অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম

জন্ম নিবন্ধন প্রত্যেকের জন্য বাধ্যতামূলক।আর বর্তমানে হাতে লিখা জন্ম সনদের পরিবর্তে অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন তৈরি করতে হয়। আর অনেকেই জানেন না যে কিভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে হয়। আর আপনিও যদি না জানেন তাহলে আজকের আর্টিকেল টি আপনার জন্যই কারন আজকের আর্টিকেল টি সাজিয়েছি অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম নিয়ে।তাহলে  চলুন শুরু করা যাক।

(১) নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ অনুসারে শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যেই জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।যেকোনো সমস্যার কারনে ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করতে না পারলেও যথা শীঘ্রই (৫ বছরের মধ্যে অবশ্যই) জন্ম নিবন্ধন করিয়ে নিবেন।

অন্যথায়, ৫ বছর বয়স অতিক্রম হলে জন্ম নিবন্ধন করতে অনেক অতিরিক্ত ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় এবং ঝামেলা পোহাতে হয়।

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম:

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে হলে নিচের  লিংকে প্রবেশ করতে হবে-

https://bdris.gov.bd

আজকে জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম গুলো কয়েকটি ধাপে ধাপে আলোচনা করবো।জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

(২) প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র সংগ্রহ

 জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার সময় যথাযথ কাগজপত্র সংগ্রহ ছাড়াই আবেদন করা শুরু করলে তথ্য ভুল হয়ে যেতেও পারে।তাই যথাযথ ডকুমেন্টস সংগ্রহ করে অতঃপর আবেদন শুরু করার পরামর্শ থাকবে।

জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করার জন্য নিম্মোক্ত তথ্য ও কাগজ সমুহ প্রয়োজন হবে।

শিশুর বয়স ০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে হলে-

  • ইপিআই (টিকা) কার্ড
  • পিতা ও মাতার ডিজিটাল বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক) কপি
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
  • বাসার হোল্ডিং নম্বর এবং হাল সনের হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ
  • আবেদনকারী পিতা-মাতা/ অভিভাবকের মোবাইল নম্বর

শিশুর বয়স ৪৬ দিন  থেকে ৫ বছর হলে-

  • ইপিআই (টিকা) কার্ড / স্বাস্থ্য কর্মীর প্রত্যায়নপত্র (স্বাক্ষর ও সীলসহ)
  • পিতা ও মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক) কপি
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
  • বাসার হোল্ডিং নম্বর এবং হাল সনের হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ
  • আবেদনকারী পিতা-মাতা/ অভিভাবকের মোবাইল নম্বর
  • আবেদন ফরম জমা দেয়ার সময় ১ কপি রঙ্গিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  • প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্র (স্বাক্ষর ও সীলসহ)

৫ বছরের বেশি শিশু বা ব্যক্তির জন্য-

  • বয়স প্রমাণের জন্য চিকিৎসক কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্র (বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত এমবিবিএস বা তদূর্ধ্ব ডিগ্রিধারী)
  • সরকার কর্তৃক পরিচালিত প্রথমিক শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট
  • পিতা ও মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক) কপি
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপিঅথবা, জন্মস্থান বা স্থায়ী ঠিকানা প্রমাণের জন্য পিতা / মাতা/ পিতামহ / পিতামহীর দ্বারা স্বনামে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ঘোষিত আবাস স্থলের বিপরীতে হালনাগাদ কর পরিশোধের প্রমানপত্রঅথবা, জমি অথবা বাড়ি ক্রয়ের দলিল, খাজনা ও কর পরিশোধ রশিদ। (নদীভাঙ্গন অন্য কোন কারনে স্থায়ী ঠিকানা বিলুপ্ত হলে)

(৩) নিবন্ধনাধীর ব্যক্তির পরিচিতি ও জন্মস্থানের ঠিকানা

অনলাইনে আবেদনের জন্য প্রথমে আপনার কম্পিউটার থেকে-

https://bdris.gov.bd

এই লিংকে ভিজিট করুন। 

আপনি কোন ঠিকানায় জন্ম নিবন্ধন বা সংগ্রহ করতে চান- 

  • জন্মস্থান 
  • স্থায়ী ঠিকানা
  • বর্তমান ঠিকানা

এখানে যে কোনো একটি বাছাই করুন।

এখানে নির্বাচন করে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

(৪) জন্ম নিবন্ধন ফরম পূরণ করার নিয়ম

এখানে ফর্ম পূরণ করতে হবে।

প্রথমে জন্ম নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির পরিচয়  আর পরবর্তীতে ব্যক্তির ঠিকানা দিতে হবে। এখন নাম পূরনের জন্য কিছু টিপস 

