জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব কে? ২০২৫

জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব কে ২০২৫

জাতিসংঘ হলো বিশ্বের জাতিসমূহের এমন একটি সংগঠন, যার মূল লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পদ হলো মহাসচিব। কিন্তু অনেকেই জানে না বর্তমান মহাসচিব কে? চলুন তাহলে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব কে? এবং তার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।

জাতিসংঘের মহাসচিবঃ আন্তোনিও ম্যানুয়েল দে অলিভেরা গুতেরেস
জাতিসংঘের মহাসচিবঃ আন্তোনিও ম্যানুয়েল দে অলিভেরা গুতেরেস

জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব হলেন আন্তোনিও ম্যানুয়েল দে অলিভেরা গুতেরেস। তিনি ১ জানুয়ারি, ২০১৭ সাল থেকে এই পদে আসীন আছেন। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে তার দায়িত্ব পালন শুরু করেন। পর্তুগালের এই রাজনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এর আগে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী (১৯৯৫-২০০২) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। 

(১) জাতিসংঘের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি?

১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের কার্যক্রম শুরু হয়। এর নামকরণ করেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট এবং উদ্যোক্তা রাষ্ট্রগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন । প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ৫১টি । বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৩টি (সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান)। জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ৬টি। এগুলো হলো- সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, সচিবালয়, অছি পরিষদ ও আন্তর্জাতিক আদালত।

(২) জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব কে?

২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের প্রথম দফার মেয়াদকাল শেষ হয়। পরবর্তীতে কোনরূপ বিরোধিতা না আসায় ২১ জুন, ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মুন দ্বিতীয় মেয়াদে জাতিসংঘের মহাসচিবরূপে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। এরপর ২০১৭ সালে গুতেরেস ক্ষমতায় আসেন।

জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব হলেন আন্তোনিও ম্যানুয়েল দে অলিভেরা গুতেরেস। তিনি পর্তুগালের নাগরিক। ২০১৭ সালেের ১ জানুয়ারি তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ২০২১ সালে তার দায়িত্ব শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জাতিসংঘের মহাসচিব পদে দ্বিতীয়বারের মতো তিনিই (অ্যান্তোনিও গুতেরেস) দায়িত্ব পেলেন। গুতেরেস ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালন করবেন। তার বয়স ৭২ বছর। তিনি পর্তুগীজ রাজনীতিবিদ। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে গুতেরেসের দ্বিতীয় মেয়াদের কার্যক্রম শুরু হয়। জাতিসংঘের মহাসচিব পদটির মেয়াদকাল পাঁচ বছর।

(৩) আন্তোনিও ম্যানুয়েল দে অলিভেরা গুতেরেসের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও রাজনৈতিক জীবন

আন্তোনিও ম্যানুয়েল দে অলিভেরা গুতেরেস ১৯৪৯ সালের ৩০ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে তিনি সেখানেই কাটান। তার বাবার নাম ছিল ভার্জিলিও ডায়াস গুতেরেস এবং মাতার নাম ছিল ‘ইল্দা কান্ডিডা দে অলিভেইরা’।

তিনি স্বনামধন্য লিসিও দে ক্যামোসে (বর্তমানে মাধ্যমিক বিদ্যালয়) পড়াশোনা করেন। সেখান থেকেই ১৯৬৫ সালে স্নাতক পাস করেন। দেশের সেরা ছাত্র হিসেবে তিনি প্রিমিও ন্যাশিওনাল দোস লিসেয়াস পদক জয় করেন। এরপর পদার্থবিজ্ঞান ও তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনার জন্য ইনস্টিটুটো সুপেরিয়র টেকনিকোতে অধ্যয়ন করেন। ১৯৭১ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর সিস্টেম তত্ত্ব এবং টেলিযোগাযোগ সংকেত বিষয়ে সহকারী অধ্যাপকরূপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মময় জীবন শুরু করেন। তবে রাজনৈতিক জীবন শুরুর আগে তিনি শিক্ষকতা পেশা ত্যাগ করেন।[

