surah fatiha in bangla (সূরা ফাতিহা বাংলা উচ্চারণ ও অনুবাদ সহ অর্থ)

surah fatiha in bangla (সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ)

(১) surah fatiha in bangla

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন। আর রহমানির রহীম। মালিকি ইয়াওমিদ্দীন। ইয়্যাকা নাবুদু ওয়া ইয়্যাকানাছতাঈন। ইহদিনাসসিরাতাল মুছতাকীম। সিরাতাল্লাযীনা আনআম তাআলাইহিম। গাইরিল মাগদূ বিআলাইহীম ওয়ালাদ্দাল্লীন। আমিন।
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে। সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যে। অনন্ত দয়াময়, অতীব দয়ালু। প্রতিফল দিবসের মালিক। আমরা শুধু আপনারই দাসত্ব করি এবং শুধু আপনারই নিকট সাহায্য কামনা করি। আমাদের সরল পথনির্দেশ দান করুন। তাদের পথে, যাদের আপনি অনুগ্রহ করেছেন। এবং তাদের পথে নয় যারা আপনার ক্রোধের শিকার ও পথভ্রষ্ট। কবুল করুন।

(১) সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
 
১ম আয়াত: ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ رَبِّ ٱلْعَالَمِينَ ‎
উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লা-হি রব্বিল আ-লামীন।
অর্থ: সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যে।
 
২য় আয়াত: ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ‎
উচ্চারণ: আর রহমা-নির রহীম।
অর্থ: অনন্ত দয়াময়, অতীব দয়ালু।
 
৩য় আয়াত: مَالِكِ يَوْمِ ٱلدِّينِ ‎
উচ্চারণ: মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন।
অর্থ: প্রতিফল দিবসের মালিক।
 
৪র্থ আয়াত: إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ‎
উচ্চারণ: ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কানাছতা’ঈন।
অর্থ: আমরা শুধু আপনারই দাসত্ব করি এবং শুধু আপনারই নিকট সাহায্য কামনা করি।
 
৫ম আয়াত: ٱهْدِنَا ٱلصِّرَاطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ ‎
উচ্চারণ: ইহদিনাসসিরা-তাল মুছতাকীম।
অর্থ: আমাদের সরল পথনির্দেশ দান করুন।
 
৬ষ্ঠ আয়াত: صِرَاطَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ ‎
উচ্চারণ: সিরা-তাল্লাযীনা আন’আম তা’আলাইহিম।
অর্থ: তাদের পথে, যাদের আপনি অনুগ্রহ করেছেন।
 
৭ম/শেষ আয়াত: غَيۡرِ ٱلْمَغْضُوبِ عَلَيۡهِمۡ وَلَا اَ۬لضَّآلِّينَ ص‎
উচ্চারণ: গাইরিল মাগদূ বি’আলাইহীম ওয়ালাদ্দাল্লীন।(আমিন)
অর্থ: এবং তাদের পথে নয় যারা আপনার ক্রোধের শিকার ও পথভ্রষ্ট।(কবুল করুন)

(২) সূরা ফাতিহা বাংলা উচ্চারণ ছবি, অডিও এবং ভিডিও

সূরা ফাতিহা বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ ছবি
(Creative Commons Attribution license@banglasomadhan3666)

(৩) সূরা ফাতিহা এর নাম ও পরিচয়

আল-ফাতিহা কুরআন মাজিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরা। এটি কুরআন মাজিদের সর্বপ্রথম সূরা ফাতিহা অর্থ সূচনা, শুরু, আরম্ভ, ভূমিকা, মুখবন্ধ ও উপক্রমণিকা। যেহেতু এ সূরা কুরআন মাজিদের শুরুতে অবস্থিত, সে জন্য এ সুরার নাম করণ করা হয়েছে আল-ফাতিহা।

এ সূরা দ্বারাই সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদাত সালাত শুরু করা হয়। এটি কুরআন মাজিদের প্রথম পূর্ণাঙ্গ নাযিলকৃত সূরা। এটিকে ফাতিহাতুল কিতাব বা ফাতিহাতুল কুরআনও বলা হয়। যার অর্থ কিতাব বা কুরআনের সূচনা বা ভূমিকা।

এটি একটি মাক্কী সূরা। মহানবি (সা.) এর মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতের পূর্বে এটি নাযিল হয়। এ সূরার আয়াত সংখ্যা সাতটি।

