টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার

টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার

টাইফয়েড একটি সাধারণ কিন্তু গুরুতর ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা সঠিক সময়ে নির্ণয় ও চিকিৎসা না করলে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। অনেকে দীর্ঘদিন জ্বরে ভুগে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া বা ভাইরাল ফিভার ভেবে অবহেলা করেন, কিন্তু পরীক্ষার পর জানা যায় এটি টাইফয়েড।

এই ব্লগ পোস্টে আমরা টাইফয়েড কী, এর লক্ষণ, কারণ, নির্ণয়, চিকিৎসা এবং ডায়েট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

(১) টাইফয়েড কী?

টাইফয়েড, যাকে এন্টেরিক ফিভারও বলা হয়, একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ। এটি সালমোনেলা টাইফি এবং সালমোনেলা প্যারাটাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। টাইফয়েড প্রধানত অনুন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেশি দেখা যায়।

(২) টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ

টাইফয়েডের প্রধান লক্ষণ হলো জ্বর, তবে এটি অন্যান্য উপসর্গের সাথেও প্রকাশ পেতে পারে। নিচে লক্ষণগুলো উল্লেখ করা হলো-

  • উচ্চ জ্বর (হাই গ্রেড ফিভার): ১০২-১০৪°F (৩৮.৯-৪০°C) পর্যন্ত জ্বর, যা ধীরে ধীরে বাড়ে।
  • ক্ষুধা কমে যাওয়া: খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায়, তবে সাধারণ জ্বরের তুলনায় কম প্রভাব ফেলে।
  • শরীরে দুর্বলতা: ক্রমাগত ক্লান্তি এবং শক্তিহীনতা।
  • গায়ে র‍্যাশ: কিছু ক্ষেত্রে ত্বকে ছোট ছোট গোলাপি দাগ (রোজ স্পট) দেখা যায়।
  • গা বমি বমি বা বমি: লিভার প্রভাবিত হলে বমির প্রবণতা বাড়ে।
  • পেটে অস্বস্তি: পেটে ব্যথা বা ফোলাভাব।
  • জন্ডিস (বিরল): খুব কম ক্ষেত্রে ত্বক বা চোখ হলুদ হতে পারে।
  • মেনিজম (গুরুতর ক্ষেত্রে): ঘাড়ের পেশিতে শক্ততা বা মস্তিষ্কে প্রভাব।

এই লক্ষণগুলো সাধারণত ৩-৪ দিন স্থায়ী হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

(৩) টাইফয়েড কীভাবে ছড়ায়?

টাইফয়েড একটি সংক্রামক রোগ, যা ফিকো-ওরাল রুটের মাধ্যমে ছড়ায়। প্রধান কারণগুলো হলো-

  • দূষিত খাবার ও পানি: ব্যাকটেরিয়াযুক্ত খাবার বা পানি গ্রহণ।
  • অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ: দূষিত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা।
  • রোগীর সংস্পর্শ: টাইফয়েড রোগীর মলের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে।
  • অপরিচ্ছন্ন হাত: খাবার তৈরি বা খাওয়ার আগে হাত না ধোয়া।

(৪) টাইফয়েড নির্ণয় (ডায়াগনোসিস)

টাইফয়েড নির্ণয়ের জন্য ডাক্তাররা কয়েকটি পরীক্ষার উপর নির্ভর করেন। নিচে প্রধান পরীক্ষাগুলো উল্লেখ করা হলো-

১. টাইফি ডট আইজিএম টেস্ট

  • জ্বর শুরুর ৩-৪ দিনের মধ্যে পজিটিভ ফলাফল দেয়।
  • ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে শরীরে তৈরি অ্যান্টিবডি শনাক্ত করে।
  • দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা।

২. উইডাল টেস্ট

  • জ্বর শুরুর ৭ দিন পর পজিটিভ হয়।
  • বর্তমানে কম নির্ভরযোগ্য, কারণ এটি নন-স্পেসিফিক।
  • অনেক প্যারামিটার থাকায় ফলাফল বোঝা জটিল।