আন্তোনিও ম্যানুয়েল দে অলিভেরা গুতেরেস, ছিলেন প্রখ্যাত পর্তুগীজ রাজনীতিবিদ এবং পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কূটনীতিবিদ। এর আগে ২০০৫ সালের জুন থেকে ১০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘ শরনার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ছিলেন। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ তাকে জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে ঘোষণা করেন। অর্থাৎ বান কি মুনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রীও ছিলেন আন্তোনিও গুতেরেস। তাছাড়াও সোশ্যালিস্ট ইন্টারন্যাশনালের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

(৪) জাতিসংঘের মহাসচিবদের তালিকা ও মেয়াদকাল

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ জন মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। নিম্নে তাদের তালিকা, দেশ ও মেয়াদকাল দেওয়া হলো–

নামমেয়াদকালদেশ
গ্লাডউইন জেব২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ থেকে ২ ফেব্রুয়ারী ১৯৪৬যুক্তরাজ্য
টৃগভে হাভডেন লি২ ফেব্রুয়ারি , ১৯৪৬ থেকে ১০ নভেম্বর ১৯৫২নরওয়ে
দ্যাগ হ্যামারশোল্ড১০ এপ্রিল , ১৯৫৩ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৬১সুইডেন
ইউ থান্টনভেম্বর ৩০, ১৯৬১ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১০৭১মায়ানমার
কার্ট ওয়াল্ডহেইম১ জানুয়ারি, ১৯৭২ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৮১অস্ট্রিয়া
হাভিয়ের পেরেজ ডে কুয়েইয়ার১ জানুয়ারি, ১৯৮২ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯১পেরু
বুত্রোস বুত্রোস গালি১ জানুয়ারি ১৯৯২ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৬ মিশর
কফি আনান১ জানুয়ারি ১৯৯৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০০৬ঘানা
বান কি মুনজানুয়ারি ১, ২০০৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬দক্ষিণ কোরিয়া
আন্তোনিও গুতেরেসজানুয়ারি ১, ২০১৭ থেকে বর্তমান পর্তুগাল

(৫) জাতিসংঘের মহাসচিবের কাজ  কি?

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পদ হলো মহাসচিব। মূলত মহাসচিব নির্বাচন করা হয় জাতিসংঘকে পরিচালনা করার জন্য। জাতিসংঘের সচিবালয়ের প্রধান হিসেবে তিনি কাজ করেন। এক কথায় বলা যায় যে, পুরো জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণের কাজই হলো মহাসচিবের।

(৬) জাতিসংঘের উপমহাসচিবদের তালিকা

ক্র. নংনামদেশমেয়াদকাল
লুইসি ফ্রেশেটকানাডা২ মার্চ ১৯৯৮ – ৩১ মার্চ ২০০৬
মার্ক ম্যালোচ ব্রাউনযুক্তরাজ্য১ এপ্রিল ২০০৬ – ৩১ ডিসেম্বর ২০০৬
মিস আশা রোজ মিগিরোতানজানিয়া৫ জানুয়ারি ২০০৭ – ৩০ জুন ২০১২
জন এলিয়াসনসুইডেন১ জুলাই ২০১২ – ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬
আমিনা মোহাম্মদনাইজেরিয়া১ জানুয়ারি ২০১৭ – বর্তমান

(৭) জাতিসংঘ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

  • ১৯২০ সালে ১০ জানুয়ারি জাতিপুঞ্জ বা ‘লীগ অফ নেশনস’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • জাতিপুঞ্জের প্রস্তাবক ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
  • জাতিসংঘ নামের প্রস্তাবক ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট।
  • জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ হলো ৫১টি ।
  • বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য দেশ।
  • প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালন করা হয়।
  • ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘের কার্যক্রম শুরু হয়।
  • জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ২টি।
  • জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা বা অফিশিয়াল ভাষা ৬টি। এগুলো হলো ইংলিশ, ফ্র্যান্স, স্প্যানিশ, রাশিয়ান, চায়না, আরবি।
  • কার্যকরী ভাষা ২টি। ইংলিশ ও ফ্র্যান্স।
  • জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থান ৬টি।
  • ১৯৭৩ সালে টোকিওতে জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ১৯৮০ সালে কোস্টারিকাতে জাতিসংঘ শান্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • জাতিসংঘ সনদের অনুচ্ছেদ ১১১টি এবং ভাগ বা অধ্যায় ১৯টি।
  • ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
  • জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৩টি

