ভারতে অস্ত্র হাতে হিন্দু যুবকদের উগ্র হিন্দুত্ববাদী জঙ্গি গোষ্ঠী বজরং দলের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হলো প্রকাশ্যে বড় অডিটোরিয়ামে (ভিডিও ভাইরাল)

অডিটোরিয়ামে অস্ত্র উঁচিয়ে যুবকদের নেওয়া উগ্র হিন্দুত্ববাদী শপথঃ
(হিন্দি):
“श्री परमेश्वर तथा अपने पूर्वजों का स्मरण कर मैं प्रतिज्ञा करता हूँ कि अपने पवित्र हिंदू धर्म, हिंदू संस्कृति तथा हिंदू समाज का संरक्षण कर, हिंदू राष्ट्र की सर्वांगीण उन्नति करने के लिए मैं विश्व हिंदू परिषद बजरंग दल का घटक बना हूँ। मैं विश्व हिंदू परिषद बजरंग दल का कार्य पूरी प्रमाणिकता से, निःस्वार्थ बुद्धि से…”
(হুবহু বাংলা অনুবাদ):
“শ্রী পরমেশ্বর এবং নিজের পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে, নিজের পবিত্র হিন্দু ধর্ম, হিন্দু সংস্কৃতি এবং হিন্দু সমাজের সংরক্ষণ করে, হিন্দু রাষ্ট্রের সর্বাঙ্গীন উন্নতি করার জন্য আমি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বজরং দলের অঙ্গ (সদস্য) হয়েছি। আমি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বজরং দলের কাজ পূর্ণ প্রামাণিকতার সাথে, নিঃস্বার্থ বুদ্ধিতে [সম্পন্ন করব]…”
নিউজ ধারাভাষ্যকারের সম্পূর্ণ বক্তব্যঃ
(হিন্দি):
“देखा आपने इस वीडियो में? किस तरह की शपथ एक बड़े ऑडिटोरियम के अंदर दिलाई जा रही है और वो भी एक हिंदूवादी संगठन के ज़रिए। लेकिन सवाल सिर्फ मदरसों पर खड़ा होता है। सिर्फ मदरसों को आतंकवाद से जोड़ करके देखा जाता है और ये कहा जाता है, ये आरोप लगाया जाता है कि मदरसे में आतंकवादी पैदा होते हैं। हालांकि अगर भारत का आज़ादी का इतिहास इन जाहिलों ने पढ़ा होता तो शायद मदरसों पर इस तरह के बयान नहीं सामने आते, इस तरह के आरोप सामने नहीं आते क्योंकि जो मदरसों का जो योगदान है, भारत की आज़ादी में, अगर शायद मदरसे ना होते तो भारत इतनी आज़ाद आसानी से आज़ाद नहीं होता, गुलामी से अंग्रेजों के गुलामी से। लेकिन मदरसों के ज़रिए जिस तरह से फतवे दिए गए और हज़ारों उलमा-ए-किराम ने अपनी जान कुर्बान की देश को आज़ाद कराने में, एक बड़ा योगदान रहा है इन मदारिस का। लेकिन आप देख सकते हैं कि इनके ज़रिए किस तरह से खुलेआम ये शपथ दिलाया जा रहा है मुसलमानों के खिलाफ, किस तरह से पूरा एकजुट किया जा रहा है, उससे आप अंदाज़ा लगा सकते हैं कि जो मदरसों को दिन-रात गालियां देते हैं, ये हिंदूवादी संगठन सही मायने में यहीं पर ही आतंकवादी पैदा हो रहे हैं।”
(হুবহু বাংলা অনুবাদ):
“দেখলেন তো আপনারা এই ভিডিওতে? একটি বড় অডিটোরিয়ামের ভেতরে কী ধরণের শপথ দেওয়ানো হচ্ছে, তাও আবার একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের মাধ্যমে। কিন্তু প্রশ্ন শুধু মাদরাসাগুলোর ওপরই তোলা হয়। শুধু মাদরাসাগুলোকেই সন্ত্রাসের সাথে যুক্ত করে দেখা হয় এবং এই বলা হয়, এই অভিযোগ তোলা হয় যে মাদরাসায় সন্ত্রাসী তৈরি হয়।