৩. ব্লাড কালচার

  • সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা।
  • সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি শনাক্ত করে।
  • জ্বরের প্রথম সপ্তাহে কার্যকর।

৪. স্টুল কালচার

  • মলের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া বা অ্যান্টিজেন শনাক্ত করা হয়।
  • দেরিতে নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

এই পরীক্ষাগুলোর ফলাফলের ভিত্তিতে ডাক্তার টাইফয়েড নিশ্চিত করেন।

(৫) টাইফয়েডের চিকিৎসা

টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, তাই এর চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রধান ভূমিকা পালন করে। নিচে চিকিৎসার বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো-

১. অ্যান্টিবায়োটিক

  • সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক: সেফালোস্পোরিন, ফ্লোরোকুইনোলোন এবং ম্যাক্রোলাইড গ্রুপের ওষুধ।
  • কম্বিনেশন থেরাপি: প্রায়শই একাধিক অ্যান্টিবায়োটিকের সমন্বয় ব্যবহৃত হয়।
  • কোর্স সম্পূর্ণ করা: ৭-১৪ দিনের কোর্স পূর্ণ করা জরুরি।

২. ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট টাইফয়েড

  • কিছু ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়।
  • এই ক্ষেত্রে ইন্ট্রাভেনাস (IV) অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন।
  • হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

৩. উপসর্গ ব্যবস্থাপনা

  • জ্বর কমানো: প্যারাসিটামল বা অন্যান্য জ্বরনাশক ওষুধ।
  • ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ: পর্যাপ্ত পানি এবং তরল গ্রহণ।
  • বমি নিয়ন্ত্রণ: বমির সমস্যায় অ্যান্টি-ইমেটিক ওষুধ।

৪. হাসপাতালে ভর্তি

  • উচ্চ জ্বর যদি প্যারাসিটামল দিয়ে না কমে।
  • ক্রমাগত বমি হলে এবং খাবার ধরে না রাখলে।
  • জটিলতা যেমন মেনিনজাইটিস বা মাল্টি-অর্গান ফেইলিওর হলে।

(৬) টাইফয়েডের জটিলতা

টাইফয়েড চিকিৎসা না করলে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে। প্রধান জটিলতাগুলো হলো-

  • মেনিনজাইটিস: মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডের আবরণে প্রদাহ।
  • সাইটোকাইন স্টর্ম: শরীরে প্রদাহজনক প্রতিক্রিয়া, যা মাল্টি-অর্গান ফেইলিওরের কারণ হতে পারে।
  • জন্ডিস: লিভার প্রভাবিত হলে (বিরল)।
  • ইনটেস্টাইনাল পারফোরেশন: অন্ত্রে ছিদ্র হওয়া, যা জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন।

এই জটিলতাগুলো মেডিকেল ইমার্জেন্সি এবং আইসিইউতে চিকিৎসা প্রয়োজন।

(৭) টাইফয়েডে ডায়েট

টাইফয়েডে সঠিক খাদ্যাভ্যাস শরীরের পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ডায়েট গাইড দেওয়া হলো-

১. তরল খাবার

  • পানি: প্রচুর পানি পান করুন ডিহাইড্রেশন রোধে।
  • ডাবের পানি: ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য রাখে।
  • ফলের রস: ভিটামিন ও শক্তি সরবরাহ করে।
  • সুপ বা ব্রথ: সবজি বা মুরগির সুপ হজমে সহায়ক।
  • ঝোলজাতীয় খাবার: ডাল বা স্টু পুষ্টি ও তরল সরবরাহ করে।

২. হালকা ও সুষম খাবার

  • ভাত বা রুটি: সহজে হজম হয় এবং শক্তি দেয়।
  • মাছ বা মাংস: সিদ্ধ বা হালকা রান্না করা মাছ/মাংস।
  • সবজি: সিদ্ধ বা হালকা রান্না করা সবজি।
  • ফল: কলা, আপেল (সিদ্ধ) বা পেঁপে।

৩. এড়িয়ে চলা খাবার

  • তৈলাক্ত খাবার: ফ্রাই বা ভাজা খাবার।
  • মসলাযুক্ত খাবার: অতিরিক্ত মশলা পেটে অস্বস্তি সৃষ্টি করে।
  • বাইরের খাবার: দূষিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৪. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য