নামের ২ টি অংশ থাকলে ১ম অংশটি নামের প্রথম অংশের ঘরে লিখবেন ও ২য় অংশটি নামের শেষের অংশে লিখবেন।

যদি নামের ৩টি অংশ থাকে ১ম ২টি অংশ নামের প্রথম অংশে লিখবেন এবং শেষ অংশটি নামের শেষের অংশের ঘরে লিখবেন।

যদি নাম ১ শব্দে হয় অর্থাৎ নামের অংশ ১টি হয়, এক্ষেত্রে প্রথম অংশ খালি থাকবে। শুধুমাত্র নামের শেষ অংশে নাম লিখবেন।

একইভাবে ইংরেজিতেও পূরণ করবেন। 

এরপর পরবর্তী তথ্য  যেমন জন্ম তারিখ সিলেক্ট করা, জন্মস্থানের ঠিকানা সঠিকভাবে পূরন করে পুনরায় একবার সকল তথ্য মিলিয়ে নিন যেন কোনো তথ্য প্রদানে ভুল না হয়ে যায়।

সবশেষে ডান পাশের পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

(৫) পিতা ও মাতার তথ্য

এই ধাপে নিবন্ধনাধীন শিশু বা ব্যক্তির পিতা ও মাতার  তথ্য দিতে হবে।পিতা মাতার অনলাইন বা ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জাতীয়তা দিতে হবে।এখানে পিতা-মাতার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন নম্বর লিখার পর নম্বর সঠিক হলে স্বয়ংক্রীয়ভাবে নামসমূহ আসবে। এজন্য, পিতা মাতার জন্ম নিবন্ধনটি ডিজিটাল কিনা তা অবশ্যই আগে যাচাই করে নিবেন। বাবা মায়ের জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনলাইনে না থাকলে, শিশুর জন্ম নিবন্ধন আবেদন করা যাবেনা।

বিঃদ্রঃ নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির জন্ম তারিখ ২০০০ সাল বা তার পূর্বে হলে, পিতা-মাতার নাম লিখে দিতে পারবেন এবং পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন নম্বর না থাকলেও চলবে।

তথ্যগুলো পূরণ করা হলে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

(৬) স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা 

এ পর্যায়ে আপনাকে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার তথ্য প্রদান করতে হবে।এখানে প্রথমে দুইটি অপশন আসবে সেখান থেকে আপনি কোনটিই নয় বাটনে ক্লিক করলে এরপর ঠিকানা দেওয়ার অপশন পাবেন।

স্থায়ী ঠিকানার ক্ষেত্রে, জন্মস্থান ও স্থায়ী ঠিকানা একই হলে অপশন পাবেন সেখানে ক্লিক করলেই হবে।এছাড়া বর্তমান ঠিকানার ক্ষেত্রেও স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা একই হলে চেক বক্সে টিক দিন।

আবার ঠিকানা সমূহ আলাদা হলে ঠিকানাগুলো নির্বাচন করে দিন এবং গ্রাম, বাসা ও সড়ক নম্বরের তথ্য পুরন করে এরপর পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

(৭) আবেদনকারীর তথ্য

এ ধাপে যিনি এই জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করছেন, তার তথ্য দিতে হবে। সাধারণত একটি শিশুর জন্ম নিবন্ধনের জন্য অভিভাবক ই আবেদন করে থাকেন। পিতা, মাতা, দাদা,দাদি,নানা,নানি বা যেকোনো আইনগত অভিভাবক।তাছাড়া আপনি যদি নিজেও নিজের জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে  নিজ সিলেক্ট করুন।  অথবা, পিতা, মাতা, বা যে আবেদন করছে সেটা সিলেক্ট করবেন।

যদি পিতা/মাতা বা দুজনেই যদি মৃত হয়-

  • যদি জন্ম ২০০১ সালের আগে হয় সেক্ষেত্রে পিতা-মাতা মৃত হলে মৃত্যু সনদ বাধ্যতামূলক
  • যাদের জন্ম ২০০১ সালের ১ জানুয়ারির পর তাদের পিতা-মাতা মৃত হলে প্রথমে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন গ্রহণ করার পর অনলাইন মৃত্যু নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করতে হবে। উভয় সনদ আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

সবকিছু ঠিকভাবে পুরন করা হলে ডান পাশের পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন এবং আবেদনটি সম্পন্ন করুন।

সফলভাবে ফরমটি সাবমিট হলে প্রিন্ট করার অপশন পাবেন। জন্ম নিবন্ধন আবেদন পত্রটি প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ/ পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিসে জমা দিতে হবে।আবেদনের সাথে অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে জমা দিবেন।

পরবর্তীতে আপনার আবেদনটি অনুমোদন হয়েছে কিনা তার অবস্থা জানতে জন্ম নিবন্ধন আবেদন যাচাই করতে পারবেন অনলাইন থেকে।

(৮) সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও তার উত্তর

প্রশ্ন: জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে কিংবা পরবর্তী সময়েও নিবন্ধন করতে অনেক সময় পিতা মাতার জন্ম নিবন্ধন পাওয়া যায় না, করণীয় কী?

