পবিত্র কোরআন বলে “আল্লাহ আদম হাওয়া থেকে সমগ্র মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ” আর বিজ্ঞান থেকে ডারউইন বলে “বানর থেকে বিবর্তনের মাধ্যমে মানুষ এসেছে” কোনটি সঠিক…?

মানুষ কি বানর থেকে এসেছে নাকি আদম-হাওয়ার সন্তান? বিজ্ঞান বনাম বিশ্বাস—আসুন সত্যটা জানি
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
বন্ধুরা, informationbangla.com এর আজকের ব্লগে আমরা এমন একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যা নিয়ে আমাদের অনেকের মনেই হাজারো প্রশ্ন ঘোরে। ছোটবেলা থেকেই পাঠ্যবই বা বিভিন্ন আলোচনায় আমরা দুই ধরণের কথা শুনে আসছি। একদিকে ধর্ম বা পবিত্র কোরআন বলছে, “মহান আল্লাহ তায়ালা হযরত আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ) থেকে সমগ্র মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন।”
আবার অন্যদিকে বিজ্ঞানের বইতে ডারউইনের তত্ত্ব বা বিবর্তনবাদ নিয়ে পড়ানো হয়, যেখানে বলা হয়— “বানর বা শিম্পাঞ্জি জাতীয় প্রাণী থেকে পরিবর্তনের মাধ্যমে বা বিবর্তনের মাধ্যমে আজকের মানুষ এসেছে।”
এখন প্রশ্ন হলো, কোনটা সঠিক? আমাদের বিশ্বাস কি ভুল? নাকি বিজ্ঞানের ওই তত্ত্বটি ভুল? চলুন, আজ খুব সহজ ভাষায়, লজিক বা যুক্তি দিয়ে বিষয়টার গভীরে যাই।
উত্তরটা আগেই জেনে নেই
সরাসরি উত্তর হলো— পবিত্র কোরআন এবং হাদিসের বাণীই ১০০% সঠিক। মানুষ বানর থেকে আসেনি, মানুষকে আল্লাহ তায়ালা শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবেই সৃষ্টি করেছেন।
কেন আমি একথা বলছি? বিজ্ঞান কি তাহলে মিথ্যা? না, বিজ্ঞান মিথ্যা নয়। কিন্তু বিজ্ঞানের নামে চালানো “ডারউইনের বিবর্তনবাদ” বা “Evolution Theory” কেন ভুল, সেটা বুঝতে হলে আমাদের বিজ্ঞানের ধরণটা বুঝতে হবে।
বিজ্ঞান আসলে কয় প্রকার?
সহজ কথায় বিজ্ঞানকে আমরা দুটি ভাগে ভাগ করতে পারি-
১. Fact of Science (প্রমাণিত সত্য): এটা হলো বিজ্ঞানের সেই সব আবিষ্কার যা ল্যাবরেটরিতে প্রমাণ করা গেছে এবং যার ফলাফল সবসময় একই আসে। যেমন: পানি ১০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফোটে, পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। পবিত্র কোরআন ১৪০০ বছর আগে যেসব বৈজ্ঞানিক ইঙ্গিত দিয়েছে, তার সবকিছুই এই “Fact of Science” বা প্রমাণিত সত্যের সাথে হুবহু মিলে যায়।
২. Theory of Science (ধারণা বা অনুমান): এটা হলো বিজ্ঞানীদের কিছু অনুমান। তারা কিছু আলামত দেখে মনে করেন, “হয়তো এমনটা হতে পারে”। এটা প্রমাণিত সত্য নয়। চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদ (Theory of Evolution) ঠিক এমনই একটি “থিওরি” বা ধারণা মাত্র। এটা কোনো “ফ্যাক্ট” বা প্রমাণিত সত্য নয়।
ডারউইন ১৮৫৯ সালে তার বইয়ে এই ধারণা দিয়েছিলেন। তিনি গ্যালাপাগোস দ্বীপে পাখিদের ঠোঁটের আকার পরিবর্তন দেখে অনুমান করেছিলেন যে, হয়তো এক প্রজাতি থেকে আরেক প্রজাতি তৈরি হয়। কিন্তু তখনকার দিনে আধুনিক জেনেটিক্স বা ডিএনএ (DNA) প্রযুক্তির কোনো অস্তিত্ব ছিল না। আজ বিজ্ঞান অনেক এগিয়েছে এবং আধুনিক বিজ্ঞানই ডারউইনের এই পুরোনো ধারণাকে ভুল প্রমাণ করছে।
ডারউইনের বিবর্তনবাদ কেন ভুল? (১২টি শক্তিশালী যুক্তি)
আসুন, অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে যুক্তির কষ্টিপাথরে যাচাই করি কেন মানুষ বানর থেকে আসা সম্ভব নয়।
যুক্তি ১: কোষ বা সেলের জন্মরহস্য
বিজ্ঞানী স্লাইডেন এবং সোয়ান কোষ তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। তারা প্রমাণ করেছেন, “প্রতিটি কোষ তার আগের একটি জীবিত কোষ থেকেই আসে (Every cell comes from a pre-existing cell)।” অর্থাৎ, শূন্য থেকে হুট করে কোনো জীবিত কোষ তৈরি হতে পারে না।