অথচ, ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাস যদি এই জাহেলরা (মূর্খরা) পড়তো, তবে হয়তো মাদরাসাগুলোর ওপর এই ধরণের বক্তব্য সামনে আসতো না, এই ধরণের অভিযোগ সামনে আসতো না। কারণ ভারতের স্বাধীনতায় মাদরাসাগুলোর যে অবদান রয়েছে—যদি সম্ভবত মাদরাসা না থাকতো, তবে ভারত এত সহজে স্বাধীন হতো না, গোলামি থেকে, ইংরেজদের গোলামি থেকে। কিন্তু মাদরাসাগুলোর পক্ষ থেকে যেভাবে ফতোয়া দেওয়া হয়েছিল এবং হাজার হাজার ওলামায়ে কেরাম নিজের জীবন কুরবান করেছেন দেশকে স্বাধীন করতে, এক বিশাল অবদান রয়েছে এই মাদারিসগুলোর (মাদরাসাগুলোর)।
কিন্তু আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে এদের মাধ্যমে কীভাবে প্রকাশ্যে এই শপথ দেওয়ানো হচ্ছে মুসলমানদের বিরুদ্ধে, কীভাবে পুরো একত্রিত করা হচ্ছে। এ থেকে আপনারা আন্দাজ করতে পারেন যে, যারা দিন-রাত মাদরাসাকে গালি দেয়, এই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোই সঠিক অর্থে—এখানেই আসলে সন্ত্রাসী তৈরি হচ্ছে।”
রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষণঃ
বহুত্ববাদের অপমৃত্যু ও কাঠামোগত ফ্যাসিবাদ এবং ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদ, নির্বাচনী বিচারব্যবস্থা এবং সংখ্যালঘুদের অস্তিত্বের সংকট
একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো আইনের শাসন (Rule of Law) এবং প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার। কিন্তু যখন কোনো রাষ্ট্রের প্রকাশ্য দিবালোকে, বড় অডিটোরিয়ামে শত শত যুবককে হাতে ধারালো অস্ত্র বা প্রতীকী তরবারি তুলে দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে উগ্রতার শপথ দেওয়ানো হয়, তখন তা কেবল আইনের লঙ্ঘন নয়, বরং তা একটি সভ্য সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক পতনের ইঙ্গিত দেয়। বর্তমান ভারতে বজরং দল ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) মতো উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর এই ধরণের প্রকাশ্য আস্ফালন এবং তার বিপরীতে রাষ্ট্রযন্ত্রের নিস্পৃহতা প্রমাণ করে যে, দেশটি আজ এক গভীর কাঠামোগত ফ্যাসিবাদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
আরএসএস-বিজেপি অক্ষের আদর্শিক রূপরেখা হলো ‘রাম রাজ্য’ ও ‘অখণ্ড ভারত’-এর আড়ালে হিন্দু আধিপত্যবাদ
রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) এবং তার রাজনৈতিক শাখা ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) মূল লক্ষ্য ভারতের ১৯৫০ সালের ধর্মনিরপেক্ষ ও বহুত্ববাদী সংবিধানের মূল চেতনাকে আমূল বদলে ফেলা।
- সাভারকরের হিন্দুত্বতত্ত্বের বাস্তবায়ন: তাদের রাজনৈতিক দর্শনের মূলে রয়েছে বিনায়ক দামোদর সাভারকরের ‘হিন্দুত্ব’ তত্ত্ব, যা সনাতন হিন্দু ধর্মের আধ্যাত্মিকতা নয়, বরং একটি ভূ-রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদের নাম। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, ভারতে কেবল তারাই পূর্ণ নাগরিকত্বের অধিকারী যাদের ‘পিতৃভূমি’ (Fatherland) এবং ‘পুণ্যভূমি’ (Holy land) এই ভারতের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে। স্বাভাবিকভাবেই মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে এই সংজ্ঞার বাইরে রেখে তাদের ‘বহিরাগত’ বা ‘দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক’ হিসেবে চিহ্নিত করার একটি তাত্ত্বিক ভিত্তি তৈরি করা হয়েছে।