উত্তর: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধন সকলের জন্য ব্যধ্যতামূলক (ধারা ৫(১), ৬ক এবং ৮(১)) । আইনের এ নির্দেশনা কেউ না মানলে তিনি আইন লঙ্ঘনকারী হিসাবে গণ্য হবেন এবং অনধিক ৫০০০ টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। তাছাড়া, এখন বিদ্যালয়ে ভর্তি, চাকরিতে নিয়োগ, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয় পত্রসহ ১৯ টি ক্ষেত্রে জন্ম সনদ আবশ্যক। আবার জন্ম নিবন্ধন ব্যতীত কোন ব্যক্তির মৃত্যু নিবন্ধন করা যাবে না। মৃত্যু নিবন্ধন না হলে উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা যাবে না।

বিষয়টি এভাবে বুঝিয়ে বললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জন্ম নিবন্ধনে আগ্রহী হবেন। সন্তানের জন্ম নিবন্ধনের সঙ্গে পিতা মাতার জন্ম নিবন্ধন অপেক্ষাকৃত সহজ। কারণ সন্তানের জন্ম নিবন্ধনের জন্য যে তথ্যাদি/রেকর্ডপত্র প্রয়োজন তার সঙ্গে পিতামাতার শুধু বয়স প্রমাণের রেকর্ড (শিক্ষা সনদ বা আইনের ৭(১) ধারা অনুযায়ী তদন্তসহ এনআইডি) যোগ করলেই অতি সহজে তাদের জন্ম নিবন্ধন করা সম্ভব। বিষয়টিকে সমস্যা হিসাবে না দেখে ‘সুযোগ’ হিসাবে দেখা যেতে পারে।

তাছাড়া, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের শুদ্ধ ডাটাব্যাজের জন্য ‘ফ্যামিলি ট্রি’ আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত একটি উত্তম চর্চা। বাংলাদেশ এটি গ্রহণ করেছে। এই পদ্ধতিতে সন্তানের জন্ম নিবন্ধনের সঙ্গে পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন নম্বর যুক্ত করে একটি পারিবারিক কাঠামো তৈরি করা হয়, যাতে পিতা-মাতার সন্তানের সংখ্যা এবং তাদের ক্রমিক নম্বর জানা যায়। এর মাধমে উত্তরাধিকার নিশ্চিত হয় এবং অনৈতিকভাবে বয়স বা অন্যান্য তথ্য পরিবর্তনের প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হয়। এই পদ্ধতি বাংলাদেশে ভবিষ্যতে ‘পপুলেশন রেজিস্টার’ প্রণয়নে সহায়ক হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিককে বিষয়টি ভালভাবে বুঝিয়ে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করে নিবন্ধন করিয়ে নিতে হবে।

প্রশ্ন: ম্যানুয়াল জন্ম নিবন্ধন,যেগুলি এখনও অনলাইনে করা হয়নি-এগুলির বিষয়ে করণীয় কী?

উত্তর: ম্যানুয়াল জন্ম নিবন্ধনসমূহ অনলাইনে অন্তর্ভুক্তির জন্য অনেকবার সময় দেওয়া হয়েছে। অনলাইন বহির্ভূত এই সকল জন্ম নিবন্ধন এখন হুবহু একই জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে অনলাইনে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ নাই। যে এলাকায় হাতে লিখা জন্ম নিবন্ধনটি করা ছিল, সেই কার্যালয়ে রক্ষিত বইতে  সনদের তথ্যটি পাওয়া গেলে নিবন্ধক সরাসরি হাতে লিখা সনদের তথ্য দিয়েই  অনলাইন নিবন্ধন করে দিবেনযদি না  ইতঃপূর্বে অন্য কোথাও জন্ম নিবন্ধন করা হয়ে  থাকে।। তবে জন্ম নিবন্ধন নম্বরটি পরিবর্তিত হবে। এতে অবশ্য সংশ্লিষ্ট নাগরিকের কোন ক্ষতি বা অসুবিধা হবে না।

প্রশ্ন: পূর্বের সফটওয়্যারে সংশোধিত কোন তথ্য BDRIS সফটওয়্যারে পাওয়া না গেলে কী করতে হবে?