  • টাইফয়েডে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে।
  • নিয়মিত শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করুন।
  • খাবারের রুচি কম হলে যা খেতে ভালো লাগে তাই খান, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

(৮) টাইফয়েডে বিশ্রাম ও জীবনযাত্রা

  • বিশ্রাম: ৭-১০ দিন পূর্ণ বিশ্রাম নিন। দুর্বলতা থাকলে ২-৩ সপ্তাহ বিশ্রাম করুন।
  • হালকা ব্যায়াম: জ্বর কমে গেলে হাঁটাহাঁটি বা হালকা ব্যায়াম দুর্বলতা কমায়।
  • পর্যাপ্ত ঘুম: দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম পুনরুদ্ধার ত্বরান্বিত করে।
  • অ্যালকোহল ও তামাক: সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন।

(৯) টাইফয়েড প্রতিরোধ

টাইফয়েড প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি ও সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কিছু টিপস দেওয়া হলো-

  • নিরাপদ পানি: ফুটানো বা ফিল্টার করা পানি পান করুন।
  • হাত ধোয়া: খাওয়ার আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পর হাত ধুয়ে নিন।
  • বাইরের খাবার এড়ানো: রাস্তার খাবার বা অপরিচ্ছন্ন খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • রোগীর সেবা: রোগীর সংস্পর্শে এলে হাত ধোয়া এবং থালা-বাসন পরিষ্কার করা।
  • টিকা: টাইফয়েড টিকা (টাইফিম ভি বা টাইবার) প্রতিরোধে কার্যকর।

(১০) টাইফয়েড সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন

১. টাইফয়েড কি ছোঁয়াচে?

হ্যাঁ, টাইফয়েড ফিকো-ওরাল রুটে ছড়ায়। দূষিত খাবার, পানি বা রোগীর মলের মাধ্যমে এটি ছড়াতে পারে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে ছড়ানো প্রতিরোধ করা যায়।

২. টাইফয়েডের চিকিৎসা কি বাড়িতে সম্ভব?

হ্যাঁ, ৯০% ক্ষেত্রে বাড়িতেই চিকিৎসা সম্ভব। তবে গুরুতর ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি প্রয়োজন।

৩. টাইফয়েডে গোসল করা যাবে?

হ্যাঁ, গরম পানিতে গোসল করা যায়। এটি পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখে এবং মানসিকভাবে সতেজ রাখে।

৪. টাইফয়েডে দুর্বলতা কীভাবে কাটবে?

  • অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স সম্পূর্ণ করুন।
  • সুষম খাবার খান এবং পর্যাপ্ত ঘুমান।
  • হালকা ব্যায়াম এবং বিশ্রাম দুর্বলতা কমায়।
  • ভিটামিন সাপ্লিমেন্টের পরিবর্তে পুষ্টিকর খাবারের উপর নির্ভর করুন।

৫. টাইফয়েডে কতদিন বিশ্রাম নেওয়া উচিত?

সাধারণত ৭-১০ দিন, তবে দুর্বলতা থাকলে ২-৩ সপ্তাহ বিশ্রাম নিন।

(১১) টাইফয়েড নিয়ে ভুল ধারণা

  • মিথ: টাইফয়েড শুধু নোংরা পরিবেশে হয়।
    সত্য: পরিচ্ছন্ন পরিবেশেও দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে হতে পারে।
  • মিথ: টাইফয়েডে গোসল করা যায় না।
    সত্য: গোসল করা নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর।
  • মিথ: টাইফয়েডে ভাত বা রুটি খাওয়া যায় না।
    সত্য: ভাত, রুটি বা সুষম খাবার খাওয়া যায়।

(১২) উপসংহার

টাইফয়েড একটি চিকিৎসাযোগ্য রোগ, তবে সঠিক সময়ে নির্ণয় এবং চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি। উচ্চ জ্বর, দুর্বলতা বা পেটে অস্বস্তির মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