অনুরোধ!! পোষ্ট ভালো লাগলে প্লিজ উপরের শেয়ার আইকনে ক্লিক করে পোষ্টটি শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

তুর্কি সাইপ্রাস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পক্রিয়া

তুর্কি সাইপ্রাস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পক্রিয়া

আলোচ্য বিষয়: এই পোস্টে সাইপ্রাসের ভিসা প্রক্রিয়ার ধাপগুলো, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। এটি তাদের জন্য উপযোগী, যারা সাইপ্রাসে কাজের জন্য আবেদন করতে চান বা ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন। Read
সাইপ্রাসে TRC এবং PR পাবার উপায়

সাইপ্রাসে TRC এবং PR পাবার উপায়

আলোচ্য বিষয়: এই ব্লগ পোস্টে সাইপ্রাসে টিআরসি এবং পিআর পাওয়ার প্রক্রিয়া, শর্তাবলী, সেনজেন অঞ্চলের সম্ভাবনা এবং স্বাধীনভাবে কাজের অনুমতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। Read
তুর্কি সাইপ্রাসে আসার খরচ কত ২০২৫

তুর্কি সাইপ্রাসে আসার খরচ কত? ২০২৫

আলোচ্য বিষয়: আসসালামু আলাইকুম। তুর্কি সাইপ্রাসে আসার খরচ নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে। আজ আমি এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। তুর্কি সাইপ্রাসে আসার খরচ অন্যান্য দেশের তুলনায় কেমন, কেন এখানে মানুষ আসতে চায়, এবং আমার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করব। Read
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বঃ নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কারের নতুন দিগন্ত

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বঃ বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কারের নতুন দিগন্ত

আলোচ্য বিষয়: (১) বর্তমান ব্যবস্থার সমস্যা (২) আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব কী? (৩) বাংলাদেশে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের সম্ভাবনা (৪) চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা (৫) ইউনূস সরকারের ভূমিকা Read
তুর্কি সাইপ্রাসে খাবার খরচ ও বাজারের দাম কেমন

তুর্কি সাইপ্রাসে খাবার খরচ ও বাজারের দাম কেমন?

তুর্কি সাইপ্রাসে জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলকভাবে কম, বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায়। এই অঞ্চলটি এশিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়, যার কারণে খাবার, বাসস্থান এবং অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম সাশ্রয়ী। এই ব্লগ পোস্টে আমরা তুর্কি সাইপ্রাসের লাপকুসা এলাকার মোলটু মার্কেটের উদাহরণ ধরে সবজি, ফলমূল, মশলা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম এবং মাসিক খাবারের খরচ নিয়ে আলোচনা করব। সবজি ও ফলমূলের দাম তুর্কি সাইপ্রাসে সবজি ও ফলমূলের দাম সাধারণত কম থাকে, বিশেষ করে রবিবারে যখন বাজারে বিশেষ অফার চলে। নিচে মোলটু মার্কেটের কিছু জিনিসের দাম দেওয়া হলো (বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তরিত)- আপেল: প্রতি কেজি ৮৬.৫০ টাকা নারিকেল: প্রতি পিস ৬৮ টাকা আদা: প্রতি কেজি ১৮৫ টাকা পেঁয়াজ: প্রতি কেজি ৪২-৪৩ টাকা আলু: প্রতি কেজি ৬৫ টাকা টমেটো: প্রতি কেজি ১০৬ টাকা বেগুন: প্রতি কেজি ৬১ Read
বর্তমানে ইউরোপের কোন দেশে সহজেই কাজের ভিসা পাওয়া যাচ্ছে বাংলাদেশীদের জন্য মালদোভা

বর্তমানে ইউরোপের কোন দেশে সহজেই কাজের ভিসা পাওয়া যাচ্ছে? বাংলাদেশীদের জন্য মালদোভা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আলোচ্য বিষয়: ২০২৫ সালে ইউরোপের মালোদাভা দেশে সহজেই কাজের ভিসা পাওয়া যাচ্ছে। এই ব্লগ পোস্টে মালদোভা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বিস্তারিত তথ্য, এর সুবিধা, খরচ, প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হবে। Read
গ্রিসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০২৫