উত্তর: ইতঃপূর্বে সংশোধিত কোন তথ্য BDRIS সফটওয়্যারে পাওয়া না গেলে এই সকল সংশোধনের একটি বিস্তারিত তালিকা নির্বাহী অফিসার/ডিডিএলজির মাধ্যমে রেজিস্ট্রার জেনারেল-এর কার্যালয়ে প্রেরণ করা হলে তা হালনাগাদ করে দেওয়া হবে।

প্রশ্ন: পূর্বের যে সকল জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন শুধু বাংলায় আছে সেগুলি কীভাবে ইংরেজিতে করা হবে?

উত্তর: সফটওয়্যারে কোন তথ্য সংযোজন বা বিয়োজন সংশোধন হিসাবে গণ্য হবে। নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রথমেই তা উভয় ভাষায় করা প্রয়োজন ছিল। ইংরেজিতে না থাকায় তা এখন সংযোজন করতে গেলে তাও সংশোধন হিসাবে গণ্য হবে এবং তা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালা ২০১৮-এর ১৫ বিধি অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে।

প্রশ্ন: জমজ সন্তানের জন্ম নিবন্ধন কীভাবে করা হবে?

উত্তর: জমজ সন্তানের জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রথমে একের পর এক আবেদন করে অনলাইনে সাবমিট করতে হবে তারপর যথাযথ নিয়মে নিবন্ধন করতে হবে । (একটি নিবন্ধন সমাপ্ত করে ফেললে অপর আবেদনটি অনলাইনে সাবমিট করতে সমস্যা হবে।)

প্রশ্ন: ১৭ ডিজিটের কম জন্ম নিবন্ধন নম্বর কিভাবে ১৭ ডিজিটে উন্নীত করা যাবে?

উত্তর: ১৭ ডিজিটের কম জন্ম নিবন্ধন নম্বর হলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধকের কার্যালয়ে পুরাতন সনদটি জমা প্রদান করে ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন  নম্বর সম্বলিত সনদ নেওয়া যাবে। নিবন্ধনের সকল স্তরের মত এক্ষেত্রেও নাগরিকের নিজস্ব মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে।

প্রশ্ন: পূর্বে নিবন্ধন না হয়ে থাকলে বিবাহিত নারীর জন্ম নিবন্ধন স্বামীর বাড়ির ঠিকানায় করা এবং সনদে স্বামীর নাম লিখা যাবে কি?

উত্তর: পূর্বে নিবন্ধন না হয়ে থাকলে আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী বিবাহিত নারীর বিলম্বিত জন্ম নিবন্ধন স্বামীর স্থায়ী ঠিকানায় করা যাবে। তিনি চাইলে তার জন্ম স্থানের ঠিকানায়ও নিবন্ধন করতে পারবেন। জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পিতা ও মাতার নাম লিখতে হবে, স্বামীর নাম লেখার কোন সুযোগ নাই। 

প্রশ্ন: নিবন্ধনাধীন ব্যক্তিকে কি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সনদ দিতে হবে?

উত্তর: হ্যাঁ! বাধ্যতামূলকভাবে  উভয় ভাষায় সনদ দিতে হবে। আবেদনপত্রটি গ্রহণের সময় জন্ম তথ্যসমুহ বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় আছে কি-না তা ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

প্রশ্ন:  জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন বা তথ্য সংশোধন সংক্রান্ত আবেদনের সময় নিবন্ধনাধীন ব্যক্তি বা তার পিতা-মাতা-অভিভাবক  ছাড়া অন্য কারও মোবাইল ফোন নম্বর ব্যবহার করা যাবে কি?

উত্তর: যেহেতু বিষয়টি ব্যক্তিগত তথ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট, সেহেতু এ ক্ষেত্রে নিবন্ধনাধীন ব্যক্তি বা তার পিতা-মাতা-অভিভাবকের  মোবাইল ফোন নম্বরই দিতে হবে। এর সঙ্গে এদের কারও ইমেইল নম্বব (যদি থাকে) দিলে তা আরও সুবিধাজনক হবে।পরিবারের  সদস্য সংখ্যা ৫ জন হতে পারে এমন ধারণা থেকে সফ্টওয়্যারে একটি মোবাইল ফোন নম্বর পরিবারের সর্বোচ্চ ৫ জন সদস্যের ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোন ফোন নম্বর ৫-এর অধিক সংখ্যক নিবন্ধনে ব্যবহার করলে পরবর্তী সময়ে সেসকল নিবন্ধনের কোন সন্ধান পাওয়া যাবে না।

পরিবারের কোন মোবাইল ফোন না থাকলে বা সদস্য সংখ্যা মোবাইল ফোনের ধারণ ক্ষমতার বেশী হলে সে ক্ষেত্রে নিবন্ধনাধীন ব্যক্তি বা তার পিতা-মাতা-অভিভাবকের সম্মতিতে তার কোন নিকট-জনের ফোন নম্বর ব্যবহার করা যাবে। এইরূপ ক্ষেত্রে কোন অবস্থায়ই নিবন্ধন কার্যালয়ের কোন দাপ্তরিক বা কোন কর্মচারীর ব্যক্তিগত ফোন নম্বর ব্যবহার করা যাবে না।

প্রশ্ন: বিবাহ বিচ্ছেদ বা পিতা-মাতার একজন অপ্রাপ্য/নিখোঁজ হলে সন্তানের জন্ম নিবন্ধন কীভাবে হবে?