- রাম রাজ্য ও অখণ্ড ভারতের আগ্রাসী রূপ: আরএসএস-এর ‘রাম রাজ্য’ কোনো কল্যাণকামী রাষ্ট্রের রূপক নয়, বরং এটি একটি সমসত্ব (Homogeneous) হিন্দু সামাজিক ও আইনি কাঠামোর প্রতিষ্ঠা, যেখানে সংখ্যালঘুদের কোনো রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য থাকবে না। ‘অখণ্ড ভারত’-এর ধারণাটি একদিকে যেমন ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্যের স্লোগান, অন্যদিকে তা দেশের অভ্যন্তরে উগ্র জাতীয়তাবাদী উন্মাদনা টিকিয়ে রাখার একটি হাতিয়ার।
‘সিলেক্টিভ জাস্টিস’ বা নির্বাচনী আইন প্রয়োগে রাষ্ট্রযন্ত্রের দ্বিমুখী নীতি
বর্তমান ভারতের শাসনব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় সংকট হলো আইনের ‘সিলেক্টিভ’ বা নির্বাচনী ব্যবহার। রাষ্ট্র আজ অপরাধ দেখে ব্যবস্থা নেয় না, বরং অপরাধীর ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিচয় দেখে আইনের ধারা নির্ধারণ করে।
- সংখ্যালঘুদের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়ন: মুসলিম সম্প্রদায়ের কেউ সামান্যতম প্রতিবাদ বা ভিন্নমত পোষণ করলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে রাষ্ট্রদ্রোহ, ‘ইউএপিএ’ (UAPA-সন্ত্রাসবিরোধী আইন) বা জাতীয় নিরাপত্তা আইনের (NSA) মতো কঠোরতম ধারা জুড়ে দেওয়া হয়। কোনো আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই ‘বুলডোজার জাস্টিস’-এর নামে মুহূর্তের মধ্যে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। মাদরাসাগুলোকে প্রতিনিয়ত প্রোপাগান্ডার শিকার বানিয়ে সেগুলোকে ‘সন্ত্রাসবাদের প্রজনন কেন্দ্র’ হিসেবে চিত্রায়িত করা হয়।
- বহুসংখ্যক উগ্রতায় রাষ্ট্রীয় অনুকম্পা: এর বিপরীতে, যখন ধর্ম সংসদের মতো বড় বড় জনসভা বা অডিটোরিয়ামে প্রকাশ্য গণহত্যার উস্কানি দেওয়া হয়, মুসলমানদের অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বয়কট করার শপথ নেওয়া হয়, তখন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকা পালন করে। বহু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এই ধরণের উগ্র বক্তব্য প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও তারা দ্রুত জামিন পেয়ে যান এবং রাজনৈতিকভাবে পুরস্কৃত হন। এটি প্রমাণ করে যে, বর্তমান ক্ষমতা কাঠামো এই উগ্রতাকে কেবল প্রশ্রয়ই দিচ্ছে না, বরং একে নিজেদের ভোটব্যাংক রাজনীতির স্বার্থে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে।
বিচার বিভাগের সীমাবদ্ধতা ও নির্বাহী বিভাগের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ
অনেকে এই সংকটে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বা উচ্চ আদালতের ভূমিকার দিকে তাকিয়ে থাকেন। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তাত্ত্বিকভাবে ‘ঘৃণামূলক বক্তব্য’ (Hate Speech)-এর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার নির্দেশ দিলেও বাস্তবে মাঠপর্যায়ে তার প্রতিফলন শূন্যের কোঠায়।
- বাস্তবায়নের চাবিকাঠি সরকারের হাতে: আদালত কেবল রায় বা নির্দেশনা দিতে পারে, কিন্তু তা কার্যকর করার জন্য যে পুলিশ, আমলাতন্ত্র ও গোয়েন্দা সংস্থা প্রয়োজন, তার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা নির্বাহী বিভাগের হাতে। ফলে, সরকার যদি আদালতের নির্দেশকে রাজনৈতিক কৌশলে উপেক্ষা করে, তবে আদালতের পক্ষে সরাসরি মাঠে নেমে তা প্রয়োগ করা অসম্ভব।