অন্যান্য সূরার ন্যায় আল-ফাতিহা সুরার নাম মাত্র একটি নয় বরং এটির অনেকগুলো নাম রয়েছে। এমনকি অনেকে এ সূরার পঁচিশটি পর্যন্ত নাম উল্লেখ করেছেন।

সূরা আল-ফাতিহা এর নামগুলোর মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নাম হলো-

  1. উম্মুল কুরআন (কুরআনের মূল): আরবিতে উম্ম অর্থ মা বা মূল। এ সূরাটির ভেতর সমগ্র কুরআনের মূল আলোচনা সংক্ষেপে বিধৃত হয়েছে বিধায় এটিকে উম্মুল কুরআন বলা হয়।
  2. সূরাতুল হামদ (প্রশংসার সুরা): এ সূরায় মহান আল্লাহর উচ্চ প্রশংসা করা হয়। সেজন্য এ সূরার নাম সুরাতুল
  3. সুরাতুস সালাত (নামাযের সুরা): প্রত্যেক সালাতে এ সুরা পাঠ করা অপরিহার্য। এটি ব্যতীত সালাত বিশুদ্ধ হয়না। তাই এটিকে সূরাতুস সালাত বলা হয়।
  4. সুরাতুশ শোকর (কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুন্না): এ সুরার মাধ্যমে মানুষ মহান আল্লাহর অসীম অনুগ্রহ ও দয়ার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তাই এটিকে সূরাতুশ শোকর বলা হয়।
  5. সুরা দোয়া (দোয়া বা প্রার্থনামূলক সূরা): এ সূরার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। এজন্য এ সুরার আর এক নাম মুনাজাত।
  6. আসাসুল কুরআন (কুরআনের ভিত্তি): সমগ্র কুরআনে যে পরিপূর্ণ জীবন বিধান উপস্থাপন করা হয়েছে তার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে এ সূরায় বর্ণিত কয়েকটি বাণীর উপর। তাই এটিকে আসাসুল কুরআন বা কুরআনের ভিত্তি বলা হয়।
  7. সূরাতুন শিকা (রোগমুক্তির সূরা): এ সুরার প্রভাবে আধ্যাত্মিক ও দৈহিক রোগ থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। তাই এ নামকরণ করা হয়।
  8. জাস-সাউল মাছানী (নিজ্য পাঠ্য সাতটি আয়াত): সূরা আল-ফাতিহাতে সাতটি আয়াত রয়েছে এবং তা নামাযের প্রত্যেক রাকাতে পাঠ করা হয় বলে এর নাম আস-সাবউল মাছানী।

সূরা ফাতিহাকে ভেঙে ভেঙে পড়া যায় না বলে একে অখণ্ড সূরা নামেও ডাকা হয়। সূরা ফাতিহাকে ভেঙে পড়ার বিধান নেই।

(৪) সূরা ফাতিহা এর ব্যাখ্যা

কুরআন মাজিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূরা হচ্ছে আল-ফাতিহা। এ সূরায় সমগ্র কুরআনের সারমর্ম সংক্ষিপ্তভাবে বলে দেওয়া হয়েছে।

সমস্ত কুরআনে ইমান ও নেক আমলের আলোচনা করা হয়েছে। আর এ সূরায় উষ্ণ মূলনীতি দুটি সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করা হয়েছে।

এ সূরাটি মূলত আল্লাহ ও তাঁর বান্দার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের মাধ্যম। এর প্রথম তিনটি আয়াতে মহান আল্লাহর প্রশংসা ও গুণাগুণ বর্ণনা করা হয়েছে। আর শেষ তিন আয়াতে মানুষের পক্ষ হতে আল্লাহর নিকট মুনাজাত, প্রার্থনা ও মনের পরম আকুতি-মিনতি জানানো হয়েছে। আর মধ্যের একটি আয়াতে একত্রিতভাবে আল্লাহর প্রশংসা ও দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে।

হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ বলেন,

“সুরাতুল ফাতিহা আমার এবং আমার বান্দাদের মধ্যে দু’ভাগে বিভক্ত। অর্ধেক আমার জন্য আর অর্ধেক আমার বান্দাদের জন্য। আমার বান্দাগণ যা চায় তা তাদেরকে দেওয়া হবে।”

(মুসলিম)