উত্তর: এইরূপ ক্ষেত্রে পিতা-মাতার একজনের তথ্য দিয়ে, অপরজনের শুধু নাম উল্লেখক্রমে সন্তানের জন্ম  নিবন্ধন করা যাবে।

প্রশ্ন: পিতা-মাতার যে কোন একজন বিদেশী হলে কীভাবে সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করা হবে?

উত্তর: মাতা অথবা পিতার যে কোন একজন বিদেশী হলে যিনি বাংলাদেশী তার স্থায়ী ঠিকানার প্রয়োজনীয় দলিলাদি নিয়ে যোগাযোগ করতে হবে। তখন নিবন্ধক প্রয়োজনীয়  অনুসন্ধান  শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে নিবন্ধন করে দিবেন।

প্রশ্ন: বিদেশে জন্ম নিবন্ধন করে দেশে ফেরৎ আসা কোন প্রবাসী জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন অথবা সনদ পুনঃমুদ্রণের আবদেন করলে করণীয় কী?

উত্তর: যে নিবন্ধন অফিসে জন্ম/মৃত্যু নিবন্ধন করা হয়, কোন সংশোধন বা সনদ পুনঃমুদ্রণের প্রয়োজন হলে সে অফিস থেকেই তা করতে হবে। আইনত অন্য অফিস থেকে তা করার  সুযোগ নাই। তবে স্থানীয় নিবন্ধন অফিসের সহায়তা নিয়ে অথবা নাগরিক নিজে সরাসরি অনলাইনে মূল নিবন্ধন অফিস বরাবর উপযুক্ত দলিলাদিসহ সংশোধন বা পুনঃমুদ্রণের আবেদন করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আবেদনের অনুলিপি রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে ([email protected]) প্রেরণ করা হলে প্রয়োজনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তা নিস্পত্তির ব্যবস্থা করা হবে।

ভবিষ্যতে জন্ম নিবন্ধন সনদের কোন করণিক ভুল সংশোধন অথবা ইংরেজি বা বাংলায় প্রতিলিপির প্রয়োজন হলে তা যে কোনো নিবন্ধন অফিস থেকে যাতে প্রদান করা যায়  সে বিষয়ে বাবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

প্রশ্ন: জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের ফি বাবদ প্রাপ্ত অর্থ চালানের মাধ্যমে জমা সংক্রান্ত তথ্য BDRIS-এ প্রবেশ করাতে  গেলে অনেক সময় ফাইল আপলোড করা যায় না বা নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। সমাধান কী?

উত্তর: জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালা ২০১৮-এর বিধি ২১ (৬) অনুযায়ী প্রতি মাসে আদায়কৃত অর্থ পরবর্তী মাসের ৭ তারিখের মধ্যে সরকারি তহবিলে জমা প্রদান বাধ্যতামূলক।

BDRIS-এ চালান সংক্রান্ত তথ্য আপলোড করতে না পারার দুইটি কারণ থাকতে পারে-

ক) চালানের তথ্যের সঙ্গে সংযুক্ত ফাইলের পরিমাণ ১০২৪ কিলোবাইট এর বেশি হওয়া।  (প্রতিটি ফাইলের পরিমাণ  সর্বোচ্চ  ১০২৪ কিলোবাইট বা এর নিচে হতে হবে।)

খ) চালানের টাকার পরিমাণ  ব্যালান্স-এর  পরিমাণের চেয়ে বেশি হওয়া। (চালানের টাকার পরিমাণ সর্বদা ব্যলান্স-এর  সমান অথবা এর কম হতে হবে।)

এখানে উল্লেখ্য যে, বদলি বা অন্য কোন কারণে ‘অথরাইজড ইউজার’কে রিলিজ করতে হলে বিধি ২১ (১) অনুযায়ী আদায়কৃত সমুদয় টাকা চালানের মাধ্যমে জমা দিয়ে ব্যালান্স শুন্য করে তারপর জেলা/উপজেলা অ্যাডমিনের মাধ্যমে তাকে রিলিজ করা যাবে।

প্রশ্ন: অনেক সময়  জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করলে আরও এক বা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে ‘পসিবল ডুপ্লিকেট’ দেখায়। এটি একই নিবন্ধন অফিস, উপজেলা বা জেলার আওতাধীন এলাকার মধ্যে যেমন হয়, তেমনি জেলার সীমানা ছাড়িয়ে অন্য জেলা, বিভাগ এমন কি বিদেশ থেকেও এমনটি দেখায়।  আমরা কীভাবে  বিষয়টির সমাধান করতে পারি?