বিবর্তনবাদ বলে, কোটি বছর আগে সাগরের পানিতে হঠাৎ করে একা একা প্রাণের উৎপত্তি হয়েছে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, এটা অসম্ভব। জীবন আসতে হলে আগে থেকেই জীবন থাকতে হবে। আর সেই আদি জীবন একমাত্র মহান স্রষ্টাই দিতে পারেন।
যুক্তি ২: ডিএনএ (DNA)-এর গাণিতিক হিসাব
আমাদের শরীরের মূল ভিত্তি হলো DNA। এটি ৫টি উপাদানে তৈরি (কার্বন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, ফসফরাস)। এই ডিএনএ-এর গঠন এতটাই জটিল যে, বিজ্ঞানীরা অংক করে দেখেছেন— একা একা বা প্রাকৃতিকভাবে একটি ডিএনএ অণু তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ১০-এর পিঠে ২৬৮টি শূন্য বসালে যা হয়, তার মধ্যে এক ভাগ (1/10^268)। অর্থাৎ এটা অসম্ভব।
আজকের যুগে বিলিয়ন ডলারের ল্যাবরেটরিতে সব উপকরণ থাকার পরেও বিজ্ঞানীরা শূন্য থেকে একটা কোষ বা ডিএনএ বানাতে পারেন না। তাহলে কোটি বছর আগে সাগরের পানিতে সেটা একা একা কীভাবে হলো? এটা বিশ্বাস করা কি যৌক্তিক?
যুক্তি ৩: তাপগতিবিদ্যা বা Thermodynamics-এর সূত্র
বিজ্ঞানের একটি প্রতিষ্ঠিত সূত্র হলো “Thermodynamics-এর ২য় সূত্র”। এই সূত্র বলে, “যেকোনো জিনিস সময়ের সাথে সাথে সুশৃঙ্খল অবস্থা থেকে বিশৃঙ্খল অবস্থার দিকে যায়, যদি না বাইরে থেকে কেউ সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করে।”
যেমন: আপনি একটা ঘর সুন্দর করে গুছিয়ে রাখলেন। ১ বছর পর এসে দেখবেন সেটা ধুলোবালি জমে নোংরা (বিশৃঙ্খল) হয়ে গেছে। একা একা ঘরটা আরও সুন্দর (সুশৃঙ্খল) হবে না।
কিন্তু বিবর্তনবাদ বলে উল্টো কথা। তারা বলে, প্রাকৃতিকভাবেই নাকি সরল জীব থেকে জটিল এবং উন্নত মানুষ তৈরি হয়েছে। এটা বিজ্ঞানের এই মৌলিক সূত্রের সম্পূর্ণ বিরোধী। স্রষ্টার পরিকল্পনা ছাড়া বিশৃঙ্খলা থেকে শৃঙ্খলা আসা সম্ভব নয়।
যুক্তি ৪: ক্রোমোসোমের নির্দিষ্ট সংখ্যা
পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীর শরীরে ক্রোমোসোমের সংখ্যা নির্দিষ্ট। মানুষের ক্রোমোসোম ৪৬টি। বানর বা শিম্পাঞ্জির আলাদা। বিজ্ঞানে দেখা যায়, ক্রোমোসোমের সংখ্যা একটু কম-বেশি হলেই সেই প্রাণীটি মারা যায় অথবা বিকলাঙ্গ হয় (যেমন ডাউন সিন্ড্রোম)।
বানরের ক্রোমোসোম পরিবর্তন হয়ে মানুষে পরিণত হওয়াটা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে হাস্যকর। কারণ প্রকৃতিতে এমনটা ঘটলে সেই প্রাণীটি বিলুপ্ত হয়ে যেত, নতুন উন্নত প্রজাতি হতো না।
যুক্তি ৫: মিউটেশন (Mutation) বা জিনের পরিবর্তন
বিবর্তনবাদীরা বলেন, মিউটেশন বা জিনের পরিবর্তনের মাধ্যমে এক প্রাণী আরেক প্রাণীতে রূপ নেয়। যেমন সরীসৃপ থেকে পাখি। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে, মিউটেশনের মাধ্যমে কেবল ওই প্রজাতির কিছু বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন হতে পারে (যেমন গায়ের রং, উচ্চতা), কিন্তু প্রজাতি বদলানো সম্ভব নয়।
হাজার বছর চেষ্টা করলেও আপনি জিনের পরিবর্তন করে বাঘ থেকে হাতি বানাতে পারবেন না। তাই সরীসৃপ থেকে পাখি বা বানর থেকে মানুষ হওয়ার গল্পটা অবৈজ্ঞানিক।
যুক্তি ৬: ফসিল বা জীবাশ্মের অমিল
নৃতত্ত্ববিদরা বা ফসিল নিয়ে যারা গবেষণা করেন, তারা মানুষের উৎপত্তি দেখাতে গিয়ে অস্ট্রালোপিথেকাস, হোমো ইরেকটাস—এমন কিছু ভাগ দেখান। কিন্তু সত্য হলো, এই ধাপগুলোর মধ্যে কোনো ধারাবাহিক মিল নেই। একটার সাথে আরেকটার কোনো সরাসরি সংযোগ বা “মিসিং লিংক” পাওয়া যায় না। জোর করে একটার হাড়ের সাথে আরেকটার হাড় মিলিয়ে একটা কাল্পনিক চেইন বা শিকল তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে মাত্র।
যুক্তি ৭: মঙ্গলে পানি আছে, কিন্তু জীবন নেই কেন?