অ্যান্টিবায়োটিক, সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে টাইফয়েড থেকে দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব। নিরাপদ পানি, পরিচ্ছন্ন খাবার এবং টিকা গ্রহণের মাধ্যমে টাইফয়েড প্রতিরোধ করুন এবং সুস্থ জীবনযাপন করুন।

ডিসক্লেইমার: এই ব্লগ পোস্টে দেওয়া তথ্যগুলো শুধুমাত্র শিক্ষামূলক এবং তথ্য প্রদানের জন্য। এটি পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। টাইফয়েডের লক্ষণ দেখা দিলে বা চিকিৎসার জন্য অবশ্যই একজন ফিজিশিয়ান বা সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ডাক্তারের নির্দেশনা মেনে চলুন।

অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঘরোয়াভাবে গ্যাস্ট্রিক দূর করার উপায়

ঘরোয়াভাবে গ্যাস্ট্রিক দূর করার উপায়

আলোচ্য বিষয়: (১) পেটে গ্যাস ও অ্যাসিডিটি কী? (২) পেটে গ্যাস ও অ্যাসিডিটির কারণ (৩) পেটে গ্যাস ও অ্যাসিডিটির লক্ষণ (৪) পেটে গ্যাস ও অ্যাসিডিটির ঝুঁকি (৫) ঘরোয়াভাবে গ্যাস্ট্রিক দূর করার উপায় (৬) অন্যান্য ঘরোয়া সমাধান (৭) গ্যাস্ট্রিক দূর করার জন্য জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরি (৮) কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন? (৯) পেটে গ্যাস ও অ্যাসিডিটি নিয়ে ভুল ধারণা (১০) উপসংহার Read
চোয়ালের জয়েন্টে সমস্যা (টিএমডি) এর কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

চোয়ালের জয়েন্টে সমস্যা (টিএমডি) এর কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

আলোচ্য বিষয়: (১) টিএমডি কী? (২) টিএমডির লক্ষণ (৩) টিএমডির কারণ (৪) টিএমডির ঝুঁকির কারণ (৫) টিএমডির নির্ণয় (৬) টিএমডির চিকিৎসা (৭) টিএমডি নিয়ে সাধারণ মিথ (৮) টিএমডির সময় ব্যবহারিক টিপস (৯) কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন? (১০) উপসংহার Read
মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গে স্পর্শ করলে উত্তেজনা বৃদ্ধির পায়

মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গে স্পর্শ করলে উত্তেজনা বৃদ্ধির পায়?

আলোচ্য বিষয়: (১) মেয়েদের উত্তেজনা বৃদ্ধির স্পর্শকাতর অঙ্গ (২) মেয়েদের উত্তেজনা বৃদ্ধিতে ফোরপ্লের গুরুত্ব (৩) ব্যক্তিগত পার্থক্য এবং সংবেদনশীলতা (৪) যৌন শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা (৫) যৌন স্বাস্থ্যের উপর মানসিক অবস্থার প্রভাব (৬) সুস্থ যৌনজীবনের জন্য পরামর্শ (৭) শেষ কথা Read
খাদ্যে উপাদান, আদর্শ খাদ্য পিরামিড, সুষম খাদ্যে বৈশিষ্ট্য তৈরি তালিকা, খাদ্য পুষ্টিমান

খাদ্যের প্রধান উপাদান সমূহ ও তাদের উৎস, আদর্শ খাদ্য পিরামিড, সুষম খাদ্যের বৈশিষ্ট্য, সুষম খাদ্যতালিকা তৈরি এবং বাংলাদেশের খাদ্যসমূহের পুষ্টিমান

আলোচ্য বিষয়: (১) খাদ্যের প্রধান উপাদান সমূহ ও তার উৎস (২) আদর্শ খাদ্য পিরামিড (৩) খাদ্য গ্রহণের নীতিমালা (Principles of food habit) (৪) পূর্ণবয়স্ক পুরুষ ও নারীর জন্য সুষম খাদ্যতালিকা (৫) বাংলাদেশের সাধারণ খাদ্যসমূহের পুষ্টিমান Read
ঔষধ কিভাবে কাজ করে

ঔষধ কিভাবে কাজ করে?