উত্তর: ‘পসিবল ডুপ্লিকেট’ দেখানোর কারণ-

জন্ম নিবন্ধনের আবেদন পত্র দাখিল করার পর কোনো আবেদনাধীন বাক্তির নাম, পিতার নাম এবং মাতার নাম জন্ম নিবন্ধন ডেটাবেসে সংরক্ষিত কোন নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির সঙ্গে হুবহু মিলে গেলে সফটওয়্যার সয়ংক্রিয়ভাবে “সম্ভাব্য সদৃশ” বা ‘পসিবল ডুপ্লিকেট’ স্ট্যাটাস দেখায়।

৫টি নির্ণায়ক বা  ‘প্যারামিটার’ মিলে গেলে ‘পসিবল ডুপ্লিকেট’  ১০০% ‘ডুপ্লিকেট’ হিসাবে প্রতীয়মান হয়- ১. আবেদনাধীন বাক্তির নাম; ২. পিতার নাম; ৩. মাতার নাম; ৪. নিবন্ধন কার্যালয়ের নাম; এবং ৫. জন্ম তারিখ।

উল্লেখ্য যে ‘পসিবল ডুপ্লিকেট’ হিসাবে চিহ্নিত ব্যক্তিগণের জন্ম তারিখের  ব্যবধান ৮ থেকে ১০ বছর বা তার  বেশি হলে বা স্থায়ী ঠিকানা না মিললে সেই ক্ষেত্রে ‘ডুপ্লিকেট’ হবার সম্ভাবনা সাধারণত ০% হয়ে যায়।

‘পসিবল ডুপ্লিকেট’টি একই জেলায় হলে অথরাইজড ইউজার বা ক্ষেত্র বিশেষে উপজেলা নির্বাহী  অফিসার বা উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) প্রয়োজনীয় অনু্সন্ধান বা তদন্ত কিংবা সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টির নিষ্পত্তি করবেন।

‘পসিবল ডুপ্লিকেট’টি একই জেলায় না হলে প্রথমে প্রশাসনিকভাবে ভিন্ন জেলার সাথে যোগাযোগ করে অনু্সন্ধান বা তদন্ত করতে হবে। এতে ডুপ্লিকেট হওয়ার অনুকুলে কোনো তথ্য পাওয়া না গেলে আবেদনকারীকে ভালোভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার কাছে থেকে অন্যত্র তার জন্ম নিবন্ধন করা হয়নি মর্মে লিখিত নিয়ে আবেদনটি মঞ্জুর করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে  আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করতে হবে।

এখানে উল্লেখ্য যে, আবেদনপত্রটি বাতিল বা মঞ্জুর যা-ই করা হোক না কেন, এর লগ (log) স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকবে।

প্রশ্ন: কোন কোন ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করা হলে সফ্টওয়্যারে একই নম্বরে একাধিক ব্যক্তিকে দেখায়। এ ক্ষেত্রে করণীয় কী?

উত্তর: অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের শুরুতে অসাবধানতা বা অন্যান্য কারণে কোন কোন ক্ষেত্রে একই নম্বর একাধিক ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন নম্বর হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। এইরূপ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিবন্ধন অফিসে এনে সম্মতির ভিত্তিতে ঐ নম্বরটি একজনকে বরাদ্ধ প্রদান করে অপরজনকে একটি নতুন নম্বর দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যেতে পারে। সমঝোতা না হলে যার নিবন্ধন আগে হয়েছে তার জন্য এই নম্বরটি রেখে অপরজনকে নতুন নম্বর বরাদ্দ (reset) করতে হবে। এই অপশনটি BDRIS এর “জন্মতথ্য” মডিউলে “জন্ম নিবন্ধন বিষয় সঠিক করুন” অপশনে গেলে পাওয়া যাবে। সফটওয়্যারে এই অপশনটি শুধু ‘অথরাইজড ইউজার’ পাবেন।

অপর ব্যক্তিকে হাজির করা না গেলে, উপস্থিত ব্যক্তি সম্মত হলে তাকে একটি নতুন নম্বর প্রদান করা যেতে পারে। তদন্ত/অনুসন্ধানে অপর ব্যক্তি অস্তিত্ব-শুন্য প্রমাণিত হলে সেই নিবন্ধনটি বাতিল করতে হবে।

প্রশ্ন: জন্ম ও মৃত্যু সনদে মোবাইল নম্বর সংশোধন/সংযোজন কিভাবে করতে হবে?