সম্প্রতি নাসা মঙ্গলে মহাকাশযান পাঠিয়েছে এবং পানির অস্তিত্ব পেয়েছে। বিবর্তনবাদ যদি সত্য হতো এবং পানি থাকলেই যদি একা একা প্রাণের জন্ম হতো, তবে মঙ্গলেও তো এতদিনে প্রাণের বিকাশ ঘটার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে কোনো ব্যাকটেরিয়াও জন্মায়নি।
এর মানে হলো, পরিবেশ থাকলেই জীবন তৈরি হয় না। জীবন তৈরির জন্য “সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা” বা একজন স্রষ্টার হুকুম প্রয়োজন।
যুক্তি ৮: জিরাফ আর জেব্রার ফসিল কোথায়?
বিবর্তনবাদীরা মানুষ ও বানরের খুলি নিয়ে অনেক গবেষণা দেখান। কিন্তু তারা অন্য প্রাণীদের কথা এড়িয়ে যান। যদি বিবর্তন সত্য হতো, তবে আমরা জিরাফ হওয়ার আগের ধাপের প্রাণী, বা জেব্রা হওয়ার আগের অদ্ভুত দর্শন প্রাণীদের হাজার হাজার ফসিল পেতাম। কিন্তু বাস্তবে জিরাফ সবসময় জিরাফই ছিল, জেব্রা জেব্রাই ছিল। এদের কোনো মধ্যবর্তী রূপের ফসিল পাওয়া যায়নি।
যুক্তি ৯: পরিবেশের সাথে অভিযোজন বনাম প্রজাতি পরিবর্তন
ডারউইন বলেছিলেন, পরিবেশের চাপে প্রাণী বদলে যায়। হ্যাঁ, এটা সত্য যে মরুভূমির মানুষের চামড়া আর শীতপ্রধান দেশের মানুষের চামড়া আলাদা হয়। এটা হলো “অভিযোজন” বা খাপ খাওয়ানো। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, পরিবেশের চাপে মানুষ পাল্টে অন্য কোনো প্রাণী হয়ে যাবে।
জিনতত্ত্ব বা জেনেটিক্স বলে, পরিবেশ জিনের কিছু পরিবর্তন ঘটাতে পারে কিন্তু পুরো প্রজাতিকে বদলে দিতে পারে না। এক প্রজাতি থেকে আরেক প্রজাতিতে রূপান্তর—এটা জেনেটিক্স সমর্থন করে না।
যুক্তি ১০: বাস্তব উদাহরণ—মানুষ ও বনের প্রাণী
একটা খুব সাধারণ লজিক ভাবুন। বিবর্তনবাদ যদি সত্যি হতো এবং পরিবেশের কারণেই যদি বানর মানুষ হয়ে থাকে, তবে আজও সেটা ঘটার কথা।
ধরুন, একটি মানব শিশুকে জন্মের পর বনে রেখে আসা হলো আর একটি বানর ছানাকে মানুষের শহরে বড় করা হলো। বিবর্তনবাদ অনুযায়ী, পরিবেশের প্রভাবে বানরটি মানুষ হওয়ার কথা আর মানুষটি বানর হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে কি তা হবে?
কখনোই না! মানব শিশুটি বনে থাকলেও মানুষই থাকবে (হয়তো ভাষা শিখবে না), আর বানরটি শহরে থাকলেও বানরই থাকবে। এটা প্রমাণ করে যে ডারউইনের তত্ত্বটি ভিত্তিহীন।
যুক্তি ১১: প্রথম সেই কোষটি কে বানাল?