আলোচ্য বিষয়: (১) ঔষধ কী এবং এটি শরীরে কীভাবে প্রবেশ করে? (২) “লক এবং কী” মডেল: ঔষধের কাজের মূল রহস্য (৩) ঔষধ শরীরে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে? (৩) ঔষধের “ব্রেন” আছে কি? (৪) বিভিন্ন ধরনের ঔষধ কিভাবে কাজ করে? (৫) ঔষধ কীভাবে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে? (৬) বিজ্ঞানীরা কীভাবে ঔষধ ডিজাইন করেন? (৭) ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কেন হয়? (৮) শেষকথা Read
মেয়েদের যোনিপথ কালো হয় কেন, কারণ, সমাধান ও ঘরোয়া উপায়

মেয়েদের যোনিপথ কালো হয় কেন? কারণ, সমাধান ও ঘরোয়া উপায়

আলোচ্য বিষয়: মেয়েদের যোনিপথ কালো হয় কেন? আমার শরীরের অন্যান্য অংশ ফর্সা হলেও যোনিপথের ত্বক কেন কালো? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে এবং এর পেছনের কারণ ও সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ব্লগ পোস্টটি পড়ুন। Read
পেটে গ্যাস কেন হয়, পেটে গ্যাস হলে কী করা উচিত, কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধে করণীয়

পেটে গ্যাস কেন হয়? পেটে গ্যাস হলে কী করা উচিত? কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধে করণীয়

আলোচ্য বিষয়: (১) পেটে গ্যাস কী? (২) পেটে গ্যাস হওয়ার লক্ষণ (৩) পেটে গ্যাস কেন হয়? (৪) পেটে গ্যাস হলে কি কি সমস্যা হয়? (৫) পেটে গ্যাস হলে কি করতে হবে? (৬) পেটে গ্যাস হলে কি করা উচিত? (৭) পেটে গ্যাস নিয়ে কিছু ভুল ধারণা (৮) পেটে গ্যাস নিয়ে কিছু ব্যবহারিক টিপস (৯) কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন? (১০) শেষকথা Read
কোন কোন সবজিতে এলার্জি আছে

কোন কোন সবজিতে এলার্জি আছে?

আলোচ্য বিষয়: (১) এলার্জি কি ও কেন হয়? এলার্জির লক্ষণ সমূহ (২) কোন কোন সবজিতে এলার্জি আছে? (৩) সবজিতে এলার্জি হলে কী করবেন? Read
কত বছর বয়সে মেয়েদের যোনির চুল গজায়

কত বছর বয়সে মেয়েদের যোনির চুল গজায়?

আলোচ্য বিষয়: ঠিক কত বছর বয়সে মেয়েদের যোনির চুল গজায়? Read
বগুড়ার সেরা ২ জন শরীর ব্যথার ডাক্তার (২০২৫)

বগুড়ার সেরা ২ জন শরীর ব্যথার ডাক্তার (২০২৫)

বগুড়া, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর, যেখানে স্বাস্থ্যসেবা ক্রমশ উন্নত হচ্ছে। শরীরের বিভিন্ন ধরনের ব্যথা, যেমন পিঠের ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা, আজকাল অনেকের জীবনকে কঠিন করে তুলছে। এই ধরনের সমস্যার সমাধানে বগুড়ায় দুইজন বিশেষজ্ঞ পেইন ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রয়েছেন, যারা তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে রোগীদের উন্নত চিকিৎসা প্রদান করছেন। এই ব্লগ পোস্টে আমরা বগুড়ার শীর্ষ দুই পেইন ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞ ডা. মো. নুর আলম নয়ন এবং ডা. নিতাই চন্দ্র সরকার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরব। (১) ডা. মো. নুর আলম নয়ন ডা. মো. নুর আলম নয়ন পরিচিতি: ডা. মো. নুর আলম নয়ন বগুড়ার একজন প্রখ্যাত পেইন ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট এবং এনেস্থেসিওলজি বিশেষজ্ঞ। তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কনসালটেন্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং Read