী গাভী গরুর খামারের ব্যবস্থাপনা (২) গর্ভবতী গাভীর যত্ন (৩) গর্ভবতী গাভীর দানাদার খাদ্য তালিকা (৪) গর্ভবতী গাভীর পরিচর্যা Read
ভিটামিন “এ” এর অভাবে ছাগলের কি কি রোগ হয়

ভিটামিন “এ” এর অভাবে ছাগলের কি কি রোগ হয়?

আলোচ্য বিষয়: ছাগলের শরীরে ভিটামিন “এ” এর অভাবে ছাগলের কি কি রোগ হয়? কি করে বুঝবন ছাগলের ভিটামিন এর অভাব এবং ছাগলের ভিটামিন ”এ” কোন কোন সময় দিতে হয়? কোন কোন খাবারের মাধ্যমে এর অভাব দূর করতে পারবো? স্কিপ না করে শেষ মুহূর্তে অবশ্যই মনোযোগ সহকারে পড়বেন। Read
কোন ছাগল পালনে লাভ বেশী, কোন ছাগল ভালো, ছাগলের জাতের নাম by informationbangla.com (Information Bangla Dot Com)

কোন ছাগল পালনে লাভ বেশী? কোন ছাগল ভালো? ছাগলের জাতের নাম

আলোচ্য বিষয়: কোন ছাগল পালনে লাভ বেশী, কোন ছাগল ভালো, বাংলাদেশে ছাগলের খামার করার জন্য সেরা ৬টি ছাগলের জাতের নাম। যথা- আলোচ্য বিষয়: (১) ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল (Black Bengal Goat) (২) শিরোহি ছাগল (Sirohi Goat) (৩) বারবারি ছাগল (Barbari Goat) (৪) বোয়ার জাতের ছাগল (Boar Goat) (৫) বিটল ছাগল (Beetal Goat) (৬) যমুনাপারি বা রাম ছাগল (Jamnapari) (৭) উপসংহার Read