- প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয়: দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে একচ্ছত্র ক্ষমতায় থাকার ফলে বিজেপি-আরএসএস অক্ষ দেশের বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন এবং গণমাধ্যমের (যাকে ‘গোদি মিডিয়া’ বলা হয়) ওপর এক ধরণের অলিখিত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। ফলে, সুপ্রিম কোর্ট চাইলেও অনেক সময় সরকারের নীতিগত অবস্থানের বাইরে গিয়ে কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিতে প্রাতিষ্ঠানিক বাধার সম্মুখীন হয়।
ইতিহাসের পরিকল্পিত বিকৃতি বনাম প্রকৃত সত্য
ভিডিওর ধারাভাষ্যকার যে ঐতিহাসিক সত্যটি তুলে ধরেছেন, তা বর্তমান উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রোপাগান্ডার মুখে একটি বড় চপেটাঘাত। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলিম সমাজ এবং বিশেষ করে ওলামা ও মাদরাসাগুলোর ভূমিকা ছিল অবিচ্ছেদ্য।
- মাদরাসার ঐতিহাসিক অবদান: ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ থেকে শুরু করে রেশমি রুমাল আন্দোলন (Silk Letter Movement)—সবখানেই দেওবন্দসহ বিভিন্ন মাদরাসার ওলামারা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করেছিলেন এবং হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েছিলেন। শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে হাজার হাজার মুসলিম উলামা ভারতের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন।
- ইতিহাসের হিন্দুত্ববাদী পুনর্লিখন: বর্তমান উগ্র হিন্দুত্ববাদী সরকার পাঠ্যপুস্তক থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় বয়ান (Narrative) থেকে মুসলিমদের এই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে পদ্ধতিগতভাবে মুছে ফেলছে। যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে ব্রিটিশদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিল (যেমন সাভারকর), তাদের আজ ‘মহাবীর’ বানানো হচ্ছে; আর যারা দেশ স্বাধীন করতে জীবন দিয়েছিল, তাদের বংশধরদের আজ ‘অনুপ্রবেশকারী’ বা ‘সন্ত্রাসী’ বলে গালি দেওয়া হচ্ছে।
ভারতবর্ষের এক অন্ধকার ভবিষ্যতের সংকেত
প্রকাশ্য অডিটোরিয়ামে তরবারি উঁচিয়ে যুবকদের নেওয়া এই শপথ আসলে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের শবযাত্রার মহড়া। আরএসএস-বিজেপি সরকারের অধীনে আজ সংখ্যালঘুদের অধিকার এতটাই সংকুচিত যে, তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি বহুত্ববাদী রাষ্ট্রে যখন দেশেরই একটি বড় অংশকে স্থায়ী শত্রু হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়, তখন সেই রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ পতন অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। ভারতের এই প্রাতিষ্ঠানিক ফ্যাসিবাদ কেবল সে দেশের সংখ্যালঘুদের জন্যই নয়, বরং সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা এবং মানবাধিকারের জন্য এক অন্ধকার যুগের সংকেত বহন করছে।