গ্রিসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০২৫

গ্রিস, ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্বে ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতির দেশ। এটি বাংলাদেশীদের জন্য কাজের একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালে গ্রিস সরকার বিদেশী শ্রমিকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। এই ব্লগ পোস্টে আলোচনা করা হবে গ্রিসে ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার প্রক্রিয়া, চাকরির ধরন, ভিসার খরচ, মাসিক আয়, বাসা ভাড়া, গ্রিক ভাষার গুরুত্ব, সুবিধা এবং চ্যালেঞ্জ। গ্রিস সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি গ্রিসের রাজধানী অ্যাথেন্স এবং জনসংখ্যা প্রায় ১০.৫ মিলিয়ন। দেশটির প্রধান ধর্ম গ্রিক অর্থোডক্স খ্রিস্টান, তবে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। গ্রিসের বিখ্যাত খাবারের মধ্যে রয়েছে গাইরো, সৌভলাকি এবং গ্রিক সালাদ। এর অর্থনীতি কৃষি, পর্যটন, এবং শিল্প খাতের উপর নির্ভরশীল। কেন গ্রিসে কাজ করতে চান? গ্রিসে কাজ করার আকর্ষণ অনেক। প্রথমত, এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সেনজেনভুক্ত দেশ, যা বৈধভাবে কাজ Read
বিদেশেও সচল থাকবে গ্রামীণফোনের সিমঃ প্রবাসী প্যাক নিয়ে যুগান্তকারী উদ্যোগ

বিদেশেও সচল থাকবে গ্রামীণফোনের সিমঃ প্রবাসী প্যাক নিয়ে যুগান্তকারী উদ্যোগ

আলোচ্য বিষয়: বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নিয়ে এসেছে এক অভূতপূর্ব সেবা—‘প্রবাসী প্যাক’। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রবাসীরা এখন বিদেশে থাকাকালীনও তাদের গ্রামীণফোন সিম সচল রাখতে পারবেন, আনলিমিটেড ইনকামিং এসএমএস সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন এবং দেশে ফিরে এসে ইন্টারনেট বোনাসের সুবিধা পাবেন। Read
ডিজিটাল আসক্তির জাঁতাকলে বিশ্ব, বিপর্যস্ত হরমোনাল ভারসাম্য

ডিজিটাল আসক্তির জাঁতাকলে বিশ্ব, বিপর্যস্ত হরমোনাল ভারসাম্য

আলোচ্য বিষয়: (১) ডিজিটাল আসক্তির ভয়ংকর পরিণতি (২) গবেষণার তথ্য কী বলছে? (৩) কী করা উচিত? Read
তুর্কি সাইপ্রাস কাজের ভিসা

তুর্কি সাইপ্রাস কাজের ভিসা

আসসালামু আলাইকুম! আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আমরা আলোচনা করব তুর্কি সাইপ্রাস নিয়ে, যেটি অনেক বাংলাদেশির জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। এই আর্টিকেলে আমরা তুর্কি সাইপ্রাসে কাজের সুযোগ, বেতন, ভিসা প্রক্রিয়া এবং কীভাবে সেখানে যাওয়া যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। তুর্কি সাইপ্রাস সম্পর্কে সংক্ষেপে সাইপ্রাস দুটি ভাগে বিভক্ত: নর্দান সাইপ্রাস (তুর্কি অংশ) এবং সাউদার্ন সাইপ্রাস (গ্রিক অংশ)। এই আর্টিকেলে আমরা কেবল তুর্কি সাইপ্রাস নিয়ে কথা বলব। তুর্কি সাইপ্রাস একটি জনপ্রিয় গন্তব্য ছিল বাংলাদেশিদের জন্য, তবে অবৈধ প্রবেশ এবং অনিয়মের কারণে এখানে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তবুও, এখানে এখনো কাজের সুযোগ রয়েছে। তুর্কি সাইপ্রাসে কাজের সুযোগ তুর্কি সাইপ্রাসে বাংলাদেশিদের জন্য বিভিন্ন সেক্টরে কাজের সুযোগ রয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সেক্টরগুলো হলো- ১. কনস্ট্রাকশন সেক্টর কাজের ধরন: ভবন নির্মাণ, রাস্তাঘাট তৈরি, অবকাঠামো উন্নয়ন। বাংলাদেশিদের Read