উত্তর: বর্তমানে BDRIS সিস্টেমে ব্যক্তির জন্ম ও মৃত্যু সনদে মোবাইল নম্বর সংশোধন/সংযোজন করা যাচ্ছে। যদি সনদধারী ব্যক্তির নিবন্ধন কার্যালয় ইউনিয়ন পরিষদ হয় তাহলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর ইউজার আইডি হতে মোবাইল নম্বর সংশোধন/ সংযোজন করা যাবে। যদি সনদধারী ব্যক্তির নিবন্ধন কার্যালয় সিটি কর্পোরেশন, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড ও পৌরসভা হয় সেক্ষেত্রে উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ইউজার আইডি হতে মোবাইল নম্বর সংশোধন/ সংযোজন করা যাবে । এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে নিবন্ধন কার্যালয়ে যেতে হবে না; সরাসরি জেলা বা উপজেলা হতে মোবাইল নম্বর সংশোধন/ সংযোজন করতে পারবেন। মোবাইল নম্বর সংযোজনের জন্য আবেদনকারীর জন্ম নিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র (যদি থাকে) অথবা পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলায় যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হল।


আজকে এ পর্যন্তই৷ জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে আপনার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বাপৌরসভা বা সিটি করপোরেশন এর ডিজিটাল সেন্টারে যোগাযোগ করুন।আর আমাদের আর্টিকেল টি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।

অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

informationbangla.com default featured image compressed

নোটারি পাবলিক কী, কীভাবে করবেন এবং এর আইনি গুরুত্ব

বাংলাদেশে নোটারি পাবলিকের বিষয়টি অনেকের কাছে একটু রহস্যময় মনে হয়। অনেকে জানতে চান যে এটা আসলে কী, কোথায় করতে হয়, কখন দরকার পড়ে এবং এর আইনি ক্ষমতা কতটা। বিশেষ করে যারা চুক্তি, বিবাহ, তালাক বা বিদেশ যাত্রার জন্য ডকুমেন্ট তৈরি করছেন, তাদের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ব্লগ পোস্টে আমরা সবকিছু বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব, যাতে পাঠকরা সহজেই বুঝতে পারেন। এই পোস্টটি লিগাল সাপোর্ট বাংলাদেশ চ্যানেলের পক্ষ থেকে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাকির হোসেনের আলোচনার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেছেন যে লোকেরা নোটারি অ্যাফিডেভিট নিয়ে অনেক প্রশ্ন করে থাকেন। আমরা সেই তথ্যগুলোকে ভিত্তি করে এখানে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেব, এবং কিছু অতিরিক্ত তথ্য যোগ করে পোস্টটিকে আরও সমৃদ্ধ করব। (১) নোটারি পাবলিক কী? নোটারি পাবলিক হলো বাংলাদেশ সরকারের দ্বারা নিবন্ধিত এবং অনুমোদিত একজন Read
পাসপোর্টে নাম ও বয়সের অমিল থাকলে ভিসা পেতে কী সমস্যা হয়

পাসপোর্টে নাম ও বয়সের অমিল থাকলে ভিসা পেতে কী সমস্যা হয়?

আলোচ্য বিষয়: (১) পাসপোর্টে নাম ও বয়সের অমিল কেন হয়? (২) ওয়ার্ক পারমিট ভিসার ক্ষেত্রে অমিলের প্রভাব (৩) টুরিস্ট ও স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে অমিলের সমস্যা (৪) ব্ল্যাকলিস্টিং এবং বায়োমেট্রিক তথ্য (৫) কীভাবে পাসপোর্টের নাম ও বয়সের অমিল সংশোধন করবেন? (৬) ভিসা আবেদনের সময় করণীয় (৭) একটি উদাহরণ Read
informationbangla.com default featured image compressed

চেকের মামলায় জয়ের জন্য বাদীকে যে বিষয়গুলো প্রমাণ করতে হবে

আলোচ্য বিষয়: এই নিবন্ধে, আমরা বিস্তারিতভাবে জানবো, চেকের মামলায় জয়ের জন্য বাদীকে কী কী প্রমাণ করতে হবে এবং কীভাবে এই প্রমাণগুলো তাকে শতভাগ বিজয় নিশ্চিত করতে পারে। Read
informationbangla.com default featured image compressed

লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ডিলিট করার প্রক্রিয়া ২০২৫

আলোচ্য বিষয়: (১) কেন লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ডিলিট করতে হয়? (২) লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স কী? (৩) লার্নার লাইসেন্স ডিলিট করার জন্য অনলাইন অপশন আছে কি? (৪) বিআরটিএ-তে লার্নার লাইসেন্স ডিলিট করার প্রক্রিয়া (৫) ঢাকায় এবং ঢাকার বাইরে প্রক্রিয়ার পার্থক্য (৬) লার্নার লাইসেন্স ডিলিট করতে কত সময় লাগে? (৭) লার্নার লাইসেন্স ডিলিট করার জন্য কোনো ফি লাগে কি? (৮) লার্নার লাইসেন্স তৈরির সময় ভুল এড়ানোর উপায় (৯) বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (১০) উপসংহার Read
ভুলবশত নন-প্রফেশনাল লার্নার লাইসেন্স আবেদন বাতিলের আবেদন