মহান আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ও রিযিকদাতা। তিনি সারা জাহানের মালিক। জগতের সব কিছু তাঁর অনুগ্রহ ও করুণার মুখাপেক্ষী। তাঁর অসংখ্য নেয়ামত আমরা প্রতিনিয়ত ভোগ করি। তাই সর্বদা তাঁর নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা মানুষের অপরিহার্য কর্তব্য। তিনিই সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য। তিনি দুনিয়ার সমস্ত কিছুর সৃষ্টিকর্তা ও প্রতিপালনকারী।

তিনি শুধু ইহকালের মালিক নন পরকালেরও মালিক। পরকালের হিসাব-নিকাশ, জান্নাত ও জাহান্নাম সবকিছুই তাঁর অধীন। শেষ বিচারের কালে তিনিই একমাত্র বিচারক। জ্বিন-ইনসানের কৃতকর্মের পুষ্পানুপুঞ্জ হিসাব নিবেন তিনিই। অতঃপর পুণ্যবানদের তিনি পুরস্কার স্বরুপ দিবেন জান্নাতের অনাবিল সুখ শান্তি আর পাপীদের দিবেন জাহান্নামের মর্মন্তদ শাস্তি। এদিনের নিরঙ্কুশ মালিকানা কেবল তাঁরই। তাঁর অনুমতি ব্যতীত কেউ তাঁর নিকট সুপারিশও করতে পারবে না। তিনি ইচ্ছা করলে কোন বান্দাকে বিনা হিসেবেও জান্নাত দিতে পারেন। তাই সকল প্রশংসা ও ইবাদাতের শুধু তাঁরই প্রাপ্য। এতে তাঁর সমকক্ষ কেউ নাই।

সুরা ফাতিহার প্রথম তিনটি আয়াতে মহান আল্লাহর অসীম কুদরত ও একচ্ছত্র ক্ষমতার বিবরণ দেওয়া হয়েছে। মানুষ কেবল আল্লাহরই ইবাদাত করবে এবং শুধু তারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে। সকল ব্যাপারে শুধু তারই উপরে ভরসা করবে। তিনি ব্যতীত অন্য কোন সাহায্যকারী নেই। এসব কথা বলা হয়েছে সূরাটির মধ্যবর্তী আয়াতে।

মানুষ পৃথিবীতে মহান আল্লাহর সৃষ্টি। মানুষের ভাল-মন্দ তাঁরই হাতে। কিসে মানুষের মঙ্গল ও কল্যাণ এবং কিসে অকল্যান তা এক মাত্র আল্লাহই জানেন। সত্য-ন্যায় ও হেদায়াতের পথ কোনটি তা শুধু তিনিই জানেন। তিনিই সত্য ও সঠিক পথের মালিক। মানুষ মহান আল্লাহর নিকটই সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য প্রার্থনা করে। মহান আল্লাহর নিকট কিভাবে প্রার্থনা ও মুনাজাত করতে হয় তা শিক্ষা দেওয়া হয়েছে এ সূরার শেষ তিনটি আয়াতে।।

মানুষের উচিত আল্লাহর নিকট সত্য, সুন্দর ও সরল-সঠিক পথের প্রার্থনা করা, আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ যে পথে চলেছেন, নবি রাসুলগণ ও সত্যবাদীগণ যে পথ অনুসরণ করেছেন সে পথের দিশা পাওয়ার জন্য মহান আল্লাহর নিকট বিনীতভাবে মুনাজাত করা। অনুরূপভাবে যে পথে চলে মানুষ অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট হয়েছে যেমন ইয়াহুদি, নাসারাদের অনুসৃত পথ, তা থেকে মহান আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করা।

(৫) সূরা ফাতিহা এর নৈতিক শিক্ষা

সুরা ফাতিহা মহান আল্লাহর সাথে বান্দার নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যম। বান্দা প্রতিনিয়ত সালাতে এ সূরা পাঠ করে মহান আল্লাহর সাথে কথোপকথনের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে।

মহান আল্লাহ সমগ্র বিশ্বের মালিক। তিনি এক ও অদ্বিতীয়। বিচার দিনের অধিপতি। যাবতীয় প্রশংসা ও ইবাদাত বন্দেগীর একমাত্র প্রাপ্য তিনি। তিনি সকল সৃষ্টির লালন-পালনকারী। তিনিই মানবজাতিকে সত্য-সুন্দর ও সরল-সঠিক পথের দিশা দেন।