বিবর্তনবাদীরা সবকিছুর ব্যাখ্যা দিতে চাইলেও মূল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না। তারা বলে, একটা কোষ থেকে সব শুরু। কিন্তু প্রশ্ন হলো—
- সেই প্রথম কোষটি কোথা থেকে এল?
- সেটার প্রাণ বা জীবন কে দিল?
- সেটার ভেতরে বিভাজন হওয়ার ক্ষমতা (Program) কে ইনস্টল করল?
- কে নির্বাচন করল যে এই কোষটি এখন মানুষ হবে, আর ওটা গাছ হবে?একজন বুদ্ধিমান ডিজাইনার বা স্রষ্টা ছাড়া এতো জটিল প্রোগ্রামিং একা একা হওয়া অসম্ভব।
যুক্তি ১২: কাগজের কারখানার উদাহরণ
আমরা যে কাগজে লিখি বা যে স্ক্রিনে এই লেখাটি পড়ছি, তার উৎস কী? কাগজ আসে গাছ থেকে বা বাঁশ থেকে। এখন কেউ যদি আপনাকে বলে— “ভাই জানেন, অনেক বছর আগে বনের মধ্যে ঝড়ে একটা গাছ ভেঙে পড়েছিল, তারপর বৃষ্টির পানিতে ভিজে সেটা একা একা মণ্ড হলো, তারপর রোদে শুকিয়ে সেটা ধবধবে সাদা কাগজ হয়ে গেল এবং তাতে একা একা কালিতে লেখা হয়ে গেল!”
আপনি কি এই গাজাখুরি গল্প বিশ্বাস করবেন? একটা ছোট বাচ্চাও বলবে— “এটা অসম্ভব! কাগজ বানাতে কারখানা লাগে, কারিগর লাগে, বুদ্ধি লাগে।”
যদি সামান্য একটা কাগজ একা একা তৈরি হতে না পারে, তবে আমাদের এই জটিল শরীর, এই বিশাল মহাবিশ্ব, এই সুন্দর পৃথিবী—এগুলো কি কোনো কারিগর বা স্রষ্টা ছাড়া একা একা তৈরি হতে পারে? কখনোই না।
শেষ কথা
উপরের ১২টি যুক্তি এবং বিজ্ঞানের অকাট্য প্রমাণগুলো বিচার করলে আমরা পরিষ্কার বুঝতে পারি যে, বিবর্তনবাদ বা ডারউইনের থিওরি একটি পঙ্গু, অবৈজ্ঞানিক এবং ভুল ধারণা। এটি নিছক একটি অনুমান, যার কোনো শক্ত ভিত্তি নেই। নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী স্যার ওয়াটসন ও ক্রিকসহ শত শত আধুনিক বিজ্ঞানী এখন বিবর্তনবাদকে প্রত্যাখ্যান করছেন।
পবিত্র কোরআনুল কারীমে মহান আল্লাহ যা বলেছেন, সেটাই চূড়ান্ত সত্য। বিজ্ঞানের প্রমাণিত সত্য (Fact) কখনোই কোরআনের সাথে সাংঘর্ষিক নয়, বরং কোরআনের প্রতিটি বাণীর সাথে বিজ্ঞান একমত।
আল্লাহ আদম (আঃ) এবং হাওয়া (আঃ)-কে সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের থেকেই আমরা এসেছি। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব, কোনো বানরের বংশধর নয়। এই আত্মমর্যাদাবোধ আমাদের ঈমানের অংশ।
আসুন, আমরা অন্ধভাবে ভুল তত্ত্বের পেছনে না ছুটে সত্যকে জানি এবং আমাদের ঈমানকে মজবুত করি।
ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য। আপনার মতামত কী? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদেরও সত্য জানার সুযোগ করে দিন।








![চন্দ্রকে নূরের তৈরি এবং সূর্যকে প্রদীপ বা আগুণ বলা হয়েছে, চন্দ্র নূরের তৈরি নয় এবং সূর্যের পুরো অংশ আগুন নয়, তাহলে কোরানের একথা কিভাবে সত্য হল? [৭১:১৫-১৬; ২৫:৬১] চন্দ্রকে নূরের তৈরি এবং সূর্যকে প্রদীপ বা আগুণ বলা হয়েছে। চন্দ্র নূরের তৈরি নয় এবং সূর্যের](https://informationbangla.com/wp-content/uploads/2023/03/চন্দ্রকে-নূরের-তৈরি-এবং-সূর্যকে-প্রদীপ-বা-আগুণ-বলা-হয়েছে।-চন্দ্র-নূরের-তৈরি-নয়-এবং-সূর্যের.jpg)