ভুলবশত নন-প্রফেশনাল লার্নার লাইসেন্স আবেদন বাতিলের আবেদন

আলোচ্য বিষয়: (১) কিভাবে অ-পেশাদার লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল করে পেশাদার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবেন (২) লার্নার লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া (৩) পেশাদার লাইসেন্সের জন্য আবেদন (৪) নন-প্রফেশনাল লর্নার কাতি করে নতুন করে প্রফেশনার লার্নার করার সুযোগ চেয়ে আবেদনের বাস্তব উদাহরণ (৫) শেষ কথা Read
পাসপোর্ট হারানোর ক্ষেত্রে লস সার্কুলার

পাসপোর্ট হারানোর ক্ষেত্রে লস সার্কুলার

আলোচ্য বিষয়: (১) পাসপোর্ট হারানোর ধরন (২) প্রাথমিক পদক্ষেপঃ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) (৩) লস সার্কুলার কী? (৪) কীভাবে লস সার্কুলার পাবেন? (৫) লস সার্কুলারের ব্যবহার (৬) কেন লস সার্কুলার সংরক্ষণ করবেন? Read
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ম এবং পাসপোর্ট আবেদনে “Pending SB Police Clearance” সমস্যার সমাধান

পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ম এবং পাসপোর্ট আবেদনে “Pending SB Police Clearance” সমস্যার সমাধান

আলোচ্য বিষয়: (১) পুলিশ ভেরিফিকেশন কী? (২) এসবি এবং ডিএসবি কী? (৩) পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রক্রিয়া (৪) পুলিশ ভেরিফিকেশনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট (৫) পুলিশ ভেরিফিকেশনের খরচ (৬) যদি পুলিশের কল না আসে, তবে কী করবেন? (৭) পুলিশ ভেরিফিকেশনের স্ট্যাটাস কতদিনে পরিবর্তন হয়? (৮) পুলিশ ভেরিফিকেশন দ্রুত করার উপায় (৯) সমস্যার সমাধানে সতর্কতা (১০) পাসপোর্ট প্রক্রিয়ার অন্যান্য ধাপ Read
দলিল বড় নাকি রেকর্ড খতিয়ান বড়, জমির মালিকানা নির্ধারণে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ

দলিল বড় নাকি রেকর্ড খতিয়ান বড়? জমির মালিকানা নির্ধারণে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ

আলোচ্য বিষয়: দলিল বড় নাকি রেকর্ড খতিয়ান বড়? জমির মালিকানা নির্ধারণে দলিল ও খতিয়ানের গুরুত্ব, আইনি দিক, এবং জমি কেনার সময় কী কী যাচাই করবেন তা বিস্তারিত জানুন। এই ব্লগে পাবেন বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী জমির মালিকানা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। Read
informationbangla.com default featured image compressed

ই-পাসপোর্ট রিওয়ার্ক বা কারেকশন সমস্যা কী, কেন ও সমাধান কীভাবে?

আলোচ্য বিষয়: পাসপোর্ট অফিস থেকে রিওয়ার্কের মেসেজ বা ইমেইল পাওয়া মানে আপনার আবেদনে কিছু সমস্যা ধরা পড়েছে, যা সংশোধন করতে হবে। এই ব্লগ পোস্টে ই-পাসপোর্ট রিওয়ার্কের কারণ, সমাধান এবং প্রতিরোধের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এই লেখাটি পড়ে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কীভাবে রিওয়ার্ক এড়িয়ে সফলভাবে ই-পাসপোর্ট পেতে পারেন। Read
informationbangla.com default featured image compressed

মাল্টিপল একটিভ পাসপোর্ট সমস্যা

আলোচ্য বিষয়: মাল্টিপল একটিভ পাসপোর্ট বা আবিস (Automated Border Control System) সমস্যা প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এই সমস্যার কারণে অনেকে পাসপোর্ট নবায়ন বা ই-পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়ায় জটিলতার সম্মুখীন হন। বিশেষ করে ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়। এই ব্লগ পোস্টে আমরা এই সমস্যার বিস্তারিত বিবরণ, কারণ, সমাধান এবং প্রতিরোধের উপায় নিয়ে আলোচনা করব। এই পোস্টটি তথ্যবহুল, সহজবোধ্য এবং এসইও অপটিমাইজড, যাতে পাঠকরা সহজেই এই বিষয়ে সঠিক তথ্য পেতে পারেন। Read