মানুষের উচিত একমাত্র তাঁরই ইবাদাত করা এবং তারই কাছে যাবতীয় বিষয়ে সাহায্য প্রার্থনা করা। নবি-রাসুল ও আল্লাহর অনুগ্রহপ্রাপ্ত বান্দাদের পথ অনুসরণের তাওফিক কামনা করা। আর পথভ্রষ্ট ও অভিশপ্ত ইয়াহুদি-নাসারাদের পথ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা।

আলোচিত/উত্তরিত অনুসন্ধানসমূহ: আলহামদুলিল্লাহ সূরা, সূরা ফাতিহা বাংলা উচ্চারণ ছবি, সূরা ফাতিহা অর্থ, সুরা ফাতিহা বাংলা অর্থ সহ, সূরা ফাতিহা বাংলা, সূরা ফাতিহার অর্থ, সূরা ফাতিহা ব্যাখ্যা, সুরা ফাতিহা বাংলা অর্থ, সূরা ফাতিহা বাংলা উচ্চারণ, sura fateha, সূরা ফাতিহা বাংলা অনুবাদ সহ, সূরা ফাতিহার বাংলা অর্থ, সূরা ফাতিহা বাংলা অর্থ, surah fatiha in bangla, sura fatiha, সুরা ফাতিহা।

অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইসলাম ধর্মে ঈমান (বিশ্বাস) সমূহ কি

ইসলাম ধর্মে ঈমান (বিশ্বাস) সমূহ কি?

আলোচ্য বিষয়: (১) আল্লাহ-র উপর ঈমান (২) ফেরেশ্তা সম্বন্ধে ঈমান/ইমান/বিশ্বাসঃ ফেরেশতা কি? ফেরেশতা কারা? ফেরাশতাদের গুণ বৈশিষ্ট্য কি? (৩) প্রধান ফেরেশতা কতজন/প্রসিদ্ধ ফেরেশতা কয়জন? প্রধান ৪ ফেরেফতার কাজ কি? (৩) নবী ও রাসূল সম্বন্ধে ঈমান (৪) আল্লাহর কিতাব সম্বন্ধে ঈমান (৫) আখেরাত বা পরকাল সম্বন্ধে ঈমান (৬) তাকদীর বা ভাগ্য সম্বন্ধে ঈমান বা বিশ্বাস Read
মোনাজাতের দোয়াসমূহ

মোনাজাতের দোয়াসমূহ

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: এই ব্লগ আর্টিকেলটিতে আলোচনা করা হবে- কুরআনে বর্ণিত বিশেষ ২০টি মোনাজাতের দোয়াসমূহ। হাদীসে বর্ণিত বিশেষ ১০টি মোনাজাতের দোয়াসমূহ। দোয়া কবুল হওয়ার জন্য সর্বক্ষণ যা যা করণীয়। দোয়ার সময় বসার আদব। দোয়ার সময় হাত উঠানোর নিয়মাবলী। দোয়া শুরু এবং শেষ করার বাক্যসমূহ। দোয়ার সময় মনের অবস্থা যে রকম রাখতে হয়। চাওয়ার আদবসমূহ। দোয়া বিষয়বস্তু বিষয়ক আদবসমূহ। দোয়ার ভাষা বিষয়ক আদবসমূহ। দোয়া সম্পর্কে আরও বিশেষ কয়েকটি কথা। দোয়া কবুল হওয়ার সময় বা বিশেষ কয়েকটি মুহূর্ত। প্রভৃতি বিষয়গুলো সম্পর্কে। Read
বিদআত কাকে বলে, ২১১টি সমাজে প্রচলিত বিদআত এর তালিকা

বিদআত কাকে বলে? ২১১টি সমাজে প্রচলিত বিদআত এর তালিকা

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: নিম্নে ২১১টি বিদআত এর তালিকা প্রদান করা হলো, দেখে মিলিয়ে নেন আপনি কোনটা করছেন না তো? Read
সূরা আল ফাজরঃ অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ (informationabangla.com)

সূরা আল ফাজর: অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: সূরা আল-ফাজর কোরআনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূরা, যা মানুষকে আল্লাহর ক্ষমা, সতর্কতা ও আখিরাতের শিক্ষা দেয়। এই ব্লগ পোস্টে আপনি পাবেন সূরা আল-ফাজরের বাংলা উচ্চারণ এবং অর্থসহ বিস্তারিত ব্যাখ্যা, যা পাঠকের জন্য সহজে বোধ্য ও হৃদয়স্পর্শী হবে। Read
হিন্দু থেকে মুসলমান হওয়ার নিয়ম, মুসলমান হওয়ার কালেমা, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার

সহজ ৮ ধাপঃ হিন্দু থেকে মুসলমান হওয়ার নিয়ম, মুসলমান হওয়ার কালেমা, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার নিয়ম

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: হিন্দু থেকে মুসলমান হওয়ার নিয়ম, মুসলমান হওয়ার কালেমা, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার নিয়ম। Read
কুরআন ও হাদিসের মধ্যে পার্থক্য

কুরআন ও হাদিসের মধ্যে পার্থক্য

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) কুরআন ও হাদিসের পার্থক্য (২) কুরআন ও হাদিসে কুদসির মধ্যে পার্থক্য Read
সুরা আদ দোহা (দুহা) অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ

সুরা আদ দোহা (দুহা): অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: সুরা আদ দোহা (দুহা) কোরআনুল কারিমের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাক্কী সূরা, যা মানুষের জীবনে আশা, শান্তি ও আল্লাহর রহমতের বার্তা পৌঁছে দেয়। এই পোস্টে সুরা আদ দোহা (দুহা) বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ উপস্থাপন করা হলো, যাতে পাঠকরা সহজেই বুঝতে ও শিখতে পারেন। মুসলমানদের নিত্য জীবনের আমল ও আত্মিক প্রশান্তির জন্য এ সূরার তাৎপর্য অপরিসীম। Read
হাদিস কি বা কাকে বলে, হাদিস কত প্রকার ও কি কি, হাদিসের গুরুত্ব

হাদিস কি বা কাকে বলে? হাদিস কত প্রকার ও কি কি? হাদিসের গুরুত্ব

○ ইসলাম
ইসলামী শরীয়তের দ্বিতীয় উৎস হলো হাদিস। একে কুরআনের ব্যাখ্যা বলা হয়। এটি কুরআন বুঝার পথকে সহজ করে দেয়। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কথা, কাজ ও মৌনসম্মতি হলো হাদিস। চলুন তাহলে হাদিস সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই। (১) হাদিসের পরিচয় হাদিস আরবি শব্দ। হাদিসের আভিধানিক অর্থ হলো– কথা/বাণী উপদেশ কাহিনী/ঘটনা সংবাদ বক্তব্য ইত্যাদি পারিভাষিক অর্থে– ইসলামি শরীয়তের পরিভাষায়, “মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কথা, কাজ, অনুমোদন ও মৌনসম্মতিকে হাদিস বলে।” ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, “হাদিস এমন একটি শাস্ত্র যার মাধ্যমে মহানবী (সাঃ) এর বক্তব্য বা কথা ও অবস্থা সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।” ড. মুহাম্মদ ত্বহান বলেছেন, “যে কথা, কাজ ও সমর্থনের সম্বন্ধ মহানবী (সাঃ) এর দিকে করা হয়েছে তাকে হাদীস বলে।” নূরুল আনওয়ার গ্রন্থে বলা হয়েছে, “শুধুমাত্র রাসূল Read
মাখরাজ ১৭ টি কি কি (makhraj bangla)

মাখরাজ ১৭ টি কি কি (makhraj bangla)

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: (১) আরবি মাখরাজ ক) মাখরাজ কি? খ) আরবি হরফের মাখরাজ কয়টি? (২) ২৯টি আরবি হরফ বাংলা উচ্চারণ সহ (৩) আরবি হরফের মাখরাজ ১৭ টি কি কি? makhraj bangla Read
তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়মঃ বাংলা উচ্চারণ সহ নিয়ত, দোয়া এবং পড়ার ফজিলত

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়মঃ বাংলা উচ্চারণ সহ নিয়ত, দোয়া এবং পড়ার ফজিলত

○ ইসলাম
আলোচ্য বিষয়: নিম্নে তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম, বাংলা উচ্চারণ সহ নিয়ত, দোয়া এবং পড়ার ফজিলত তুলে ধরা হলো- (১) তাহাজ্জুদ নামাজ‌ কি? (২) তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত (৩) তাহাজ্জুদ নামাজ সুন্নাত নাকি নফল? (৪) তাহাজ্জুদ নামাজের সময় (৫) তাহাজ্জুদ নামাজের ওয়াক্ত এবং রাকাআত (৬) তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার নিয়ম Read